শিরোনাম
ডেউয়াতলী গ্রামের মরহুম মোঃ কোব্বাদ খান ও মান্নান চৌধুরী পরিবারবর্গকে নিয়ে সফিউল্লা খন্দকারের মানহানিকর বক্তব্যের প্রতিবাদ পলাশ শিল্পাঞ্চল সরকারি কলেজ শিক্ষক ও কর্মচারিদের বিক্ষোভ বাস্তবময় জীবনের বাস্তবতা…অনামিকা চৌধুরী রু লাকসামে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আগুন : প্রায় ৭লাখ টাকার ক্ষতি মুরাদনগরে সাব-রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ের অভ্যন্তরীন প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত পদ্মা সেতু আমাদের জাতিকে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর সুযোগ করে দিয়েছে দীঘিনালায় জেলেদের মাঝে ছাগল বিতরণ গোমস্তাপুরে চাঞ্চল্যকর কুলুলেস ‍‍`মেহেরুল‍‍` হত্যা মামলার আসামি আটক তরুন উদ্যোক্তা নাসিমা জাহান বিনতী’র গ্লোবাল ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড অর্জন পলাশে চাচীর সাথে পরকিয়া করতে গিয়ে প্রেমিকের হাতের কব্জি কর্তন
বিজ্ঞাপন
মুক্তিকামী জনতার দৈনিক 'মুক্তির লড়াই' পত্রিকার জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে ব্যুরো চীফ, প্রতি জেলা ও উপজেলার একজন করে প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আবেদন করুন। যোগাযোগের ঠিকানাঃ কামরুজ্জামান জনি- সম্পাদক, মুক্তির লড়াই। ইমেইলঃ jobmuktirlorai@gmail.com । ধন্যবাদ ।

যুবলীগ নেতা জহিরকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করিয়েছে বলে পরিবারের অভিযোগ

Muktir Lorai / ৯১ বার ভিউ করা হয়েছে
বাংলাদেশ সময় সোমবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২০

মন্তব্য প্রতিবেদনঃ
রোটা.ওমর ফারুকঃ কুমিল্লার বরুড়ায় পৌরসভার যুবলীগের সাধারন সম্পাদক জিনসার গ্রামের, জহিরুল ইসলাম (৩৪)কে গত ২৬ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে শিলমুড়ী (উঃ) ইউনিয়নের জীবনপুর ঈদগাহ সংলগ্ন হাসেম মার্কেটের সামনে প্রকাশ্য প্রানে মেরে ফেলা হয়েছে। ঘটনার সুত্রে জানা যায়, উক্ত গ্রামের, শিব্বির আহম্মেদ বনাম আবাদ আহম্মেদ এই দুইটি গ্রুপের দীর্ঘদিনের জমি সংক্রান্ত বিরোধে শত্রুতার জের ধরে সংঘর্ষ দাওয়া পালটা দাওয়ায় হয়ে আসছে দাবী করেন নিহতরে মা ও ভাই জোবায়ের হোসেন।
জহিরের মা ও জহিরের ভাই দাবী করেন, জহির খুনের পিছনে শিব্বির ও তাহার ছেলে শাহপরান দায়ী, ওরাই জহিরকে মোবাইলে কল করে পরিকল্পিত ভাবে সেখানে নিয়ে হত্যা করিয়েছে। এবং জহির খুনের দৃষ্টান্তমূলক বিচারের জোর দাবী করে ৪ জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহত জহিরের ভাই জোবায়ের হোসেন।
সাম্প্রতিক জহির খনের সুত্রে এলাকার সাধারণ জনমতে ক্ষোভ প্রকাশসহ জানা যায়, ২৬ নভেম্বর সেই দিন সকাল শিব্বিরের ছেলে শাহপরানের নেতৃত্বে জিনসার গ্রামের কিছু ছেলে জিবনপুর এসে আবাদের সাথে তর্কতর্কিতে জড়িয়ে পড়লে,শিব্বির আহম্মেদ ও তাহার ছেলে শাহ পরান, যুবলীগ লীগ নেতা জহিরকে মোবাইল ফোনে কল করে জীবন পুর আসতে বলে। সেই খবর পেয়ে জহির সাথে সাথে জিবনপুর হাসেম মার্কেটের সামনে এসে সবার উদ্যেশে বলেন যা হয়েছে, আপনারা বারাবারি করবেন না। বিষয় গুলা নিয়ে আমরা বসবো কথা বলবো কোন প্রকার সমস্যা হবে না। তাহার এমন প্রস্তাব প্রত্যাখান করে আবাদ গ্রুপের পক্ষ হতে জহিরের উপর অতর্কিত হামলা ও বেধরক ভাবে রক্তাক্ত জখমসহ জহিরকে ঘটনাস্থলে মেরে ফেলে সন্ত্রাসীরা চলে যায়।
এসব ঘটনার জন্য মুলত কে দায়ী, পূর্ব সুত্রে আমাদের তথ্যবিত্তিক- গত ২৫ এপ্রিল ২০১৯ ইং দৈনিক ভোরের ডাক, দৈনিক মানব জমিন.দৈনিক রুপুসী বাংলা পত্রিকায় এবং বেশ কিছু স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশ হয়ে ছিল শিব্বির আহম্মেদ তাহার বোনকে এবং বৃদ্ধা মাকে ঘর থেকে বাহির করে দিয়েছে।এবং সেই খানেও শিব্বিরের বোনের পক্ষে আবাদ ও তাহার ছেলেরা এগিয়ে এসে কথা বলায় শিব্বির ও তাহার ছেলেদের সাথে তুমুল সাংঘর্ষিক ভাবে মারামারি হয়ে আহত হয়েছিল উভয় পক্ষের।
তাছাড়াও এলাকায় শিব্বিরের ছেলে সাদ্দাম হোসেন মাদক দ্রব্য ইয়াবা বিক্রিসহ বিভিন্ন কুকর্মের সাথে জড়িত আছে বলে তাহার দাদি অভিযোগ তুলেছিলেন। একাদিক বার শিব্বিরের বাড়িতে আইন শৃঙখলা বাহিনীর র‍্যাব ও ডিবি অভিযান হয়েছিল। তাহার ছেলে সাদ্দামের নামে এখনো একটি মাদক মামলা চলমান। এলাকার সাধারণ জনগনের দাবী এই ধরনের অত্যাচার ও অতিষ্ট থেকে সবাই মুক্তি পেতে চায়।


এই বিভাগের আরো সংবাদ
Translate »
Translate »