বিজ্ঞাপন
মুক্তিকামী জনতার দৈনিক 'মুক্তির লড়াই' পত্রিকার জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে ব্যুরো চীফ, প্রতি জেলা ও উপজেলার একজন করে প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আবেদন করুন। যোগাযোগের ঠিকানাঃ কামরুজ্জামান জনি- সম্পাদক, মুক্তির লড়াই। ইমেইলঃ jobmuktirlorai@gmail.com । ধন্যবাদ ।

বঙ্গবন্ধু পরিষদ বেসিক ব্যাংক এর উদ্যোগে ভাস্কর্য ভাঙচুরের প্রতিবাদে “মানববন্ধন” ও “মাক্স বিতরণ”

Muktir Lorai / ১১৯ বার ভিউ করা হয়েছে
বাংলাদেশ সময় রবিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২০

স্টাফ রিপোর্টারঃ
আজ সকালে বেসিক ব্যাংক, বঙ্গবন্ধু পরিষদ এর উদ্যোগে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে মতিঝিল, ঢাকায়, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য ভাঙচুর ও নির্মাণে বাধা দেওয়ার প্রতিবাদে “মানববন্ধন” ও করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে “মাক্স বিতরণ” কর্মসূচি পালিত হয়। সংগঠনের সভাপতি ডঃ শংকর তালুকদার এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক তারিকুল ইসলাম তারেক এর সঞ্চলনায় উক্ত কর্মসূচি উদ্বোধন করেন মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর মুক্তিযোদ্ধা, জাতির পিতার স্নেহধন্য, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সিনিয়র উপদেষ্টা, বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক, বিশিষ্ট লেখক, গবেষক ও কলামিস্ট ডা. এস. এ. মালেক। মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সন্মানিত চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবুল হাসেম, বঙ্গবন্ধু পরিষদ কেন্দ্রীয় পরিচালনা পর্ষদ সদস্য ও বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিষ্টার ডা. শেখ আব্দুল্লাহ আল-মামুন, মতিউর রহমান লাল্টু, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান, ডঃ অরুণ কুমার গোস্বামী, বঙ্গবন্ধু পরিষদ কেন্দ্রীয় পরিচালনা পর্ষদ সদস্য এস এম লুৎফর রহমান, খন্দকার নজরুল ইসলাম, বেসিক ব্যাংকের সন্মানিত পরিচালক রাজীব পারভেজ, বেসিক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ রফিকুল আলম, বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের সাধারণ সম্পাদক মুহাঃ রোকন উদ্দিন পাঠানসহ কেন্দ্রীয়, মহানগর ও শাখার নেতৃবৃন্দ সহ দেশের বরেণ্য বুদ্ধিজীবীগণ, বেসিক ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপকগণ ও ব্যাংকের সর্বস্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী বক্তব্যে ভিডিও কনফারেন্স এর মাধ্যমে ডাঃ এস এ মালেক বলেন, জাতির পিতার ভাস্কর্য অবমাননা ও ভাঙচুর করার ঘটনায় তিনি ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, যে নেতার জন্ম না হলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতোনা, বাঙালি জাতির স্বাধীন দেশ পেতনা, সেই স্বাধীনতার মহান স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য যারা ভাঙচুর করেছে, সেই মৌলবাদী, উগ্র ধর্মান্ধ, সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠির এবং স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তির বিষ দাঁত ভেঙ্গে দিতে হবে এবং তাদের বিচারের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে বক্তব্য বেসিক ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবুল হাসেম বলেন, বঙ্গবন্ধু আমাদের অনুপ্রেরণার উৎস। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে আর সেই স্বাধীনদেশে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙচুর করা অত্যন্ত নিন্দনীয় কাজ, ক্ষমার অযোগ্য। বঙ্গবন্ধু পরিষদের নেতা ড. অরুণ কুমার গোস্বামী বলেন, বঙ্গবন্ধু বিশ্বের নির্যাতিত ও নিপীড়িত মানুষের মহান নেতা ছিলেন। তিনি ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতিতে বিশ্বাসী ছিলেননা। এই জন্য তিনি দেশ স্বাধীনের পরে আমাদের মহান সংবিধানে ধর্ম নিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্রের ৪টি মূল নীতির অংশ হিসেবে অর্ন্তভূক্ত করেন। বঙ্গবন্ধু পরিষদের নেতা মতিউর লাল্টু বলেন, যে স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তি জাতির পিতার ভাস্কর্য ভাঙচুর করেছে, তাদের অবশ্যই বিচারের আওতায় আনতে হবে। বঙ্গবন্ধু পরিষদের নেতা এস এম লুৎফর রহমান বলেন, ইসলাম শান্তির ধর্ম। এখানে সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ ও মৌলবাদের কোন স্থান নেই। যারা ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে দেশে রাজনৈতিক পরিবেশ অশান্ত করতে চাই তাদের দাঁত ভাঙ্গা জবাব দিতে হবে। বঙ্গবন্ধু পরিষদের নেতা খন্দকার নজরুল ইসলাম বলেন, আমাদের স্বাধীনতা অর্জনের ৫০ বছর পূর্তি হতে যাচ্ছে। কিন্তু এখনো রাষ্ট্র, সমাজ ও মানুষ মৌলবাদের মরণ ছোবল থেকে পরিপূর্ণ রক্ষা পাইনি, তারা মাঝে মাঝেই তাদের ক্ষমতা প্রযোগ করছে। বেসিক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ রফিকুল আলম বলেন, মৌলবাদী অপশক্তির বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সকল মানুষকে ঐক্যবদ্ধভবে কাজ করতে হবে। বঙ্গবন্ধু পরিষদের নেতা ডা. শেখ আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীনতা একই সূত্রে গাঁথা। বঙ্গবন্ধুর আজীবনের আন্দোলনের ফসল আজকের বাংলাদেশ। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলদেশ স্বাধীন হওয়ার পরই ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি নিশিদ্ধ হয়ে যায়। বঙ্গবন্ধু হত্যার মাধ্যমে হত্যা, ক্যু ও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে জেনারেল জিয়াউর রহমান রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসে এদেশে আবার ধর্ম ভিক্তিক রাজনীতি করার সুযোগ করে দেন। আর বিএনপি, জামায়েত ইসলামী জঙ্গী ও মৌলবাদের রাজনীতির পৃষ্টপোষকতা করছে। যার ফলে মৌলবাদ মাঝে মাঝেই মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে। পরে করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষার নিমিত্তে গরীব ও দুঃস্থ মানুষদের মাঝে মাস্ক বিতরণ করা হয়।


এই বিভাগের আরো সংবাদ
Translate »
Translate »