বিজ্ঞাপন
মুক্তিকামী জনতার দৈনিক 'মুক্তির লড়াই' পত্রিকার জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে ব্যুরো চীফ, প্রতি জেলা ও উপজেলার একজন করে প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আবেদন করুন। যোগাযোগের ঠিকানাঃ কামরুজ্জামান জনি- সম্পাদক, মুক্তির লড়াই। ইমেইলঃ jobmuktirlorai@gmail.com । ধন্যবাদ ।

প্রথা মেনেই রাজ্যজুড়ে আয়োজন ছোট পূজার

Muktir Lorai / ১০১ বার ভিউ করা হয়েছে
বাংলাদেশ সময় শনিবার, ২১ নভেম্বর, ২০২০

প্রসেনজিৎ দাস, আগরতলা: ত্রিপুরায় বসবাসরত বিহারি সম্প্রদায়ের চিরাচরিত ছট পূজাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের বিভিন্ন অংশে হাওড়া নদীর পাড় এলাকায় ধর্মপ্রান বিহারী সসম্প্রদায়ের মানুষের পুজার্চনা চলে শুক্রবার। আগরতলায় মুল আয়োজন হয় দশমী ঘাট এলাকায়। এখানে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব। ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী জায়া নীতি দেব, বিধায়ক ডাক্তার দিলীপ দাস সহ অন্যান্যরা। এদিকে আগরতলার পাশাপাশি ধর্মনগর রেলওয়ে ষ্টেশন সংলগ্ন এলাকাও মিলন ক্ষেত্রে পরিনত হয় বলে খবর। জানা গেছে শুভ দীপাবলির ছয় দিনের দিনে এই পুজা অনুষ্ঠিত হয়।এই পুজোতে যারা যারা পুজো দেয় তারা তিন দিন পূর্বে থেকেই সম্পুর্ন উপোষ করে ভাল বস্ত্র পরিধান করে পুজোতে অংশ নেয়। এই ছট পুজার বিশেষত্ব হলো বিকেল থেকে পূজার্চনা শুরু হয়ে সুর্যাস্তের মধ্যদিয় সমাপ্তি হয়।এই রাএিতে বিভিন্ন আচার অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে কাটানো হয়।পরিশেষে শেষ রাএিতে উপোষ ভেঙে ব্রতীরা খাবার গ্রহণ করে।ধর্মনগর স্হিত ছট পুজা কমিটির এক সক্রিয় সদস্যের সাথে একান্ত এক সাক্ষাতে জান যায় যে, পুজাটি একটি নিদৃষ্ট জাতি গোষ্ঠীর হলেও সকল সম্প্রদায়ের লোক জনের জনসমাগমে সার্থক রুপ পায় প্রতিটি বৎসর।দীর্ঘ প্রায় চল্লিশ বৎসর যাবৎ ধর্মনগরে এই পুজো হয়ে আসছে।হিন্দি বাসিদের এই পুজাকে কেন্দ্র করে সকল ধর্ম,বর্ন,নির্বিশেষে মিলন ক্ষেত্রে পরিনত হয়।প্রত্যেক ব্রতীগন দীঘির জলে নেমে পুজোর পুণ্য অর্জন করে। বাহারি বাজনা বাজিয়ে মাথায় করে পুজোর তথ্য নিয়ে পুজো স্হলে প্রবেশ করে।হাজার হাজার ভক্তগনের উপস্থিততে মুখরিত হয়ে উঠে পুজা প্রাঙ্গন।ভক্তপ্রান নাগরিকরাও ছুটে আসে হিন্দি বাসিদের ছট পুজা দেখতে।এই ধরনের প্রবাসী পুজোয় ভীষণ খুশি গোটা রাজ্যের মানুষ।


এই বিভাগের আরো সংবাদ
Translate »
Translate »