বিজ্ঞাপন
মুক্তিকামী জনতার দৈনিক 'মুক্তির লড়াই' পত্রিকার জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে ব্যুরো চীফ, প্রতি জেলা ও উপজেলার একজন করে প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আবেদন করুন। যোগাযোগের ঠিকানাঃ কামরুজ্জামান জনি- সম্পাদক, মুক্তির লড়াই। ইমেইলঃ jobmuktirlorai@gmail.com । ধন্যবাদ ।

‘মানরক্ষা’র জয় বার্সার

Muktir Lorai / ১৩৪ বার ভিউ করা হয়েছে
বাংলাদেশ সময় সোমবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২০

স্পোর্টস ডেস্ক: ঘরের মাঠে আবারও পয়েন্ট হারানোর একেবারে দ্বারপ্রান্তে চলে গিয়েছিল বার্সেলোনা। মাত্র তিনদিন আগে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ঘরের মাঠে রোনালদোর জুভেন্টাসের কাছে বিধ্বস্ত হওয়ার পর বার্সার জন্য জয় ছাড়া কোনো বিকল্প খোলা ছিল না সামনে।

গোলশূন্যভাবে যখন ম্যাচটি শেষ হওয়ার প্রায় শেষ দিকে চলে এসেছিল, তখনই গোল মেসির পা থেকে। ৭৬ মিনিটে করা মেসির সেই গোলেই ‘মানরক্ষা’ হলো বার্সেলোনার। লেভান্তেকে ১-০ গোলে হারিয়ে পূর্ণ পয়েন্ট অর্জন করলো রোনাল্ড কোম্যানের শিষ্যরা।

এই জয়ের ফলে পয়েন্ট টেবিলে আরেকটু এগিয়ে আসলো বার্সা। ১০ নম্বর স্থান থেকে তারা উঠে আসলো আট নম্বরে। ১১ ম্যাচ শেষে বার্সার পয়েন্ট এখন ১৭। ২৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থাকা রিয়াল সোসিয়েদাদ অবশ্য ম্যাচ খেলেছে মোট ১৩টি। ১১ ম্যাচে ২৬ পয়েন্ট নিয়ে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ রয়েছে এরপরই। পয়েন্ট সমান হলেও গোল ব্যবধানে পিছিয়ে অ্যাটলেটিকো। ১২ ম্যাচে ২৩ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে রিয়াল মাদ্রিদ।

সপ্তাহের শুরুতে ক্যাডিজের কাছে হার, এরপর চ্যাম্পিয়ন্স লিগে জুভেন্টাসের কাছে বিধ্বস্ত হওয়া- সব মিলিয়ে সবচেয়ে বাজে একটি সপ্তাহ কাটলো বার্সার। যে কারণে, জয়ে ফিরতে মরিয়া কাতালানরা। কিন্তু ম্যাচ শুরুর পর থেকে ক্রমাগতই হতাশ করছিলেন মেসি অ্যান্ড কোং। গোল মিসের মহড়া, জাল খুঁজে না পাওয়া- সব কিছুই যেন বিপক্ষে যাচ্ছিল বার্সার।

শেষ পর্যন্ত ত্রাণকর্তা হিসেবে হাজির হলেন মেসি। বার্সার জার্সি গায়ে ক্যারিয়ারে ৬৪২তম গোল করলেন তিনি। এই এক গোলেই জয়ের সঙ্গে অনেক সমালোচনার মুখও বন্ধ করে দিলেন মেসিরা।

ম্যাচের প্রথম থেকেই দারুণ প্রভাব বিস্তার করে খেলছিল বার্সেলোনা। কিন্তু লেভান্তের গোলমুখে এসে কেন যেন খেই হারিয়ে ফেলছিল তারা। শেষ পর্যন্ত ৭৬ মিনিটে ফ্রাঙ্কি ডি জংয়ের কাছ থেকে বল পেয়ে বাঁ পায়ের বিখ্যাত শটে লেভান্তের জাল খুঁজে পেলেন মেসি। গোল করার পর শূন্যে ঘুষি ছুঁড়ে দিয়ে বুনো উল্লাস প্রকাশ করলেন মেসি। মনে হলো যেন, বড় ধরনের এক বন্দীদশা থেকে মুক্তি পেয়েছেন তিনি।

তবে ভিএআরের কল্যাণে বার্সা পয়েন্ট হারাতেও পারতো। শেষ মুহূর্তে স্যামুয়েল উমতিতির বিরুদ্ধে হ্যান্ডবলের অভিযোগ উঠেছিল। যদিও ভিএআরের রিভিউতে সেটা প্রমাণিত হয়নি। এছাড়া ম্যাচের শেষ দিকে এসে লেভান্তের সন-এর দুর্দান্ত এক ভলি হাত দিয়ে ঠেকিয়েছিলেন বার্সা গোলরক্ষক মার্ক অ্যান্ডার টের স্টেগান। না হয়, বিপদই ছিল বার্সার জন্য।

ম্যাচ শেষে বার্সা কোচ রোনাল্ড কোম্যান বলেন, ‘কিভাবে ম্যাচটা জিতেছি, সেটা ভাবতে চাই না। সবচেয়ে বড় কথা ম্যাচ জিতেছি। আমরা জানতাম, কর্নার এবং সেট পিসের মুখোমুখি হবো। সেগুলোকে যেভাবেই হোক, আমরা তো ঠেকিয়েছি।’

যদিও ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে করা প্রশ্ন নিয়ে বেশ নাখোশ দেখা যায় কোম্যানকে। এক সাংবাদিক প্রশ্ন তোলেন তার ট্যাকটিস নিয়ে। কোম্যান এটাকে আখ্যায়িত করলেন, তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বলে।


এই বিভাগের আরো সংবাদ
Translate »
Translate »