বিজ্ঞাপন
মুক্তিকামী জনতার দৈনিক 'মুক্তির লড়াই' পত্রিকার জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে ব্যুরো চীফ, প্রতি জেলা ও উপজেলার একজন করে প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আবেদন করুন। যোগাযোগের ঠিকানাঃ কামরুজ্জামান জনি- সম্পাদক, মুক্তির লড়াই। ইমেইলঃ jobmuktirlorai@gmail.com । ধন্যবাদ ।

ঠাকুরগাঁও হানাদার মুক্ত দিবস আজ

Muktir Lorai / ১৩৮ বার ভিউ করা হয়েছে
বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২০

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ১৯৭১ এর এই দিনে ঠাকুরগাঁও পাকিস্তানী হানাদার মুক্ত হয়। সেই সময় ঠাকুরগাঁও ছিল উত্তরের প্রত্যন্ত অঞ্চল দিনাজপুর জেলার একটি মহকুমা। বর্তমান ঠাকুরগাঁও এবং পঞ্চগড় জেলার ১০টি থানা ছিল ঠাকুরগাঁও মহকুমার অন্তর্গত।
৭১ এ হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে ঠাকুরগাঁওবাসী গড়ে তুলেছিলো দুর্বার প্রতিরোধ। এই প্রতিরোধের কারণেই ১৪ই এপ্রিল পর্যন্ত হানাদার বাহিনী প্রবেশ করতে পারেনি ঠাকুরগাঁওয়ের মাটিতে।
১৫ই এপ্রিল ১০টি ট্রাক ও ৮টি জিপে করে মুহুর্মুহু শেল বর্ষণ করতে করতে ঠাকুরগাঁও শহরে ঢুকে পড়ে হানাদার বাহিনী। তবে তেতুলিয়া থানাকে কেন্দ্র করে ১৫০ বর্গমাইলের ১টি মুক্তাঞ্চলকে কেন্দ্র করে গঠিত ১০ হাজার মুক্তিযোদ্ধা সংগঠিত হয় এবং পাক-বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
২৯ নভেম্বর পঞ্চগড় হাতছাড়া হওয়ার পর পাকবাহিনীর মনোবল ভেঙে গেলে তারা পিছু হটে ঠাকুরগাঁওয়ে ঘাঁটি স্থাপন করে। পাকসেনারা ৩০ নভেম্বর ভুল্লী ব্রিজটি বোমা মেড়ে উড়িয়ে দেয় এবং সালন্দর এলাকায় বিভিন্ন জায়গায় মাইন পেতে রাখে। মিত্রবাহিনী ভুল্লী ব্রিজ মেরামত করে ট্যাঙ্ক পারাপারের ব্যবস্থা করে ঠাকুরগাঁও শহরের দিকে অগ্রসর হয়।
২ ডিসেম্বর রাতে প্রচণ্ড গোলাগুলি ও সম্মুখ যুদ্ধের পর শত্রুবাহিনী পিছু হটে ২৫ মাইল নামক স্থানে যায়। ৩ ডিসেম্বর ভোর রাতে মিত্রবাহিনী বিজয়ীর বেশে ঠাকুরগাঁও এ প্রবেশ করে। অবশেষে মুক্ত হয় ঠাকুরগাঁও।


এই বিভাগের আরো সংবাদ
Translate »
Translate »