বিজ্ঞাপন
মুক্তিকামী জনতার দৈনিক 'মুক্তির লড়াই' পত্রিকার জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে ব্যুরো চীফ, প্রতি জেলা ও উপজেলার একজন করে প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আবেদন করুন। যোগাযোগের ঠিকানাঃ কামরুজ্জামান জনি- সম্পাদক, মুক্তির লড়াই। ইমেইলঃ jobmuktirlorai@gmail.com । ধন্যবাদ ।

আলোচিত কুমিল্লার তনু হত্যা মামলা এবার পিবিআইতে

Muktir Lorai / ৮৪ বার ভিউ করা হয়েছে
বাংলাদেশ সময় বুধবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২০

স্টাফ রিপোর্টারঃ
দেশব্যাপী বহুল আলোচিত কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের ছাত্রী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলা তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। মঙ্গলবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডি কুমিল্লার সাবেক সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (বর্তমানে চাঁদপুরে কর্মরত) জালাল উদ্দিন আহমেদ। এর আগে গত রবিবার মামলার বর্তমান তদন্তকারী সংস্থা পিবিআই এর একটি দল কুমিল্লা সেনানিবাসে এসে ঘটনাস্থল পরিদর্শনসহ তনুর বাবার সঙ্গে কথা বলেছেন।

কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে একটি বাসায় ২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় টিউশনি করতে গিয়ে তনু আর বাসায় ফিরেনি। রাতে বাসার অদূরে সেনানিবাসের ভেতর একটি জঙ্গলে তনুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরদিন তার বাবা কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের অফিস সহায়ক ইয়ার হোসেন বাদি হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালী মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। শুরুতে থানা পুলিশ ও পরে ডিবি এবং ২০১৬ সালের ১ এপ্রিল থেকে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পায় সিআইডি কুমিল্লা। একই বছরের ৪ এপ্রিল ও ১২ জুন দুই দফা ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে তনুর মৃত্যুর কারণ খুঁজে না পাওয়ার তথ্য জানায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগ।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডি কুমিল্লার সাবেক সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (বর্তমানে চাঁদপুরে কর্মরত) জালাল উদ্দিন আহমেদ জানান, গত ২২ সেপ্টেম্বর পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশে গত ২১ অক্টোবর তনু হত্যা মামলার সংশ্লিষ্ট সকল নথি পিবিআই ঢাকা কার্যালয়ে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

পিবিআই কুমিল্লার পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান জানান, সিআইডি থেকে মামলাটি ঢাকা পিবিআইয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। মামলাটি ঢাকা অফিসই তদন্ত করছে। এর আগে গত রোববার পিবিআই ঢাকার একটি তদন্ত দল কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় ঘটনাস্থল পরিদর্শনসহ তনুর বাবা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড অফিসের অফিস সহায়ক ইয়ার হোসেনের সাথে কথা বলেছেন। তনুর হত্যাকাণ্ড নিয়ে তৎসময়ে দেশব্যাপী প্রায় প্রতিদিনই বিক্ষোভ-মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

তনুর বাবা ইয়ার হোসেন জানান, মামলা কখন সিআইডি থেকে পিবিআইতে গেছে তা আমরা জানি না। গত রবিবার (১৫ নভেম্বর) ঢাকা থেকে কয়েকজন পিবিআই সদস্য সেনানিবাসের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তখনই জানতে পারি মামলাটি পিবিআই তদন্ত করছে।

তনুর মা আনোয়ারা বেগম জানান, দুইবার তনুর ময়নাতদন্ত হলো, মৃত্যুর কারণ ডাক্তাররা পেলো না। পরে জানালো ডিএনএ রিপোর্ট এলে ঘাতক শনাক্ত হবে। দীর্ঘ বছর ধরে তদন্ত দেখে আসছি। শুরুতে সিআইডি খোঁজ খবর নিলেও আমার তনু হত্যার কি হলো তা আমরা জানি না।


এই বিভাগের আরো সংবাদ
Translate »
Translate »