শিরোনাম
ডেউয়াতলী গ্রামের মরহুম মোঃ কোব্বাদ খান ও মান্নান চৌধুরী পরিবারবর্গকে নিয়ে সফিউল্লা খন্দকারের মানহানিকর বক্তব্যের প্রতিবাদ পলাশ শিল্পাঞ্চল সরকারি কলেজ শিক্ষক ও কর্মচারিদের বিক্ষোভ বাস্তবময় জীবনের বাস্তবতা…অনামিকা চৌধুরী রু লাকসামে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আগুন : প্রায় ৭লাখ টাকার ক্ষতি মুরাদনগরে সাব-রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ের অভ্যন্তরীন প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত পদ্মা সেতু আমাদের জাতিকে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর সুযোগ করে দিয়েছে দীঘিনালায় জেলেদের মাঝে ছাগল বিতরণ গোমস্তাপুরে চাঞ্চল্যকর কুলুলেস ‍‍`মেহেরুল‍‍` হত্যা মামলার আসামি আটক তরুন উদ্যোক্তা নাসিমা জাহান বিনতী’র গ্লোবাল ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড অর্জন পলাশে চাচীর সাথে পরকিয়া করতে গিয়ে প্রেমিকের হাতের কব্জি কর্তন
বিজ্ঞাপন
মুক্তিকামী জনতার দৈনিক 'মুক্তির লড়াই' পত্রিকার জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে ব্যুরো চীফ, প্রতি জেলা ও উপজেলার একজন করে প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আবেদন করুন। যোগাযোগের ঠিকানাঃ কামরুজ্জামান জনি- সম্পাদক, মুক্তির লড়াই। ইমেইলঃ jobmuktirlorai@gmail.com । ধন্যবাদ ।

প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ দিবসের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া প্রয়োজন… মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী

Muktir Lorai / ১১১ বার ভিউ করা হয়েছে
বাংলাদেশ সময় বুধবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২০

স্টাফ রিপোর্টারঃ
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক এমপি বলেছেন, ১৯৭১ সালের ১৯ মার্চের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ দিবসের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া প্রয়োজন। স্বাধীনতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনায় এ প্রতিরোধ যুদ্ধ মুক্তিকামী বাঙালি জাতিকে অনুপ্রাণিত করেছিল। মুক্তিযুদ্ধ শুরুর আগে ১৯৭১ সালের ১৯ মার্চ গাজীপুরের তৎকালীন জয়দেবপুরে পাক সেনাবাহিনীর সাথে জনতার প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ হয়েছিল। ইতিহাসের স্বার্থে এই দিবসের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া প্রয়োজন। মঙ্গলবার (১৫ ডিসেম্বর) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী ও ১৫ ডিসেম্বর গাজীপুরমুক্ত দিবস উপলক্ষে ‘ঊনিশে মার্চ প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ দিবস সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন জাতীয় কমিটি’ আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তৃতায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক এ কথা বলেন।
পৃথিবীর সব মুসলিম প্রধান দেশে ভাস্কর্য আছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে অনেক আগে থেকেই ভাস্কর্য রয়েছে। গাজীপুরেও প্রথম প্রতিরোধের ভাস্কর্য ১৯৭২ সাল থেকে আছে। সেসব ভাস্কর্য নিয়ে কখনও কেউ কিছু বলেনি, কিন্তু জাতির পিতার ভাস্কর্য নিয়ে কতিপয় ধর্ম ব্যবসায়ী মৌলবাদী গোষ্ঠী ধৃষ্টতা দেখাচ্ছে। বিজয়ের এতবছর পর সাম্প্রদায়িক শক্তির আস্ফালন দুঃখজনক উল্লেখ করে তিনি বলেন, যারা আজ ধর্মের নাম করে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে যে ধৃষ্টাপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছে এরাই ৫২ এর ভাষা আন্দোলন, ৫৪ ও ৭০ এর নির্বাচন এবং ১৯৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলা ভাষা, বাঙালি জাতিসত্তা ও বাঙালির ন্যায়সঙ্গত অধিকারকে ইসলামের প্রতিপক্ষ হিসেবে দাঁড় করিয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী বাঙালি জাতি এসব ধর্ম ব্যবসায়ীদের মুখোশ উন্মোচন করে প্রতিহত করবে বলে মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন।
আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, শামসুন নাহার ভূইয়া এমপি, সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী মোজাম্মেল হক, বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল, বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন, অধ্যাপক এম এ বারী, গাজীপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট রীনা পরভীন প্রমুখ।


এই বিভাগের আরো সংবাদ
Translate »
Translate »