বিজ্ঞাপন
মুক্তিকামী জনতার দৈনিক 'মুক্তির লড়াই' পত্রিকার জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে ব্যুরো চীফ, প্রতি জেলা ও উপজেলার একজন করে প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আবেদন করুন। যোগাযোগের ঠিকানাঃ কামরুজ্জামান জনি- সম্পাদক, মুক্তির লড়াই। ইমেইলঃ jobmuktirlorai@gmail.com । ধন্যবাদ ।

গোপালগঞ্জে সাংবাদিক ইমন অপহরণের মামলা না নেয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন

Muktir Lorai / ১৭৬ বার ভিউ করা হয়েছে
বাংলাদেশ সময় সোমবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২০

প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ
গোপালগঞ্জ থানার ওসি মনিরুজ্জামান ও এসআই মো: রাজু আহম্মেদ দৈনিক দিনের আলো পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি ভোলানাথ বল (ইমন) (৪০) কে অপহরণের মামলা না নিয়ে উল্টা তাহার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করিবে বলিয়া হুমকি-ধামকি দিয়ে থানা হইতে বাহির করিয়া দেয়ার প্রতিবাদে ৭ ডিসেম্বর সকাল ১১ ঘটিকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক প্রতিবাদী মানববন্ধন আয়োজন করা হয়।
উক্ত মানববন্ধনে ভূক্তভোগী সাংবাদিক ভোলানাথ বল (ইমন) বলেন, গত ইং ২১/১১/২০২০ তারিখ রাত অনুমানিক ৯ ঘটিকার সময় আমি পেশাগত কাজে গোপালগঞ্জের বেদগ্রাম এলাকায় অবস্থান করা কালীন সময় অজ্ঞাতনামা ০১৮৫০০৫৫৫৭১ নং মোবাইল নম্বর হইতে আমার ব্যবহৃত ০১৭১৫৪৯০৬১২ নং মোবাইল নম্বরে ফোন করিয়া জানায় যে, গোপালগঞ্জ পুলিশ লাইন্স মোড়ে নাফিসা মটরস এর শো-রুমের সামনে আপনার একজন সহযোগি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হইয়া গুরুত্বর অসুস্থ অবস্থায় আছে। আপনি দ্রুত চলিয়া আসেন। উক্ত সংবাদ পাইয়া আমি আমার ব্যবহৃত মোটরসাইকেল যোগে দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দেবাশীষ বিশ্বাস (৩০), পিং-দিলিপ বিশ্বাস, সাং-ডাবরা, থানা- মোল্লাহাট, জেলা-বাগেরহাট, সুজন মজুদদার (৪৪), পিং- শুসান্ত মজুমদারসহ অজ্ঞাতনামা ২০/২৫ জন সন্ত্রাসী, অপহরণকারী ব্যক্তি ১০-১২টা মোটরসাইকেল যোগে আসিয়া আমাকে চর্তুদিক থেকে ঘিরিয়া ফেলিয়া তাহাদের হাতে থাকা হেলমেট দিয়া আমাকে হত্যা করার অসৎ উদ্দেশ্যে আমার মাথা, বুক, পিট, মুখমন্ডলসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে পিটাইয়া গুরুত্ব হাড়ভাঙ্গা রক্তাক্ত বেদনাদায়ক জখম করে। দেবাশীষ বিশ্বাস আমাকে হত্যা করার অসৎ উদ্দেশ্যে গলা পাড়াইয়া ধরিয়া জোরে দম দিলে আমার জিহ্বা বাহির হইয়া যায় এবং আমি পানি পানি বলিয়া চিৎকার করিতে থাকি। তখন দেবাশীষ বিশ্বাস ও সুজন মজুমদার সহ অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসীরা আমাকে জোরপূর্বক অপহরণ করিয়া সুজন মজুমদারের বাড়ী চরমানিকদাহ নিয়া একটি টিনের ঘরে আটকাইয়া রাখিয়া ৫০,০০,০০/- (পাঁচ লক্ষ) টাকা মুক্তিপণ দাবী করে। আমি তাহা অস্বীকার করিলে সুজন মজুমদার জোরপূর্বক আমার গলা টিপিয়া ধরিয়া হত্যা করার অসৎ উদ্দেশ্যে বিষাক্ত দ্রব্য খাওয়াইয়া দেয় যাহার ফলে আমার বুকের ভিতরে প্রচন্ড জ্বালা যন্ত্রনা অনুভব করিতে থাকি। আমি কৌশলে ৯৯৯-এ ফোন করিয়া পুলিশ কর্তৃপক্ষকে উক্ত বিষয়টি অবগত করিলে গোপালগঞ্জ থানার এসআই রাজু আহম্মেদ, বিপি-৯২১৯২২৪৬৩৭ সঙ্গীয় ফোর্স সহ চরমানিকদাহ সুজন মজুমদারের বাড়ীতে উপস্থিত হইয়া আমাকে উদ্ধার করে এবং দেবাশীষ বিশ্বাস ও সুজন মজুমদারকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়। অন্যান্য অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিবর্গ পালাইয়া যাইতে সক্ষম হয়। আমার শারীরিক অবস্থা আশংঙ্কাজনক দেখিয়া পুলিশ সদস্যরা আমাকে গোপালগঞ্জ ২৫০ শস্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আমার অবস্থা গুরুত্বর দেখিয়া উন্নত চিকিৎসার জন্য আমাকে খুলনা মেডিকেল অথবা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করে। আমি হাসপাতাল হইতে রিলিজ নিয়া অসুস্থ অবস্থায় থানায় হাজির হইয়া লিখিত এজাহার দায়ের করিতে গেলে ওসি মনিরুজ্জামান ও এসআই রাজু আহম্মেদ আমাকে এবং আমার সহকর্মীদেরকে মানহানিকর উক্তি করিয়া গালি-গালাজ করিয়া ও আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করিবে মর্মে ভয়-ভীতি প্রদর্শন করিয়া থানা হইতে বাহির করিয়া দেয়। এদিকে ওসি মনিরুজ্জামান ও এসআই রাজু আহম্মেদ মোটা অংকের উৎকোচ গ্রহণ করিয়া গ্রেফতারকৃত আসামী দেবাশীষ ও সুজন মজুমদারকে ফৌঃ কাঃ বিঃ আইনের ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখাইয়া কোর্টে প্রেরণ করে। পরবর্তীতে আমি বাদী হইয়া বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট জনাবা বীনা দাস এর আদালতে গোপা: সি.আর-৯০৬/২০ ধারা: ৩২৩/৩২৫/৩২৮/৩৬৪/৩৮৫/৩৮৬/৩০৭/৩৪ দ: বি: ধারায় একটি নালিশী মামলা দায়ের করি।
আমাকে হত্যা করিবার উদ্দেশ্যে অপহরণ করিয়া নিয়া যায়। এবং তার কাছে ৫,০০,০০০/- (পাঁচ লক্ষ) টাকা মুক্তিপণ দাবী করে। থানায় মামলা করিতে গেলে অকথ্য ভাষায় গালি-গালাজ করিয়া ওসি ও এসআই আমাকে থানা হইতে বাহির করিয়া দেয় এবং আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করিবে বলিয়া হুমকি দেয়।
বর্তমানে সন্ত্রাসীরা জামিনে ছাড়া পেয়ে আমাকে বিভিন্ন মুঠোফোন নম্বর হইতে খুন করিয়া লাশ গুম করিবে মর্মে হুমকি অব্যাহত রাখিয়াছে।
মানববন্ধনে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দৈনিক দিনের আলোর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মো: ফজলুর রহমনা জুলফিকার, দৈনিক আলোর বার্তা সম্পাক ও বাংলাদেশ এডিটরস ফোরামের সিনিয়র সহ সভাপতি রফিকুল্লা শিকদার, রুরাল জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশন (আরজেএফ) চেয়ারম্যান এস, এম জহিরুল ইসলাম, বাংলাদেশ মানবাধিকার সমিতির সভাপতি মঞ্জুর হোসেন ইশা, শরীয়তপুর প্রিন্ট মিটিয়া এসোসিয়েশনের সভাপতি মো: আল আমিন শাওন, বিশেষ সংবাদের সম্পাদক সাইদুল ইসলাম বাদল, মোড়েলগঞ্জ রিপোটার্স ইউনিটির সাধারন সম্পাদক লুৎফুন নাহার রিক্তা, দৈনিক দিনের আলোর চিফ রিপোর্টার মো: আবদুল আওয়াল, আমাদের নতুনসময়ের সিনিয়র রিপোর্টার সমির রায়, সবুজবাংলা ২৪ডটকম এর সিনিয়র রিপোর্টার মো: শহীদুল ইসলাম প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন কোন অপরাধ সংঘঠিত হলে মামলা নেয়া পুলিশের নৈতিক দায়িত্ব কিন্তু গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি মনিরুজ্জামান মামলা না নিয়ে উল্টো ভুক্তভোগি ভোলানাথ বল ইমনসহ তার সঙ্গে থাকা সহকর্মীদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরন করে। এ বিষয়ে ভূক্তভোগী সাংবাদিক ভোলানাথ বল (ইমন) মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্টমন্ত্রীসহ উর্ধতন পুলিশ প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছে।


এই বিভাগের আরো সংবাদ
Translate »
Translate »