বিজ্ঞাপন
মুক্তিকামী জনতার দৈনিক 'মুক্তির লড়াই' পত্রিকার জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে ব্যুরো চীফ, প্রতি জেলা ও উপজেলার একজন করে প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আবেদন করুন। যোগাযোগের ঠিকানাঃ কামরুজ্জামান জনি- সম্পাদক, মুক্তির লড়াই। ইমেইলঃ jobmuktirlorai@gmail.com । ধন্যবাদ ।

সিরাজগঞ্জে মৃত্যুর ২ মাস পর কবর থেকে ব্যবসায়ীর লাশ উত্তোলন

Muktir Lorai / ১৪১ বার ভিউ করা হয়েছে
বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার, ৩ আগস্ট, ২০২১

মোঃ শাহাদত হোসেন, সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে মৃত্যুর ১ মাস ২৫ দিন পর মঙ্গলবার (৩ আগস্ট) বাবলু মিয়া নামের এক ব্যবসায়ীর লাশ উত্তোলন করা হয়েছে।বাবলু মিয়া পোরজনা ইউনিয়নের হরিনাথপুর গ্রামের আব্দুস ছাত্তার মোল্লার ছেলে। সরেজমিনে উপজেলার পোরজনা ইউনিয়নের বড়-মহারাজপুর কবরস্থানে দিয়ে দেখা যায়, উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ মোঃ শামসুজ্জোহা’র উপস্থিতিতে লাশ উপত্তোলন করা হচ্ছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট আবু বকর সিদ্দিক, শাহজাদপুর থানার পরিদর্শক (অপারেশন এন্ড কমিউনিটি পুলিশিং) আব্দুল মজিদ, সহকারী উপ-পরিদর্শক বিপ্লব হোসেন, পোরজনা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বাবু, ইউপি সদস্য হাশেম আলী, স্থানীয় সাংবাদিকসহ থানা পুলি্শের বেশকিছু সদস্য। বড় মহারাজপুর কবরস্থানে প্রচুর স্থানীয় উৎসুক মানুষ লাশ উত্তোলন করা দেখতে ভীড় করে। বেলা ১১ থেকে লাশ উত্তোলন কাজ শুরু হয়ে দুপুর ১টায় সমাপ্ত হয়। মৃত বাবলু মিয়ার ভাই আবুল হোসন জানান, কাপড় ব্যবসায়ী বাবলুর সাথে প্রায় ১৫ বছর পূর্বে জামিরতা ঠাকুরপাড়ার আবুল হোসেনের মেয়ে রেখা খাতুনের সাথে বিয়ে হয়। বাবলু স্ত্রী রেখা খাতুন ও দুই মেয়ে তামান্না (১০) ও তামিমা (০৯) কে নিয়ে দির্ঘদিন যাবৎ শাহজাদপুর পৌর শহরের রুপপুর দক্ষিণপাড়ায় জনৈক ইয়াছিনের বাড়ির ৩য় তলায় ভাড়াটে হিসেবে বসবাস করতো। ৯ জুন রাত আনুমানিক দেড়টায় বাবলুর স্ত্রী জানায় বাবলু অসুস্থ্য হয়ে গেছে। আমরা তার বাসায় গিয়ে দেখি বাবলু মারা গেছে। পরদিন ১০ জুন বড়-মহারাজপুর ঈদগাহ মাঠে জানাযা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। শাহজাদপুর থানার পরিদর্শক (অপারেশন এন্ড কমিউনিটি পুলিশিং) আব্দুল মজিদ জানান, বাবলু মিয়ার মৃত্যুর বিষয়ে তার বড়ভাই আবুল হোসেন গত ১৯ জুলাই বাবলুর স্ত্রী ও শশুরবাড়ির অন্যান্য সদস্যসহ মোট ৭ জনকে আসামি করে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় তিনি উল্লেখ করেন যে তার ছোটভাই বাবলুর মৃত্যু স্বাভাবিক ছিলনা। তাই বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে বাবলু মিয়ার লাশ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের জন্য সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেলে বাবলু মিয়ার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। জামিরতার ঠাকুরপাড়ায় রেখা খাতুনের বাবার বাড়িতে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি, দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করেও করো সাক্ষাত মেলেনি


এই বিভাগের আরো সংবাদ
Translate »
Translate »