শিরোনাম
ডেউয়াতলী গ্রামের মরহুম মোঃ কোব্বাদ খান ও মান্নান চৌধুরী পরিবারবর্গকে নিয়ে সফিউল্লা খন্দকারের মানহানিকর বক্তব্যের প্রতিবাদ পলাশ শিল্পাঞ্চল সরকারি কলেজ শিক্ষক ও কর্মচারিদের বিক্ষোভ বাস্তবময় জীবনের বাস্তবতা…অনামিকা চৌধুরী রু লাকসামে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আগুন : প্রায় ৭লাখ টাকার ক্ষতি মুরাদনগরে সাব-রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ের অভ্যন্তরীন প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত পদ্মা সেতু আমাদের জাতিকে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর সুযোগ করে দিয়েছে দীঘিনালায় জেলেদের মাঝে ছাগল বিতরণ গোমস্তাপুরে চাঞ্চল্যকর কুলুলেস ‍‍`মেহেরুল‍‍` হত্যা মামলার আসামি আটক তরুন উদ্যোক্তা নাসিমা জাহান বিনতী’র গ্লোবাল ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড অর্জন পলাশে চাচীর সাথে পরকিয়া করতে গিয়ে প্রেমিকের হাতের কব্জি কর্তন
বিজ্ঞাপন
মুক্তিকামী জনতার দৈনিক 'মুক্তির লড়াই' পত্রিকার জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে ব্যুরো চীফ, প্রতি জেলা ও উপজেলার একজন করে প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আবেদন করুন। যোগাযোগের ঠিকানাঃ কামরুজ্জামান জনি- সম্পাদক, মুক্তির লড়াই। ইমেইলঃ jobmuktirlorai@gmail.com । ধন্যবাদ ।

দেশের সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে রোগীর চাপ

Muktir Lorai / ৮৯ বার ভিউ করা হয়েছে
বাংলাদেশ সময় শনিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২০

সরকারি-বেসরকারি সব হাসপাতালেই বেড়েছে রোগীর চাপ। আইসিইউসহ সাধারণ শয্যার তীব্র সংকট হওয়ায় ভোগান্তিতে রোগীরা। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার আশায় দীর্ঘদিন অপেক্ষায় থাকা রোগীরা হাসপাতালে আসায় হিমশিম অবস্থা। এতে সংক্রমণের ঝুঁকি কয়েক গুণ বাড়ার সঙ্গে ব্যাহত হচ্ছে সেবা।

একটি আইসিইউ শয্যার জন্য ৬৮ বছর বয়সী মাকে নিয়ে ৩টি হাসপাতাল ঘুরেছেন ওয়াহিদা পারভীন। স্নায়ু রোগে আক্রান্ত মায়ের জন্য অবশেষে আসগর আলী হাসপাতালে মিলেছে আইসিইউ বেড। কিছুটা স্বস্তি মিললেও কয়েক ঘণ্টায় মায়ের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে।
ওয়াহিদা পারভীনের মেয়ে বলেন, ‘উনারা বলেছেন আইসিইউ নেই এবং উনাদের অপশন আছে যে আপনি যদি আইসিইউতে ভর্তি করেন সেখানে আমাদের কোভিড রোগী থাকবে কিন্তু আমরা তো এ রিস্কে যাব না, ভর্তি করব না। এই জন্য আমরা ওইসব হাসপাতালে আর ভর্তি করিনি তাই এখানে চলে এসেছি।’

হৃদরোগ হাসপাতালের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের শয্যাসংখ্যা ৭২। এর বিপরীতে রোগী ভর্তি হয়েছে ১৮৫ জন। মাঝে মাঝেই এই সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যাচ্ছে।
হৃদরোগ হাসপাতালের নার্স বলেন, ‘পর্যাপ্ত সিট দিতে পারছি না যার কারণে রোগীদের সামাল দিতে আমাদের হিমশিম খাওয়ার মতো অবস্থা। আমরা তাদের বলি যে মাস্ক ব্যবহার করবেন, এমনকি ওয়ার্ডের প্রতিটি জায়গায় টানিয়ে দিয়েছি নো মাস্ক নো এন্ট্রি এবং নো সার্ভিস। তারা কেউই সচেতন না, কেউই মাস্ক ব্যবহার করছে না।’
বাড়তি চাপে রোগীরা পাচ্ছেন না যথাযথ সেবা। সুস্থ হতে এসে উল্টো কোভিড সংক্রমণে পড়ার আশঙ্কায় রোগীরা।
হাসপাতালে সেবা নিতে আসা একজন রোগী বলেন, ‘হার্টের সমস্যা ছিল তাই এখানে সেবা নিতে আসছি।
অন্য আরেকজন রোগী বলেন, করোনা কার শরীরে আছে তা তো বলা যায় না। এখানে রোগীদের ভিড় বেড়ে গেছে।’
সাধারণ ও আইসিইউ শয্যার তীব্র সংকট দেখা দিলেও, তা স্বীকার করতে নারাজ স্বাস্থ্য অধিদফতর। চাপ বাড়লে তখন নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল ও ক্লিনিকের পরিচালক।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক পরিচালক ডা. ফরিদ হোসেন মিয়া ফোনে বলেন, ‘আমাদের কাছে এমন কোনও তথ্য আসেনি যে হাসপাতালে কেউ সিট পাচ্ছে না, সিট বাড়াতে হবে। আগে যে রকম ছিট খালি ছিল এখন এতটা ছিট খালি নেই কারণ রোগী বাড়ছে। হয়তো ঢাকা শহরে আইসিইউয়ের অভাব আছে এখনো।’
একেকজন রোগীর সঙ্গে ৩ থেকে ৫ জন অ্যাটেনডেন্ট হাসপাতালে প্রবেশ করছেন। এতে সেবা চরমভাবে ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সংক্রমণ কোনোভাবেই এড়ানোর উপায় নেই বলে মনে করছেন কর্তৃপক্ষ।


এই বিভাগের আরো সংবাদ
Translate »
Translate »