ঢাকা ১০:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০২৪, ৪ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুমিল্লা- সিলেট মহাসড়ক অবরুদ্ধ করে রেখেছে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা Logo ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা’র সহধর্মীনি এডভোকেট সিগমা হুদার ইন্তেকাল Logo আমতলীতে ২য় শ্রেণির মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষণ, ধর্ষক আটক Logo বাঘাইছড়িতে ছাত্রলীগের প্রতিবাদ মিছিল Logo সরাইলে কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীদের সাথে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ Logo ভাঙ্গায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-৩ আহত ৪০ Logo রূপসায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন Logo শিক্ষার্থীদের উপর হামলার প্রতিবাদে মুরাদনগরে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ Logo সদরপুরে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সাথে পুলিশের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া Logo যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাসিম এর মুত‍্যু বার্ষিকী পালিত

আক্কাস মিয়ার চায়ের দোকান

এক চিলতে খালের পাশেই
অনেক পুরনো একটা তেঁতুল গাছ
কালের সাক্ষী হয়ে আজো দাঁড়িয়ে আছে,
ক্লান্ত পথিক, কাঠ ফাটা রোদে মাঠের মুজুর আর মমতাজ মিয়ার মতো শেষ বয়সী রিক্সা ওয়ালারা তার ছায়ায় বসে প্রতিদিন বিশ্রাম নেয়,
তারই গা ঘেসে আক্কাসের চা দোকান
অভাবী সংসারের একমাত্র অবলম্বন।

সুপারি গাছ দিয়ে নিপুন হাতে বানানো বসার জায়গাটা সত্যিই বড়ো পরিপাটি ও আরামদায়কই নয়
বরং
অজপাড়াগাঁয়ের ঐতিহ্যের উত্তরাধিকার ও বটে,
সকাল সন্ধ্যা বলে কোনো কথা নেই
রাতবিরাতে ঝড় বৃষ্টিতে আক্কাসের উনুনে চায়ের কেটলি গরম থাকবেই,
আর কোথাও চা না মিললেও এখানে বিমুখ হওয়ার কোনো কারণ নেই,
ভেঁপসা গরমে চাঁদি রাতে গল্পের আসর জমে গল্প হয় দেশ ভাগ, নোয়াখালীর রায়ট, ভাষা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণআন্দোলন, আরো কতোকি নিয়ে।

আক্কাস মিয়ার চায়ের দোকান অনেকটা মধুর কেন্টিনের মতো
আলাপচারিতা আর গল্পে উদয়াস্ত প্রাণবন্ত হয়ে থাকে,
আক্কাসের চায়ের দোকান
সে এক জীবন্ত পাঠশালা,
নিয়মকানুনের বালাই নেই
লুঙ্গির কাঁচায় কিংবা গামছায় কয়েকটা টাকা গুঁজে নিয়ে সব বয়সি পড়ুয়ারা চলে আসে প্রতিদিন,
গল্প করে, রাজনীতি করে আরো কতোকি,
এই সব পাঠ নিয়ে মেতে থাকে
এই নিয়মের ব্যত্যয় হতে দেখিনি কোনোদিন।

(আগরতলা ০৯/০৩/২৩)

আপলোডকারীর তথ্য

কুমিল্লা- সিলেট মহাসড়ক অবরুদ্ধ করে রেখেছে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা

আক্কাস মিয়ার চায়ের দোকান

আপডেট সময় ০৫:৫১:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ মার্চ ২০২৩

এক চিলতে খালের পাশেই
অনেক পুরনো একটা তেঁতুল গাছ
কালের সাক্ষী হয়ে আজো দাঁড়িয়ে আছে,
ক্লান্ত পথিক, কাঠ ফাটা রোদে মাঠের মুজুর আর মমতাজ মিয়ার মতো শেষ বয়সী রিক্সা ওয়ালারা তার ছায়ায় বসে প্রতিদিন বিশ্রাম নেয়,
তারই গা ঘেসে আক্কাসের চা দোকান
অভাবী সংসারের একমাত্র অবলম্বন।

সুপারি গাছ দিয়ে নিপুন হাতে বানানো বসার জায়গাটা সত্যিই বড়ো পরিপাটি ও আরামদায়কই নয়
বরং
অজপাড়াগাঁয়ের ঐতিহ্যের উত্তরাধিকার ও বটে,
সকাল সন্ধ্যা বলে কোনো কথা নেই
রাতবিরাতে ঝড় বৃষ্টিতে আক্কাসের উনুনে চায়ের কেটলি গরম থাকবেই,
আর কোথাও চা না মিললেও এখানে বিমুখ হওয়ার কোনো কারণ নেই,
ভেঁপসা গরমে চাঁদি রাতে গল্পের আসর জমে গল্প হয় দেশ ভাগ, নোয়াখালীর রায়ট, ভাষা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণআন্দোলন, আরো কতোকি নিয়ে।

আক্কাস মিয়ার চায়ের দোকান অনেকটা মধুর কেন্টিনের মতো
আলাপচারিতা আর গল্পে উদয়াস্ত প্রাণবন্ত হয়ে থাকে,
আক্কাসের চায়ের দোকান
সে এক জীবন্ত পাঠশালা,
নিয়মকানুনের বালাই নেই
লুঙ্গির কাঁচায় কিংবা গামছায় কয়েকটা টাকা গুঁজে নিয়ে সব বয়সি পড়ুয়ারা চলে আসে প্রতিদিন,
গল্প করে, রাজনীতি করে আরো কতোকি,
এই সব পাঠ নিয়ে মেতে থাকে
এই নিয়মের ব্যত্যয় হতে দেখিনি কোনোদিন।

(আগরতলা ০৯/০৩/২৩)