ঢাকা ০২:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

উত্তরায় হাসান কম্পিউটারের বেপরোয়া দালালির অভিযোগ

রাজধানীর উত্তরায় অবস্থিত পাসপোর্ট অফিসের নিকটবর্তী এলাকায় চালু রয়েছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। যারা অনলাইনে ই পাসপোর্ট পূরণের নামে অবৈধ পন্থায় নিত্য নৈমিত্তিক দালালি করেই চলেছে। এদের মধ্যে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট হলো হাসান কম্পিউটার। যার কিনা বহুমাত্রিক নাম ডাক আছে বলেও জানা গেছে।

উত্তরার ১২ নম্বর সেক্টরে কোরবান আলী মার্কেটে অবস্থিত হাসান কম্পিউটার। প্রভাবশালী বিভিন্ন মহল সহ শক্তিধর হলুদ সাংবাদিক (বড় ভাই) দের ছত্রছায়ায় মহা দাপটিয় প্রভাব খাটিয়ে অবৈধ উপায়ে পাসপোর্ট তৈরীর রাজত্ব গড়ে নিয়েছে এই হাসান কম্পিউটার। একটি ফোন করা মাত্রই সেই অপশক্তিদের উপস্থিতির মাধ্যমে সাংবাদিকদের কাজে বিঘ্নতা সৃষ্টি এবং নাজেহাল করতেও দেখা গেছে বলে জানা যায় বিভিন্ন সূত্রে।

তাছাড়াও বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাংবাদিকগণ এই হাসান কম্পিউটারের কার্যক্রম পরিদর্শন করতে গেলে সরাসরি হাসান কম্পিউটারের হাসান অপমানের সুরে ও ব্যস্ততার ছলে সাংবাদিকদের বাইরে গিয়ে দাঁড়াতে বা বসতে বলে থাকেন। তাছাড়াও এড়িয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে সিআইডি ও গোয়েন্দাদের গাল গল্প শুনিয়ে হুঁমকি প্রদানে নৈপুূর্ণতাও প্রদর্শন করে থাকেন বলেই গোপন সূত্রে জানা গেছে। এ বিষয়ে পাসপোর্ট অফিসে কথা বলতে চাইলে কেউই মুখ খুলতে চায় না। ব্যস্ততার ছলে সাংবাদিকদের এড়িয়ে চলাতেই যেন তাদের চোখে মুখে দুর্নীতি মাখা বিজয় চিত্রের নিদর্শন ঘটে থাকে!

খবর নিয়ে জানা গেছে, এই হাসান কম্পিউটারের অবৈধ পন্থায় পাসপোর্ট তৈরির বেপরোয়া দালালি কোন অবস্থাতেই দমন করা যাচ্ছে না। তাছাড়াও উত্তরা পাসপোর্ট অফিসের সামান্য কাছে-দুরে অবস্থিত প্রায় সমস্ত অনলাইনে ই পাসপোর্ট আবেদন সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বহু বছর যাবত অবৈধ পন্থায় পাসপোর্ট অফিসের বিভিন্ন পর্যায়ের চাকুরেদের সহযোগীতায় গোপন ও অনৈতিক সখ্যতার মাধ্যমে দালালি করেই চলেছে।

সাধারণ দৃষ্টিতে প্রশাসনের নাকের ডগায় এসব দালালি চালু রয়েছে বলে মনে করা হলেও বাস্তবে পাসপোর্ট অফিসের দুর্নীতিবাজদের সহযোগিতাতেই এসব সিন্ডিকেট চালু রয়েছে বলেই জানা গেছে যা লোকচক্ষুর আড়ালে মাত্র। বহু বছর পেরিয়ে গেলেও এমন সিন্ডিকেট প্রশাসন আজও দমন করতে সক্ষম হয়নি। বহু গণমাধ্যমে পাসপোর্টের দালাল সিন্ডিকেট ও অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনিয়ম নিয়ে নানান সংবাদ প্রচার সত্ত্বেও তাদের দাপট বেড়েই চলেছে।

সংশ্লিষ্ট প্রশাসন লোক দেখানো সমাধানের নামে ভিন্ন ভিন্ন কায়দায় এই অপকর্ম চালু রাখছে বলেই জানা যায়। বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা গোপনে দুর্নীতিবাজদের পক্ষপাত দুষ্টতা অবলম্বন সহ সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ধূর্ততার সাথে অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে বলেই মনে করেন বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনসহ সংশ্লিষ্ট মহল। সুশীল সমাজ মনে করেন এসব দুর্নীতিবাজদের সুকৌশলে ধরাশায়ী করা সহ সমস্ত দালাল ও মদদ দাতাদের সরাসরি জেল-জরিমানা ও স্থানী ভাবে উচ্ছেদ কর্মসূচি গ্রহণ অতীব জরুরী।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

উত্তরায় হাসান কম্পিউটারের বেপরোয়া দালালির অভিযোগ

আপডেট সময় ০৫:২০:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

রাজধানীর উত্তরায় অবস্থিত পাসপোর্ট অফিসের নিকটবর্তী এলাকায় চালু রয়েছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। যারা অনলাইনে ই পাসপোর্ট পূরণের নামে অবৈধ পন্থায় নিত্য নৈমিত্তিক দালালি করেই চলেছে। এদের মধ্যে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট হলো হাসান কম্পিউটার। যার কিনা বহুমাত্রিক নাম ডাক আছে বলেও জানা গেছে।

উত্তরার ১২ নম্বর সেক্টরে কোরবান আলী মার্কেটে অবস্থিত হাসান কম্পিউটার। প্রভাবশালী বিভিন্ন মহল সহ শক্তিধর হলুদ সাংবাদিক (বড় ভাই) দের ছত্রছায়ায় মহা দাপটিয় প্রভাব খাটিয়ে অবৈধ উপায়ে পাসপোর্ট তৈরীর রাজত্ব গড়ে নিয়েছে এই হাসান কম্পিউটার। একটি ফোন করা মাত্রই সেই অপশক্তিদের উপস্থিতির মাধ্যমে সাংবাদিকদের কাজে বিঘ্নতা সৃষ্টি এবং নাজেহাল করতেও দেখা গেছে বলে জানা যায় বিভিন্ন সূত্রে।

তাছাড়াও বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাংবাদিকগণ এই হাসান কম্পিউটারের কার্যক্রম পরিদর্শন করতে গেলে সরাসরি হাসান কম্পিউটারের হাসান অপমানের সুরে ও ব্যস্ততার ছলে সাংবাদিকদের বাইরে গিয়ে দাঁড়াতে বা বসতে বলে থাকেন। তাছাড়াও এড়িয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে সিআইডি ও গোয়েন্দাদের গাল গল্প শুনিয়ে হুঁমকি প্রদানে নৈপুূর্ণতাও প্রদর্শন করে থাকেন বলেই গোপন সূত্রে জানা গেছে। এ বিষয়ে পাসপোর্ট অফিসে কথা বলতে চাইলে কেউই মুখ খুলতে চায় না। ব্যস্ততার ছলে সাংবাদিকদের এড়িয়ে চলাতেই যেন তাদের চোখে মুখে দুর্নীতি মাখা বিজয় চিত্রের নিদর্শন ঘটে থাকে!

খবর নিয়ে জানা গেছে, এই হাসান কম্পিউটারের অবৈধ পন্থায় পাসপোর্ট তৈরির বেপরোয়া দালালি কোন অবস্থাতেই দমন করা যাচ্ছে না। তাছাড়াও উত্তরা পাসপোর্ট অফিসের সামান্য কাছে-দুরে অবস্থিত প্রায় সমস্ত অনলাইনে ই পাসপোর্ট আবেদন সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বহু বছর যাবত অবৈধ পন্থায় পাসপোর্ট অফিসের বিভিন্ন পর্যায়ের চাকুরেদের সহযোগীতায় গোপন ও অনৈতিক সখ্যতার মাধ্যমে দালালি করেই চলেছে।

সাধারণ দৃষ্টিতে প্রশাসনের নাকের ডগায় এসব দালালি চালু রয়েছে বলে মনে করা হলেও বাস্তবে পাসপোর্ট অফিসের দুর্নীতিবাজদের সহযোগিতাতেই এসব সিন্ডিকেট চালু রয়েছে বলেই জানা গেছে যা লোকচক্ষুর আড়ালে মাত্র। বহু বছর পেরিয়ে গেলেও এমন সিন্ডিকেট প্রশাসন আজও দমন করতে সক্ষম হয়নি। বহু গণমাধ্যমে পাসপোর্টের দালাল সিন্ডিকেট ও অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনিয়ম নিয়ে নানান সংবাদ প্রচার সত্ত্বেও তাদের দাপট বেড়েই চলেছে।

সংশ্লিষ্ট প্রশাসন লোক দেখানো সমাধানের নামে ভিন্ন ভিন্ন কায়দায় এই অপকর্ম চালু রাখছে বলেই জানা যায়। বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা গোপনে দুর্নীতিবাজদের পক্ষপাত দুষ্টতা অবলম্বন সহ সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ধূর্ততার সাথে অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে বলেই মনে করেন বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনসহ সংশ্লিষ্ট মহল। সুশীল সমাজ মনে করেন এসব দুর্নীতিবাজদের সুকৌশলে ধরাশায়ী করা সহ সমস্ত দালাল ও মদদ দাতাদের সরাসরি জেল-জরিমানা ও স্থানী ভাবে উচ্ছেদ কর্মসূচি গ্রহণ অতীব জরুরী।