শিরোনাম
ডেউয়াতলী গ্রামের মরহুম মোঃ কোব্বাদ খান ও মান্নান চৌধুরী পরিবারবর্গকে নিয়ে সফিউল্লা খন্দকারের মানহানিকর বক্তব্যের প্রতিবাদ পলাশ শিল্পাঞ্চল সরকারি কলেজ শিক্ষক ও কর্মচারিদের বিক্ষোভ বাস্তবময় জীবনের বাস্তবতা…অনামিকা চৌধুরী রু লাকসামে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আগুন : প্রায় ৭লাখ টাকার ক্ষতি মুরাদনগরে সাব-রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ের অভ্যন্তরীন প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত পদ্মা সেতু আমাদের জাতিকে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর সুযোগ করে দিয়েছে দীঘিনালায় জেলেদের মাঝে ছাগল বিতরণ গোমস্তাপুরে চাঞ্চল্যকর কুলুলেস ‍‍`মেহেরুল‍‍` হত্যা মামলার আসামি আটক তরুন উদ্যোক্তা নাসিমা জাহান বিনতী’র গ্লোবাল ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড অর্জন পলাশে চাচীর সাথে পরকিয়া করতে গিয়ে প্রেমিকের হাতের কব্জি কর্তন
বিজ্ঞাপন
মুক্তিকামী জনতার দৈনিক 'মুক্তির লড়াই' পত্রিকার জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে ব্যুরো চীফ, প্রতি জেলা ও উপজেলার একজন করে প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আবেদন করুন। যোগাযোগের ঠিকানাঃ কামরুজ্জামান জনি- সম্পাদক, মুক্তির লড়াই। ইমেইলঃ jobmuktirlorai@gmail.com । ধন্যবাদ ।

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাংচুর এবং তাঁর ভাস্কর্য নির্মাণে বাধা দেওয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও সমাবেশ

Muktir Lorai / ১২০ বার ভিউ করা হয়েছে
বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২০

আজ সকালে বঙ্গবন্ধু পরিষদের উদ্যোগে কুষ্টিয়া শহরের ৫ রাস্তার মোড়ে স্থাপিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য ভাংচুর এবং বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণের বাধা প্রদানের প্রতিবাদে এক বিক্ষোভ ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় বিডিবিএল প্রধান কার্যালয় ভবন, ৮ রাজউক এভিনিউ, মতিঝিল, ঢাকায়।

উক্ত বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- মুক্তিযুদ্ধের কিংবদন্তি ও বঙ্গবন্ধু পরিষদের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য মাহবুব উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম, বঙ্গবন্ধু পরিষদ পরিচালনা পর্ষদের সদস্য, ডা: শেখ আব্দুল্লাহ আল মামুন, বিশিষ্ট কবি ও ছড়াকার এবং বঙ্গবন্ধু পরিষদ পরিচালনা পর্ষদের সদস্য আব্দুল মতিন ভূঁইয়া, ডঃ লিয়াকত হোসেন মোড়ল, খন্দকার নজরুল ইমলাম, এম এম লুৎফুর রহমান, জালাল উদ্দিন আহমেদ তুহিন। এছাড়াও বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস ছাত্তার, মোঃ নাসির উদ্দিন, অগ্রণী ব্যাংক বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি মোঃ মোবারক হোসেন, বিডিবিএল ব্যাংক বঙ্গবন্ধু পরিষদ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী এস এম সিরাজুল ইসলাম, মোঃ নূর উদ্দিন চৌধুরী প্রমুখ। বঙ্গবন্ধু পরিচালনা পরিষদ সদস্য মতিউর রহমান লাল্টুর সঞ্চালনায় ডা: শেখ আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, উগ্র ধর্মান্ধ ও সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী এবং স্বাধীনাতার পরাজিত শক্তির ইন্ধনে ও সরাসরি পৃষ্ঠপোষকতায়-কুষ্টিয়াতে জাতির পিতার ভাস্কর্য রাতের অন্ধকারে ভাংচুর ও বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণে বাধা সৃষ্টির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। তিনি অবিলম্বে দোষীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তি দাবি করেণ। দেশের বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবীগণ ও বঙ্গবন্ধু পরিষদের কেন্দ্রীয় ও মহানগর কমিটি এবং বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নেতৃবৃন্দ। এছাড়াও বঙ্গবন্ধু পরিষদের উদ্যোগে বৈশ্বিক মহামারী করোনার ছোবল থেকে জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষা, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং গরীব-দুস্থদের মাঝে মাস্ক বিতরণ করা হবে। আব্দুল মতিন ভূঁইয়া বলেন, বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ সমার্থক শব্দ। বঙ্গবন্ধুর সারাজীবনের আন্দোলনের ফসল আজকের বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে এদেশ আমরা পেয়েছি। সেই স্বাধীন দেশে বিজয় এর মাসে স্বাধীনতাবিরোধী, উগ্র মৌলবাদী গোষ্ঠীর মদদে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাংচুর ও নির্মাণে বাধা দেওয়ার ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি দোষীদের শাস্তি দাবী করেন ও সরকারকে উগ্র-মৌলবাদী গোষ্ঠীর আস্ফালন কঠোর হস্তে দমন করার আহবান জানান। এই মৌলবাদী শক্তি মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত এই দেশে যাতে দেশরিরোধী কোন ষড়যন্ত্র ও অপকর্ম করতে না পারে সেই দিকে দৃষ্টি রাখতে হবে। ডঃ লিয়াকত হোসেন মোড়ল বলেন, স্বাধীনতা বিরোধী, মৌলবাদী অপশক্তির অপকর্ম মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে মোকাবিলা করতে হবে। বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতার অবমাননা করা সত্যিই দুঃখ জনক। বঙ্গবন্ধুর স্থান সবার উপরে। তাঁকে নিয়ে বির্তক সৃষ্টি বা অশ্রদ্ধা করা সহ্য করা হবে না। সভাপতির বক্তব্যে মাহবুব উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম বলেন, বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দীর্ঘ ২৩ বছর আন্দোলন-সংগ্রাম করে বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছেন। তিনিই একমাত্র নেতা, যিনি জাতীয়তাবাদী চেতনার ম্যাধমে জাতিরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছেন। তিনি জাতির অবিসংবাদিত নেতা। তাঁর নিয়ে কোন বির্তক বা সমালোচনা হতে পারে না। আজকের উগ্র-সাম্প্রদায়িক শক্তির উত্থানে বিএনপি-জামায়াত ইসলামীর ইন্ধন রয়েছে। তারাই রাষ্ট্রীয়ভাবে এই অপশক্তির শক্তি যোগাচ্ছে। তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, উগ্রবাদী-মৌলবাদী শক্তি এখনও বাংলাদেশকে মেনে নিতে কুষ্ঠাবোধ করে। এই শক্তি দেশের সংবিধান মানে না। পবিত্র ইসলাম ধর্মের অপব্যাখ্যাদিয়ে তারা এদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে চায়। পৃথিবীর অনেক দেশে এবং মুসলীম প্রধান দেশেগুলোতেও সেই দেশের প্রতিষ্ঠাতার ভাস্কর্য প্রতিষ্ঠার নিদর্শন রয়েছে। আসলে মৌলবাদী শক্তির ইচ্ছা দেশে অশান্তি সৃষ্টি করে সরকারের পতন ঘটানো এবং চলমান উন্নয়ন তৎপরতাকে বাধাগ্রস্থ করা। মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির ঐক্যের মাধ্যমে আমরা মৌলবাদী শক্তির বিষদাঁত ভেঙ্গে দিতে পারি। পরে মতিঝিল পাড়ায় দরিদ্র মানুষের মাঝে মাস্ক বিতরণ করা হয়। বিক্ষোভ সমাবেশে বঙ্গবন্ধু পরিষদ বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বেসিক ব্যাংক বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি শংকর তালুকদার, রূপালী ব্যাংক বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি সুজাত আলী জাকারিয়া, সাধারণ সম্পাদক আল্লামা ইকবাল রানা, বিডিবিএল শাখার উপদেষ্টা ও জিএম প্রতিক চন্দ্র বারিক, মোঃ শফিকুল ইসলাম, জনতা ব্যাংক নেতা শাহীন সেরনিয়াবাত, হাবিবুর রহমান খোকন সাধারণ সম্পাদক বঙ্গবন্ধু পরিষদ ডেমরা থানা শাখা, মোঃ শহিদুল্লাহ সভাপতি বঙ্গবন্ধু পরিষদ বিমা কমিটি ও কলাবাগান থানা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি এস এম ওয়াহিদুজ্জামান (মিন্টু) বক্তব্য রাখেন।


এই বিভাগের আরো সংবাদ
Translate »
Translate »