বিজ্ঞাপন
মুক্তিকামী জনতার দৈনিক 'মুক্তির লড়াই' পত্রিকার জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে ব্যুরো চীফ, প্রতি জেলা ও উপজেলার একজন করে প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আবেদন করুন। যোগাযোগের ঠিকানাঃ কামরুজ্জামান জনি- সম্পাদক, মুক্তির লড়াই। ইমেইলঃ jobmuktirlorai@gmail.com । ধন্যবাদ ।

ই-কমার্স নিয়ে রাষ্ট্রপক্ষের প্রতিবেদন না পেয়ে হাইকোর্টের ক্ষোভ

Dipa Mondal / ৮৪ বার ভিউ করা হয়েছে
বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২১
ই-কমার্স নিয়ে রাষ্ট্রপক্ষের প্রতিবেদন না পেয়ে হাইকোর্টের ক্ষোভ
ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিনিধি: ই-কমার্সের অনিয়মকে কেন্দ্র করে দায়ের করা পৃথক তিনটি রিটের শুনানি পিছিয়ে আগামী ২৩ নভেম্বর ধার্য করেছেন হাইকোর্ট। এদিন ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান থেকে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগের বিষয়ে বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইনটেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) কী পদক্ষেপ নিয়েছে এবং ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান থেকে ভ্যাট-ট্যাক্স আদায়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) পলিসি কী, তাও জানাতে হবে আদালতকে।

এ ছাড়া ই-কমার্স খাতের স্বার্থে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের করা ১৬ সদস্যের কারিগরি কমিটির কার্যপরিধি কী, তাও সেদিন জানাতে হবে। সংশ্লিষ্টদের আগামী ২৩ নভেম্বরের মধ্যে তা আদালতকে লিখিতভাবে জানাতে বলেছেন আদালত।

আজ মঙ্গলবার (১৬ নভেম্বর) শুনানির সময় এ তিন বিষয়ে প্রতিবেদন না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন আদালত।

পূর্বের আদেশ অনুযায়ী শুনানিতে এ বিষয়ে প্রতিবেদন না পেয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি মঙ্গলবার (১৬ নভেম্বর) উষ্মা প্রকাশ করেন হাইকোর্টের বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ। আদালতে আজ রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। আর রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

এ সময় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বিপুল বাগমারকে উদ্দেশ্য করে আদালত বলেন, ‘ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল, আপনি অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি তাকে জানান। এসব আমরা কিন্তু টলারেট করব না।’ এরপর আদালত আগামী মঙ্গলবারের (২৩ নভেম্বর) মধ্যে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিয়ে ওইদিন পরবর্তী আদেশের দিন ধার্য করেন।

দেশের ই-কমার্স খাতের ভোক্তাদের অধিকার ও স্বার্থ সুরক্ষায় কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতা ও নিষ্ক্রিয়তা চ্যালেঞ্জ করে করা পৃথক তিনটি রিট করা হয়। সে রিটের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট ওই তিন বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন আকারে জানাতে নির্দেশ দেন। আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির আদেশের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

গত ২০ সেপ্টেম্বর ই-কমার্সের গ্রাহকদের স্বার্থ ও অধিকার রক্ষায় জাতীয় ডিজিটাল কমার্স পলিসির ম্যান্ডেট অনুসারে একটি স্বাধীন ই-কমার্স নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠার নির্দেশনা চেয়ে রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. আনোয়ারুল ইসলাম।


এই বিভাগের আরো সংবাদ
Translate »
Translate »