ঢাকা ০৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪, ৯ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজারে আবাসিক হোটেল থেকে মা মেয়ের মরদেহ উদ্ধার

কক্সবাজারে আবাসিক হোটেল থেকে মা মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। কক্সবাজার কলাতলী সী আলিফ নামক একটি হোটেলের ৪১১ নং কক্ষ থেকে ২ পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৭ফ্রেব্রুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে কক্সবাজার শহরের হোটেল মোটের জোনের সী আলিফ নামক একটি হোটেল থেকে মা মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতদের মধ্যে একজনের নাম সুমা দে। তবে মেয়ের নাম জানা যায়নি। মেয়ের বয়স আনুমানিক ১ থেকে দেড় বছর হবে বলে ধারণা করছে পুলিশ।

সী আলিফ হোটেলের জেনারেল ম্যানেজার ইসমাইল জানান, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি সকালে তিন সন্তানসহ স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে হোটেলে উঠেন দুলাল বিশ্বাস ও সুমা দে। তারা ঠিকানা উল্লেখ করেছিলেন চট্টগ্রামের বাঁশখালী এলাকায়। ১৭ ফেব্রুয়ারী তাদের রুম ছাড়ার কথা ছিলো। সেই হিসেবে সকাল সাড়ে ১১ টায় কর্মচারী শাখাওয়াত ওই রুমে গিয়ে দেখেন স্ত্রী ও এক শিশুর মরদেহ পড়ে রয়েছে।

সী আলিফ হোটেল থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হলেও স্বামী এবং বাকি দুই সন্তান লাপাত্তা। স্ত্রী সুমা দে এর শরিরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে এবং পুলিশ তদন্ত করছে বলে জানান সদর সার্কেল এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান।

ঘটনাস্থলে সিআইডি, পিবিআইসহ পুলিশের কয়েকটি টিম রহস্য উদঘাটনে কাজ করছে। মরদেহগুলো উদ্ধার করে  সুরতহাল রির্পোট সংগ্রহের পর ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে নিয়ে যাওয়া হয়।
কক্সবাজারে আবাসিক হোটেল থেকে মা মেয়ের মরদেহ উদ্ধার।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে আবাসিক হোটেল থেকে মা মেয়ের মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় ০২:৫৮:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

কক্সবাজারে আবাসিক হোটেল থেকে মা মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। কক্সবাজার কলাতলী সী আলিফ নামক একটি হোটেলের ৪১১ নং কক্ষ থেকে ২ পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৭ফ্রেব্রুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে কক্সবাজার শহরের হোটেল মোটের জোনের সী আলিফ নামক একটি হোটেল থেকে মা মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতদের মধ্যে একজনের নাম সুমা দে। তবে মেয়ের নাম জানা যায়নি। মেয়ের বয়স আনুমানিক ১ থেকে দেড় বছর হবে বলে ধারণা করছে পুলিশ।

সী আলিফ হোটেলের জেনারেল ম্যানেজার ইসমাইল জানান, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি সকালে তিন সন্তানসহ স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে হোটেলে উঠেন দুলাল বিশ্বাস ও সুমা দে। তারা ঠিকানা উল্লেখ করেছিলেন চট্টগ্রামের বাঁশখালী এলাকায়। ১৭ ফেব্রুয়ারী তাদের রুম ছাড়ার কথা ছিলো। সেই হিসেবে সকাল সাড়ে ১১ টায় কর্মচারী শাখাওয়াত ওই রুমে গিয়ে দেখেন স্ত্রী ও এক শিশুর মরদেহ পড়ে রয়েছে।

সী আলিফ হোটেল থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হলেও স্বামী এবং বাকি দুই সন্তান লাপাত্তা। স্ত্রী সুমা দে এর শরিরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে এবং পুলিশ তদন্ত করছে বলে জানান সদর সার্কেল এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান।

ঘটনাস্থলে সিআইডি, পিবিআইসহ পুলিশের কয়েকটি টিম রহস্য উদঘাটনে কাজ করছে। মরদেহগুলো উদ্ধার করে  সুরতহাল রির্পোট সংগ্রহের পর ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে নিয়ে যাওয়া হয়।
কক্সবাজারে আবাসিক হোটেল থেকে মা মেয়ের মরদেহ উদ্ধার।