• শুক্রবার, ৩০ জুলাই ২০২১, ০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন
  • Arabic Arabic Bengali Bengali English English
শিরোনাম
হেলেনা জাহাঙ্গীরকে আটক করেছে র‌্যাব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চলমান ছুটি বাড়লো ৩১ আগষ্ট পর্যন্ত হেলেনা জাহাঙ্গীরের বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার নবীগঞ্জে বিধিনিষেধ অমান্য করায় জরিমানা পবায় প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় পরিবারের মাঝে ঢেউটিন বিতরণ সরাইলে নমুনা দেয়ার আগেই ঢলে পড়লেন মৃত্যুর কোলে শনিবার থেকে নিবন্ধনকারীদের করোনার টিকা দেওয়া হবে রাজশাহী টিচার্স ট্রেনিং কলেজে পবায় কোভিড-এ ক্ষতিগ্রস্ত পল্লী উদ্যোক্তাদের মাঝে প্রণোদনা ঋণ বিতরণ উল্লাপাড়ায় স্বেচ্ছায় রাস্তা সংস্কার কঠোর লকডাউনে বাড়েনি সবজির দাম, সাধারণ মানুষর স্বস্তি ফিরলেও দুঃশ্চিন্তায় চাষীরা
বিজ্ঞাপন
মুক্তিকামী জনতার দৈদিক 'মুক্তির লড়াই' পত্রিকার জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে একদন করে ব্যুরো চীফ, প্রতি জেলা ও উপজেলার একজন করে প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আবেদন করুন। যোগাযোগের ঠিকানাঃ কামরুজ্জামান জনি- সম্পাদক, মুক্তির লড়াই। ইমেইলঃ jobmuktirlorai@gmail.com । ধন্যবাদ

আঠারো বেঁকি নদীতে ভাঙ্গনঃ উৎকন্ঠায় ঘর ও জমি পাওয়া মানুষগুলি

news / ৫৭ বার ভিউ করা হয়েছে
বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার, ২৯ জুন, ২০২১

নাহিদ জামান, খুলনা প্রতিনিধিঃ রূপসা উপজেলায় অবস্থিত আঠারো বেঁকি নদী। এই নদীর এক সময় যৌবন ছিলো। নদীতে চলতো বড় বড় স্টিমার, লঞ্চ কার্গো জাহাজ। যাতায়েত ও পন্য আনা নেওয়ার জন্য নদীর ছিলো সুনাম। এছাড়া এই নদীকে পুজি করে নদীর আশে পাশের লক্ষ লক্ষ মানুষ এক সময় জীবিকা নির্বাহ করে বেঁচে থাকতো। লোক মুখে শোনা যায় এই নদীতে আঠারো টি বাঁক থাকার কারনে নদীর নাম আঠারো বেঁকি হয়েছে। প্রচন্ড খরোস্রত থাকার কারনে নদীর ধর্ম অনুযায়ী একুল ভেঙ্গে ওকুল গড়তো। মানুষ নদীর ভাঙ্গনে কবলিত হয়ে বসবাসের স্থান ত্যাগ করে নতুন জায়গায় বসতি স্থাপন করতো। সরকারি ভাবে লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যায় করেও নদীর ভাঙ্গন রোধ করা সম্ভব হতো না। কালের বিবরতনে এই নদী আস্তে আস্তে হারিয়ে ফেলে তার অতিত গৌরব। নদীকে পুনরায় সচল রাখার প্রয়াসে সরকারীভাবে নদীটিকে খনন করা হয়। এতে আবার আঠারো বেঁকি নদী তার পুন যৌবন ফিরে না পেলেও, আগের মতন নদীতে জোয়ার ভাটা শুরু হয়েছে। মাঝিদের দেখা যাচ্ছে ছোট ছোট ইঞ্জিন চালিত নৌকা চালাতে ও জেলেরা মাছ ধরার জন্য নদীতে ফেলছে জাল। নদী খনন করার পর নদীর পাশে যে মাটি রাখা হয়েছে সেটিকে সমান করে উপজেলা প্রশাসন হাতে নিয়েছে নানান কর্মসুচি। লাগানো হয়েছে পরিবেশ বান্ধব গাছ। বিনোদনের জন্য গড়ে উঠেছে আঠারো বেঁকি মিনি ইকো পার্ক নামে বিনোদন পার্ক। এছাড়া মুজিব শতবর্শ উপলক্ষে এই নদীর পাড়ে সরকারি ভাবে যাদের জমিও নাই, ঘরও নাই তাদের কে দেওয়া হয়েছে জমি এবং ঘর। গরীব অসহায় মানুষের মুখে ফুটেছে আনন্দের হাঁসি।
যদিও ঘর পেয়ে অসহায় মানুষ গুলি আনন্দে আত্মহারা। তার পরেও তাদের মুখটা মলিন। কারন নদীর পাশে ঘর। নদী যদি আবার ও তার পুর্বের রূপ ধারন করে তখন উপায় কি? সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় নদীর জোয়ার ভাটার কারনে নদীতে নতুন করে ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। নদীর পাড়ে ঘর পাওয়া এবং পার্কে ঘুরতে আসা মানুষের সাথে কথা বললে, তারা জানান রূপসা উপজেলায় সরকারের এই উদ্যোগ গুলির কারনে মানুষ অনেক উপকৃত হয়েছে। আমাদের জমি ছিলো না, ঘর ছিলনা আমরা জমি পেয়েছি ঘর পেয়েছি। আমাদের বিনোদনের জন্য মিনি পার্ক পেয়েছি। এই গুলো যাতে নষ্ট না হয়ে যায় সেদিকে সরকার কে লক্ষ রাখতে হবে। আমরা সকলে সরকারের কাছে একটাই দাবি জানাই, সরকারের হাতে নেওয়া কর্মসুচি কে ধরে রাখতে ও সফল করতে হলে নদী ভাঙ্গনরোধ কল্পে কর্মসুচি গ্রহন করা অতিব জরুরী। নদী ভাঙ্গন রোধ করতে না পারলে এই মূহুর্তে সরকারের ভালো কাজ গুলি সব শেষ হয়ে যাবে। নদী ভাঙ্গন রোধে আগেই থেকেই প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহনের জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।


এই বিভাগের আরো সংবাদ