বিজ্ঞাপন
মুক্তিকামী জনতার দৈনিক 'মুক্তির লড়াই' পত্রিকার জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে ব্যুরো চীফ, প্রতি জেলা ও উপজেলার একজন করে প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আবেদন করুন। যোগাযোগের ঠিকানাঃ কামরুজ্জামান জনি- সম্পাদক, মুক্তির লড়াই। ইমেইলঃ jobmuktirlorai@gmail.com । ধন্যবাদ ।

বানেশ্বর-ঈশ্বরদী নির্মাণাধীন সড়কে ব্যাক্তি মালিকানা জমি জোরপূর্বক ব্যাবহারের অভিযোগ

Muktir Lorai / ২২৪ বার ভিউ করা হয়েছে
বাংলাদেশ সময় বুধবার, ৪ আগস্ট, ২০২১

আবুল হাশেম, রাজশাহী ব‍্যুরোঃ রাজশাহীর বানেশ্বর থেকে পাবনার ঈশ্বরদী মহাসড়কের উন্নয়ন কাজ চলমান। আর এ রাস্তা বৃদ্ধিতে বাঁধা গ্রস্থ হচ্ছে প্রায়সই। একনেকে অনুমদিত এই রাস্তার কাজে ব্যাক্তিগত জমি জোরপূর্বক নেওয়া হচ্ছে এমন অভিযোগ উঠেছে। রাজশাহীর বাঘা উপজেলার চন্ডিপুর বাজার এলাকার প্রায় ১৫-২০ জন ব্যাক্তি এ অভিযোগ করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাঘা উপজেলার চন্ডিপুর বাজার দুটি মৌজায় বিভক্ত। বাজারের পূর্বদিকে বড় ছয়ঘটি মৌজা আর পশ্চিম দিকে চন্ডীপুর মৌজা। বড় ছয়ঘটি মৌজায় রাস্তার পাশে সরকারী জমির উপর রয়েছে স্থাপনা। এই স্থাপনা ঠিক রেখে পশ্চিম পাশের চন্ডিপুর মৌজার ব্যাক্তি মালিকানাধীন জমি নেওয়া হচ্ছে রাস্তায়। এ নিয়ে এলাকাজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। চন্ডিপুর পুলিশ ফাঁড়ির সংলগ্ন রাস্তার উত্তর পার্শ্বে শারিরীক প্রতিবন্ধী সুফিয়ার বাড়ি,সেটিও ভাঙ্গা হয়েছে রাস্তার কাজে। এছাড়াও খাজু মন্ডল,মহিম মন্ডল,খায়রুল ইসলাম(মাস্টার),
সমির উদ্দিন,রয়েজ আলী,আব্দুল খালেক, আজিজ মন্ডল,রিপন খান,সাবান আলী,বাপ্পি খান,খালেক সহ আরও অনেকের মালিকানাধীন জমি রাস্তায় নেওয়া হয়েছে বলে তাদের অভিযোগ।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চন্ডিপুর মৌজার ব্যাক্তি মালিকানাধীন জমি গুলোর মালিকরা তাদের ব্যাক্তিগত জমিতে লাল নিশান ও বিভিন্ন রকমের সীমানা পিলার দিয়ে তাদের জমির সীমানা নির্ধারণ করে রেখেছেন।

শারিরীক প্রতিবন্ধী সুফিয়া বলেন,আমি একজন প্রবতিবন্ধী ঠিক মত হাঠতে পারিনা। আমরা খুব গরিব মানুষ অনেক কষ্টে ২কাঠা জমি কিনে কোন মতে বাড়ি করে আছি। কিন্তুু শেষ সম্বল টুকু আজ সরকারী রাস্তার দখলে চলে যাচ্ছে।

খায়রুল ইসলাম(মাস্টার),রয়েজ আলী,আব্দুল খালেক, আজিজ মন্ডল,রিপন খান,সাবান আলী, মিজান আলী বলেন,সরকারী যায়গা ৫৮ ফিট থাকা সত্ত্বেও আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে নেওয়া হচ্ছে।

এ ব্যাপারে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স ডন এন্টারপ্রাইজ এর সুপারভাইজার সেকেন্দার আলী বলেন,সকলের সম্মতিতে রাস্তার কাজ চলছে। কারো কোনো ব্যাক্তিগত জমি বিনা অনুমতিতে নেওয়া হচ্ছে না।

ডন এন্টারপ্রাইজ এর ম্যানেজার মনসুর রহমান বলেন, বাঘা উপজেলার আটঘরিয়া হতে পূর্ব দিকে শেষ সীমানা তিনখুটি পর্যন্ত ৯ কিলোমিটার রাস্তার কাজ করছি। কারও মালিকানা জমি দখলকরে রাস্তার কাজ আমরা করছি না।যদি কোন মানুষের অভিযোগ থাকে তাহলে সংশিষ্ট প্রজেক্ট অফিসে অভিযোগ করলে তা দেখা হবে।

সড়ক ও জনপদ এর সাব ডিভিশনাল অফিসার আসিফ আহমেদ বলেন, কোন ব্যক্তি মালিকানা জমি রাস্তায় ব্যবহার করা যাবে না

বাঘা উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) মনিরুজ্জামান বলেন, সরকারী সড়কের কাজে সড়ক ও জনপদের একজন ইন্জিনিয়ার রয়েছেন দেখভাল করার জন্য। মালিকানা জমি দখল করে রাস্তা হচ্ছে এমন কোন লিখিত অভিযোগ আমার কাছে আসেনি।
কারও জমি দখল নিযে অভিযোগ থাকলে প্রয়োজন হলে সরাসরী আমাকে (এসিল্যান্ড) অথবা ডিসি স্যার কেও লিখিত জানাতে পারবেন।


এই বিভাগের আরো সংবাদ
Translate »
Translate »