• সোমবার, ০২ অগাস্ট ২০২১, ১২:৪৪ অপরাহ্ন
  • Bengali Bengali English English
শিরোনাম
ধোপাজান চলতি নদীতে ৮টি নৌকা আটক, ২ লক্ষ টাকা জরিমানা পাচার বাণিজ্যে মতানৈক্যের জেরে সীমান্তে অপহৃত নাবালক ৬ চিকিৎসক নিয়ে ধুঁকে ধুঁকে চলছে বরগুনা সরকারি হাসপাতাল সামাজিক দূরত্ব ভুলে রাসিক মেয়র লিটনের খাদ্য সামগ্রী বিতরন সলঙ্গায় ১০কেজি গাঁজাসহ মাদক ব‍্যবসায়ী আটক বরুড়ায় ১৫০ অক্সিজেন সিলিন্ডার দিলেন এসকিউ গ্রুপের শফিউদ্দিন শামীম বাবার মৃত্যুর একদিন পর মাকেও হারালেন সহকারী এটর্নি জেনারেল এড. ফারুক সাতক্ষীরা শহরের বাগানবাড়িতে ভূমিহীনদের পুর্নবাসনের দাবিতে উঠান বৈঠক আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মুরাদনগরে দিনব্যাপী ডিউটি অফিসারের ভূমিকায় এএসপি
বিজ্ঞাপন
মুক্তিকামী জনতার দৈনিক 'মুক্তির লড়াই' পত্রিকার জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে ব্যুরো চীফ, প্রতি জেলা ও উপজেলার একজন করে প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আবেদন করুন। যোগাযোগের ঠিকানাঃ কামরুজ্জামান জনি- সম্পাদক, মুক্তির লড়াই। ইমেইলঃ jobmuktirlorai@gmail.com । ধন্যবাদ ।

আমতলীর ইউএনওর বিরুদ্ধে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে বিলের টাকা পরিশোধ না করা অভিযোগ

news / ১৯৮ বার ভিউ করা হয়েছে
বাংলাদেশ সময় বুধবার, ১৪ জুলাই, ২০২১

সাইফুল্লাহ নাসির, আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নের আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর নির্মাণকারী ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে বিলের সমুদয় টাকা পরিশোধ না করায় বরগুনার আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামানের বিরুদ্ধে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক বরাবরে অভিযোগ দেয়া হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, প্রধানন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ন প্রকল্পের অধীনে বরগুনার তালতলী উপজেলায় অসহায় ও হতদরিদ্রদের জন্য ‘ক’ শ্রেণীর ১১০টি এবং ‘খ’ শ্রেণীর ৫০টিসহ মোট ১৬০টি আধা পাকাঘর বরাদ্ধ দেয়া হয়। ওই ঘর নির্মাণের জন্য তৎকালিন তালতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান (বর্তমানে আমতলীতে কর্মরত) দ্বীপ জেলা ভোলার “নাঈম এন্টারপ্রাইজ” নামের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের স্বত্তাধিকারী মোঃ ফয়সাল হোসেন নয়নের সাথে চুক্তি সম্পাদন করেন। চুক্তি অনুযায়ী ওই ঠিকাদারকে তালতলী উপজেলায় ‘ক’ শ্রেণীর ৮৩টি ও “খ” শ্রেনীর ৪৯টি এবং আমতলী উপজেলায় “ক” শ্রেনীর ৯টি ঘর নির্মাণের কাজ দেয়া হয়।

ওই চুক্তি অনুসারে ঠিকাদার দু’উপজেলার ২ শ্রেনীর ১৫১টি ঘরের মধ্য থেকে ১৪১টি আধা পাকাঘরের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করেন। যার সমুদয় ব্যয় ২ কোটি ২১ লক্ষ ১৫ হাজার টাকা। ওই নির্মাণ ব্যয়ের বিপরীতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান বিভিন্ন সময়ে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের স্বত্তাধিকারী মোঃ ফয়সাল হোসেন নয়নকে ২ কোটি ৫ লক্ষ ৭ হাজার টাকা পরিশোধ করেন। অবশিষ্ট ১৬ লক্ষ ৮ হাজার টাকা তিনি আজ পর্যন্ত পরিশোধ করেননি। ঠিকাদার নয়ন গত ৩ মাস ধরে ওই পাওয়া টাকার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে তাগাদা দিলেও তিনি টাকা দিতে অস্বীকার করেন। এ বিষয়ে গত সোমবার ওই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের স্বত্তাধিকারী মোঃ ফয়সাল হোসেন নয়ন আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামানের বিরুদ্ধে বরগুনার জেলা প্রশাসক মোঃ হাবিবুর রহমান বরাবরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।

ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের স্বত্তাধিকারী মোঃ ফয়সাল হোসেন নয়ন মুঠোফোনে জানায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশ্রয়ণের ঘর নির্মাণ বাবদ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামানের কাছে ১৬ লক্ষ ৮ হাজার টাকা পাওনা রয়েছে। তিনি ওই পাওনা টাকা পরিশোধ না করায় আমি তার বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসক বরাবরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছি। তিনি আরো জানায়, ইউএনও মোঃ আসাদুজ্জামান নির্মাণ করা ১৪১টি ঘরের মধ্যে থেকে ১১৯টি ঘর থেকে আমার কাছ থেকে ঘর প্রতি ১০ হাজার টাকা করে মোট ১১ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছেন।

আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান মুঠোফোনে ঘুষ নেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে তিনি বলেন, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের স্বত্তাধিকারী মোঃ ফয়সাল হোসেন নয়নকে ঘর নির্মাণের চুক্তি অনুযায়ী সমুদয় টাকা পরিশোধ করে দেয়া হয়েছে।

বরগুনার জেলা প্রশাসক মোঃ হাবিবুর রহমান মুঠোফোনে অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, ইউএনওকে ঠিকাদারের সাথে ঝামেলা মিটিয়ে ফেলার জন্য মৌখিকভাবে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।


এই বিভাগের আরো সংবাদ