শিরোনাম
ডেউয়াতলী গ্রামের মরহুম মোঃ কোব্বাদ খান ও মান্নান চৌধুরী পরিবারবর্গকে নিয়ে সফিউল্লা খন্দকারের মানহানিকর বক্তব্যের প্রতিবাদ পলাশ শিল্পাঞ্চল সরকারি কলেজ শিক্ষক ও কর্মচারিদের বিক্ষোভ বাস্তবময় জীবনের বাস্তবতা…অনামিকা চৌধুরী রু লাকসামে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আগুন : প্রায় ৭লাখ টাকার ক্ষতি মুরাদনগরে সাব-রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ের অভ্যন্তরীন প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত পদ্মা সেতু আমাদের জাতিকে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর সুযোগ করে দিয়েছে দীঘিনালায় জেলেদের মাঝে ছাগল বিতরণ গোমস্তাপুরে চাঞ্চল্যকর কুলুলেস ‍‍`মেহেরুল‍‍` হত্যা মামলার আসামি আটক তরুন উদ্যোক্তা নাসিমা জাহান বিনতী’র গ্লোবাল ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড অর্জন পলাশে চাচীর সাথে পরকিয়া করতে গিয়ে প্রেমিকের হাতের কব্জি কর্তন
বিজ্ঞাপন
মুক্তিকামী জনতার দৈনিক 'মুক্তির লড়াই' পত্রিকার জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে ব্যুরো চীফ, প্রতি জেলা ও উপজেলার একজন করে প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আবেদন করুন। যোগাযোগের ঠিকানাঃ কামরুজ্জামান জনি- সম্পাদক, মুক্তির লড়াই। ইমেইলঃ jobmuktirlorai@gmail.com । ধন্যবাদ ।

একজন হাজেরা বিবির জীবনের গল্প

Muktir Lorai / ২১৮ বার ভিউ করা হয়েছে
বাংলাদেশ সময় শনিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২০

মোঃ শাহ আলমঃ দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া; ঘর হইতে দুই পা ফেলিয়া… একটি শিশির বিন্দু।

হ্যা আমাদের আশেপাশে কত রত্ন ছড়িয়ে আছে কেবা তার খবর রাখে। মানুষ যদিও রত্নকে যত্ন করে কিন্তু আমাদের সমাজে মানুষ নামে কিছু রত্ন আছে যারা থাকে সব সময়ই অবহেলিত। মাদার তেরেসা, নবাব ফয়জুন্নেছার কথা মানুষ মনে রাখলেও সমাজের এই রত্ন গুলোর কথা কিন্তু মানুষ মনে রাখে না। যারা নিঃস্বার্থভাবে মানুষের সেবা করে যায়।

কুমিল্লার বরুড়ার ৪ নং দক্ষিণ খোশবাস ইউনিয়নের বড় হরিপুর গ্রামের মৃত মোকশত আলীর স্ত্রী হাজেরা বিবি (৭৫)। তাঁহার স্বামী মারা গিয়েছে প্রায় ২৫ বছর আগে।
বড়হরিপুর, শ্রীরামপুর, ঘোড়াডেঙ্গা গ্রামের কোন মেয়ে লোক মারা গেলে একমাত্র হাজেরা বিবিই ভরসা তাদেরকে দাফনের আগে গোসল দেওয়ার জন্য। মৃত মানুষ দেখলেই আমরা যেখানে ভয়ে চমকে উঠি, কেউ কাছে যেতে চাই না, আর সেখানে হাজির বিবি নিজ হাতে তাদের গোসল দিয়ে থাকেন। মৃতকে গোসল দেয়া বাবদ হাজেরা বিবি নিজে অভাবে থাকলেও কারো থেকে এক টাকাও নেননা। মৃত ব্যক্তির বাড়িতে দাওয়াত দিলে উনি দাওয়াত গ্রহণ করেননা। তিনি বলেন আমি যা করেছি আল্লাহর সন্তুষ্টি ও মানব সেবার জন্য করেছি। আপনারা দোয়া করবেন।
কিন্তু এ হাজেরা বিবির দিন চলছে অর্ধাহারে অনাহারে, মানুষের দানে চলে তাঁর জীবিকা।

তাঁর নিজের কোন জমি নেই, তাই অন্যের একখণ্ড জমিতে ঘর তুলে থাকে আজ ৩০ বছর। এলাকার মানুষের সহায়তায় ঘরের চালে টিন দিতে পারলেও ঘরের চারদিকে কোন ভেড়া দিতে পারিনি।
দুই মেয়ের এক মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন রংপুর জেলায়, আরেক মেয়ে রুনু আক্তার (২৮) শারীরিক প্রতিবন্ধী (পায়ের গোড়ালি বাঁকা) ও শ্বাসকষ্ঠের রোগী। টাকার অভাবে চিকিৎসা ও মেয়ে বিয়ে দিতে পারেছেনা। ডাক্তার বলেছে পায়ের চিকিৎসা করালে ভালো হতে পারে, প্রতিবন্ধী মেয়েকে বিয়ে দিতেও টাকা পয়সার প্রয়োজন। উল্লেখ্য হাজেরা বিবি বিধবা ভাতা বা বয়স্ক ভাতা কোনটাই পায়না।

বর্তমানে হাজেরা বিবি চোখের ছানি সমস্যায় ভুগছেন।
আমরা কি পারিনা তাঁর চোখের চিকিৎসা ও ঘরের বেড়ার টিনের ব্যবস্থা করে দিতে।
আসুন আমাদের সাধ্যমত হাজেরা বিবির পাশে দাঁড়াই।


এই বিভাগের আরো সংবাদ
Translate »
Translate »