শিরোনাম
ডেউয়াতলী গ্রামের মরহুম মোঃ কোব্বাদ খান ও মান্নান চৌধুরী পরিবারবর্গকে নিয়ে সফিউল্লা খন্দকারের মানহানিকর বক্তব্যের প্রতিবাদ পলাশ শিল্পাঞ্চল সরকারি কলেজ শিক্ষক ও কর্মচারিদের বিক্ষোভ বাস্তবময় জীবনের বাস্তবতা…অনামিকা চৌধুরী রু লাকসামে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আগুন : প্রায় ৭লাখ টাকার ক্ষতি মুরাদনগরে সাব-রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ের অভ্যন্তরীন প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত পদ্মা সেতু আমাদের জাতিকে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর সুযোগ করে দিয়েছে দীঘিনালায় জেলেদের মাঝে ছাগল বিতরণ গোমস্তাপুরে চাঞ্চল্যকর কুলুলেস ‍‍`মেহেরুল‍‍` হত্যা মামলার আসামি আটক তরুন উদ্যোক্তা নাসিমা জাহান বিনতী’র গ্লোবাল ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড অর্জন পলাশে চাচীর সাথে পরকিয়া করতে গিয়ে প্রেমিকের হাতের কব্জি কর্তন
বিজ্ঞাপন
মুক্তিকামী জনতার দৈনিক 'মুক্তির লড়াই' পত্রিকার জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে ব্যুরো চীফ, প্রতি জেলা ও উপজেলার একজন করে প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আবেদন করুন। যোগাযোগের ঠিকানাঃ কামরুজ্জামান জনি- সম্পাদক, মুক্তির লড়াই। ইমেইলঃ jobmuktirlorai@gmail.com । ধন্যবাদ ।

মুরাদনগরে তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীদের পদমর্যাদা বৃদ্ধির দাবিতে কর্মবিরতি

Muktir Lorai / ৯৯ বার ভিউ করা হয়েছে
বাংলাদেশ সময় সোমবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২০

মাহফুজুর রহমান, মুরাদনগর (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:
কুমিল্লার মুরাদনগরে সারা দেশের মতো কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে পদমর্যাদা বৃদ্ধির দাবিতে পূর্ণদিবস কর্মবিরতি করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা ভূমি অফিসের তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীরা। গুরুত্বপূর্ণ এই দুই অফিসের কর্মচারীরা টানা ১৫দিনের কর্মবিরতির ফলে দিশেহারা হয়ে পরেছে সেবা প্রত্যাশিরা।
জানা যায়, গত ১৫ নভেম্বর থেকে সারা দেশের জেলা প্রশাসক (ডিসি), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা ভূমি অফিসের তৃতীয় শ্রেণির ১২ হাজারের বেশি কর্মচারী পদমর্যাদা বৃদ্ধির দাবিতে পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করছেন। যা আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে।
কর্মবিরতির বিষয়ে উপজেলা ভূমি অফিসের অফিস সহকারি মোঃ হারুন অর-রশিদ বলেন, ১৫-৩০ নভেম্বর পর্যন্ত পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করবো। আমাদের অনেকেই আছে ৩০ বছর চাকরি করে অবসরে গেছেন। অফিস সহকারী হিসেবে কাজ শুরু করেছিলো। সেই পদ থেকেই অবসর নিয়েছে। মন্ত্রণালয়ে কর্মরতরা পদোন্নতি পেলে মাঠ প্রশাসনের স্টাফরা কেন পাবেন না।
সেবা প্রত্যাশি উপজেলার শ্রীকাইল ইউনিয়নের ফরিদ মিয়া বলেন, আমি খুব বিপদে পরে জমি বিক্রি করেছি। কিন্তু খারিজ ছাড়া দলিল দিতে পারতেছি না। ভূমি অফিসে এসেও কাউকে পাচ্ছিনা। খারিজের চিন্তায় এখন আমি দিশেহারা।
আরেক সেবা প্রত্যাশি ছালিয়াকান্দি ইউনিয়নের আবদুল আলিম বলেন, ইউএনও অফিসে গিয়ে কাউকে পাচ্ছি না। পরে শুনলাম তারা নাকি দাবি আদায়ে আন্দোলন করছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার অভিষেক দাশ বলেন, কর্মবিরতির ফলে সেবা প্রত্যাশিতদের পাশাপাশি অফিসেরও কিছু সমস্যা হচ্ছে। যেহেতু দাবি পূরণে স্থানীয়ভাবে কিছু করার সুযোগ নেই। সে কারণে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের দিয়েই অফিসের কাজ চালিয়ে নিতে হচ্ছে।


এই বিভাগের আরো সংবাদ
Translate »
Translate »