ঢাকা ০৫:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ২৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

অস্ট্রেলিয়া এক-চীন নীতি মেনে চলে; প্রধানমন্ত্রী আনথোনি আলবেনিজ

  • স্বর্ণা:
  • আপডেট সময় ০৯:২৪:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪
  • ৩১ বার পড়া হয়েছে

১৮ই জুন অস্ট্রেলিয়া সময় সোমবার সকালে, প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াং ক্যানবেরার পার্লামেন্ট ভবনে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনথোনি আলবানিজের সঙ্গে চীন ও অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীদ্বয়ের নবম বার্ষিক বৈঠক আয়োজন করেন।

লি ছিয়াং বলেন যে, এ বছর চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের অস্ট্রেলিয়া সফর এবং চীন ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে সার্বিক কৌশলগত অংশীদারি সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার দশম বার্ষিকী। বিগত ১০ বছরে চীন-অস্ট্রেলিয়া সম্পর্কের উন্নয়ন প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করলে, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা ও অনুপ্রেরণা হলো পারস্পরিক সম্মানের উপর জোর দেওয়া, অমিল পাশে রেখে মিল খোঁজা এবং কল্যাণকর সহযোগিতা।

লি ছিয়াং উল্লেখ করেন যে, চীন-অস্ট্রেলিয়া সম্পর্কের অপরিহার্য বৈশিষ্ট্য হলো পারস্পরিক সুবিধা এবং জয়-জয় ফলাফল এবং চীন ও অস্ট্রেলিয়ার উন্নয়ন একে অপরের প্রতি চ্যালেঞ্জের পরিবর্তে সুযোগ। চীন অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে একটি সার্বিক কৌশলগত অংশীদারি অবস্থান মেনে চলতে ইচ্ছুক, চীন-অস্ট্রেলিয়া কৌশলগত অর্থনৈতিক সংলাপের মতো প্রক্রিয়াগুলির ভাল ব্যবহার করতে, ক্রমাগত বাণিজ্যের স্কেল প্রসারিত করতে, নতুন শক্তির যানবাহনে সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা প্রসারিত করতে, পরিচ্ছন্ন নবায়নযোগ্য জ্বালানিশক্তি উৎপাদন করতে ইচ্ছুক। অস্ট্রেলিয়া চীনা উদ্যোগের জন্য একটি ন্যায্য, ন্যায়সঙ্গত এবং বৈষম্যহীন ব্যবসার পরিবেশ দেবে এবং উভয় পক্ষের মধ্যে কর্মী বিনিময়ে আরও সুবিধা দেবে বলে আশা করে চীন।

আনথোনি আলবেনিজ বলেন, অস্ট্রেলিয়া খুব খুশি যে অস্ট্রেলিয়া-চীন সম্পর্ক এখন স্থিতিশীল রয়েছে ও উন্নত হচ্ছে। অস্ট্রেলিয়া এক-চীন নীতি মেনে চলে এবং “তাইওয়ানের স্বাধীনতায়” সমর্থন করে না। অস্ট্রেলিয়া চীনের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধিকে সমর্থন দেয় এবং বিশ্বের দারিদ্র্য নিরসনে চীনের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের প্রশংসা করে।

দুই প্রধানমন্ত্রী চীন-অস্ট্রেলিয়া সার্বিক কৌশলগত অংশীদারিত্বের অবস্থান মেনে চলতে, চীন-অস্ট্রেলিয়া সম্পর্কের উন্নয়ন ও বিকাশের গতি সুসংহত করতে এবং আঞ্চলিক ও বিশ্ব শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি যৌথভাবে রক্ষা করতে সম্মত হয়েছেন। উভয় পক্ষ ঘোষণা করেছে যে, তারা এ বছর অস্ট্রেলিয়ায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সহযোগিতা সংক্রান্ত দশম চীন-অস্ট্রেলিয়া যৌথ কমিটির বৈঠক, অষ্টম চীন-অস্ট্রেলিয়া উচ্চ-স্তরের সংলাপ এবং অষ্টম চীন-অস্ট্রেলিয়া মন্ত্রী পর্যায়ের সংলাপ অস্ট্রেলিয়ায় আয়োজন করবে। চীন অস্ট্রেলিয়াকে একতরফা ভিসা-মুক্ত দেশের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করবে এবং উভয় পক্ষ একে অপরের পর্যটন, ব্যবসায়িক এবং পারিবারিক পরিদর্শন কর্মীদের তিন থেকে পাঁচ বছরের জন্য একাধিক-প্রবেশ ভিসা ইস্যু করতে সম্মত হয়।

উভয় পক্ষ অভিন্ন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক ইস্যুতেও মতবিনিময় করেছে।

বৈঠকের পর, দুই প্রধানমন্ত্রী যৌথভাবে কৌশলগত অর্থনৈতিক সংলাপ, অবাধ বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়ন, জলবায়ু পরিবর্তনের মোকাবিলা, শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার নথি স্বাক্ষর প্রত্যক্ষ করেন এবং যৌথভাবে সাংবাদিকদের সাথে দেখা করেন। উভয় পক্ষ “চীনা ও অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীদের মধ্যে বার্ষিক বৈঠকের যৌথ ফলাফল বিবৃতি” জারি করেছে।

বৈঠকের আগে, লি ছিয়াং আলবানিজদের সাথে ছোট আকারের আলোচনাও করেন। সূত্র: স্বর্ণা, চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

নওগাঁ-নাটোর আঞ্চলিক মহাসড়ক নির্মাণ কাজের নানান অনিয়মের অভিযোগ

অস্ট্রেলিয়া এক-চীন নীতি মেনে চলে; প্রধানমন্ত্রী আনথোনি আলবেনিজ

আপডেট সময় ০৯:২৪:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪

১৮ই জুন অস্ট্রেলিয়া সময় সোমবার সকালে, প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াং ক্যানবেরার পার্লামেন্ট ভবনে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনথোনি আলবানিজের সঙ্গে চীন ও অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীদ্বয়ের নবম বার্ষিক বৈঠক আয়োজন করেন।

লি ছিয়াং বলেন যে, এ বছর চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের অস্ট্রেলিয়া সফর এবং চীন ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে সার্বিক কৌশলগত অংশীদারি সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার দশম বার্ষিকী। বিগত ১০ বছরে চীন-অস্ট্রেলিয়া সম্পর্কের উন্নয়ন প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করলে, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা ও অনুপ্রেরণা হলো পারস্পরিক সম্মানের উপর জোর দেওয়া, অমিল পাশে রেখে মিল খোঁজা এবং কল্যাণকর সহযোগিতা।

লি ছিয়াং উল্লেখ করেন যে, চীন-অস্ট্রেলিয়া সম্পর্কের অপরিহার্য বৈশিষ্ট্য হলো পারস্পরিক সুবিধা এবং জয়-জয় ফলাফল এবং চীন ও অস্ট্রেলিয়ার উন্নয়ন একে অপরের প্রতি চ্যালেঞ্জের পরিবর্তে সুযোগ। চীন অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে একটি সার্বিক কৌশলগত অংশীদারি অবস্থান মেনে চলতে ইচ্ছুক, চীন-অস্ট্রেলিয়া কৌশলগত অর্থনৈতিক সংলাপের মতো প্রক্রিয়াগুলির ভাল ব্যবহার করতে, ক্রমাগত বাণিজ্যের স্কেল প্রসারিত করতে, নতুন শক্তির যানবাহনে সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা প্রসারিত করতে, পরিচ্ছন্ন নবায়নযোগ্য জ্বালানিশক্তি উৎপাদন করতে ইচ্ছুক। অস্ট্রেলিয়া চীনা উদ্যোগের জন্য একটি ন্যায্য, ন্যায়সঙ্গত এবং বৈষম্যহীন ব্যবসার পরিবেশ দেবে এবং উভয় পক্ষের মধ্যে কর্মী বিনিময়ে আরও সুবিধা দেবে বলে আশা করে চীন।

আনথোনি আলবেনিজ বলেন, অস্ট্রেলিয়া খুব খুশি যে অস্ট্রেলিয়া-চীন সম্পর্ক এখন স্থিতিশীল রয়েছে ও উন্নত হচ্ছে। অস্ট্রেলিয়া এক-চীন নীতি মেনে চলে এবং “তাইওয়ানের স্বাধীনতায়” সমর্থন করে না। অস্ট্রেলিয়া চীনের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধিকে সমর্থন দেয় এবং বিশ্বের দারিদ্র্য নিরসনে চীনের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের প্রশংসা করে।

দুই প্রধানমন্ত্রী চীন-অস্ট্রেলিয়া সার্বিক কৌশলগত অংশীদারিত্বের অবস্থান মেনে চলতে, চীন-অস্ট্রেলিয়া সম্পর্কের উন্নয়ন ও বিকাশের গতি সুসংহত করতে এবং আঞ্চলিক ও বিশ্ব শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি যৌথভাবে রক্ষা করতে সম্মত হয়েছেন। উভয় পক্ষ ঘোষণা করেছে যে, তারা এ বছর অস্ট্রেলিয়ায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সহযোগিতা সংক্রান্ত দশম চীন-অস্ট্রেলিয়া যৌথ কমিটির বৈঠক, অষ্টম চীন-অস্ট্রেলিয়া উচ্চ-স্তরের সংলাপ এবং অষ্টম চীন-অস্ট্রেলিয়া মন্ত্রী পর্যায়ের সংলাপ অস্ট্রেলিয়ায় আয়োজন করবে। চীন অস্ট্রেলিয়াকে একতরফা ভিসা-মুক্ত দেশের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করবে এবং উভয় পক্ষ একে অপরের পর্যটন, ব্যবসায়িক এবং পারিবারিক পরিদর্শন কর্মীদের তিন থেকে পাঁচ বছরের জন্য একাধিক-প্রবেশ ভিসা ইস্যু করতে সম্মত হয়।

উভয় পক্ষ অভিন্ন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক ইস্যুতেও মতবিনিময় করেছে।

বৈঠকের পর, দুই প্রধানমন্ত্রী যৌথভাবে কৌশলগত অর্থনৈতিক সংলাপ, অবাধ বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়ন, জলবায়ু পরিবর্তনের মোকাবিলা, শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার নথি স্বাক্ষর প্রত্যক্ষ করেন এবং যৌথভাবে সাংবাদিকদের সাথে দেখা করেন। উভয় পক্ষ “চীনা ও অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীদের মধ্যে বার্ষিক বৈঠকের যৌথ ফলাফল বিবৃতি” জারি করেছে।

বৈঠকের আগে, লি ছিয়াং আলবানিজদের সাথে ছোট আকারের আলোচনাও করেন। সূত্র: স্বর্ণা, চায়না মিডিয়া গ্রুপ।