ঢাকা ০৩:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজার নাজিরারটেক জিরো পয়েন্টে সাগরে ১০ লাশ উদ্ধার

কক্সবাজারের বঙ্গোপসাগর ও বাঁকখালী নদীর মোহনার নাজিরারটেক উত্তর কুতুবদিয়া পাড়া পয়েন্টে ভেসে আসা একটি ট্রলার থেকে হাত পা বাঁধা ১০টি গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

রবিবার (২৩ই এপ্রিল) বেলা আড়াইটার দিকে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের একটি দল এসব মরদেহ উদ্ধার করে। রাত ২টার জোয়ারের পানিতে ট্রলারটি গুরা মিয়ার ট্রলারের সাহায্যে ভাসমান ট্রলারটি উত্তর কুতুবদিয়া পাড়া পয়েন্টের খালের শেষ সীমায় আনা হয়। রাত থেকে চেষ্টা করতে করতে আজ বেলা আড়াইটার পর থেকে চেষ্টা করে ১০টি লাশ বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

ফায়ার সার্ভিসের কক্সবাজারের সিনিয়র স্টেশন অফিসার খান খলিলুর রহমান বলেন, প্রাথমিক ভাবে উদ্ধার লাশগুলোর অবস্থা দেখে এটি স্বাভাবিক দুর্ঘটনা বলে মনে হচ্ছেনা। লাশগুলো জাল পেছানো ও দড়ি দিয়ে বাঁধা ছিলো বলে জানান উদ্ধারকারী দলে থাকা এই কর্মকর্তা।

উদ্ধার অভিযান শেষে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মাহফুজুল ইসলাম জানান, লাশের অবস্থা দেখে তারা প্রাথমিক ভাবে ধারণা করছেন এটি একটি হত্যাকাণ্ড। এছাড়াও লাশ গুলোর পরিচয় নিশ্চিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়ার কথা বলেন পুলিশ সুপার ।

এর আগে সকালে স্থানীয়রা ভাসতে থাকা ট্রলারটির পাশে গিয়ে দুর্গন্ধ পেয়ে বিকৃত মরদেহ দেখতে পায় এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে খবর দেয় রাত ২টার সময়।

হরহামেশাই সাগরে ঘটছে ডাকাতির ঘটনা। সেখানে জেলেদের হত্যার ঘটনাও নিত্যনৈমিত্তিক বলে জানিয়ে পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আক্তার কামাল বলেন, এটিও এমন একটি ঘটনা হতে পারে।

নাজিরারটেক মৎস্য ব্যবসায়ি বহমুখী সমবায় সমিতির সভাপতি আতিক উল্লাহ কোম্পানী বলেন, সাগরে ডাকাত দল বিভিন্ন ভাবে ট্রলার ডাকাতি করে। তাদের এমন একটা ঘটনা খুবই মর্মাহত।

উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলো কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজার নাজিরারটেক জিরো পয়েন্টে সাগরে ১০ লাশ উদ্ধার

আপডেট সময় ১১:৪৫:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৩

কক্সবাজারের বঙ্গোপসাগর ও বাঁকখালী নদীর মোহনার নাজিরারটেক উত্তর কুতুবদিয়া পাড়া পয়েন্টে ভেসে আসা একটি ট্রলার থেকে হাত পা বাঁধা ১০টি গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

রবিবার (২৩ই এপ্রিল) বেলা আড়াইটার দিকে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের একটি দল এসব মরদেহ উদ্ধার করে। রাত ২টার জোয়ারের পানিতে ট্রলারটি গুরা মিয়ার ট্রলারের সাহায্যে ভাসমান ট্রলারটি উত্তর কুতুবদিয়া পাড়া পয়েন্টের খালের শেষ সীমায় আনা হয়। রাত থেকে চেষ্টা করতে করতে আজ বেলা আড়াইটার পর থেকে চেষ্টা করে ১০টি লাশ বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

ফায়ার সার্ভিসের কক্সবাজারের সিনিয়র স্টেশন অফিসার খান খলিলুর রহমান বলেন, প্রাথমিক ভাবে উদ্ধার লাশগুলোর অবস্থা দেখে এটি স্বাভাবিক দুর্ঘটনা বলে মনে হচ্ছেনা। লাশগুলো জাল পেছানো ও দড়ি দিয়ে বাঁধা ছিলো বলে জানান উদ্ধারকারী দলে থাকা এই কর্মকর্তা।

উদ্ধার অভিযান শেষে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মাহফুজুল ইসলাম জানান, লাশের অবস্থা দেখে তারা প্রাথমিক ভাবে ধারণা করছেন এটি একটি হত্যাকাণ্ড। এছাড়াও লাশ গুলোর পরিচয় নিশ্চিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়ার কথা বলেন পুলিশ সুপার ।

এর আগে সকালে স্থানীয়রা ভাসতে থাকা ট্রলারটির পাশে গিয়ে দুর্গন্ধ পেয়ে বিকৃত মরদেহ দেখতে পায় এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে খবর দেয় রাত ২টার সময়।

হরহামেশাই সাগরে ঘটছে ডাকাতির ঘটনা। সেখানে জেলেদের হত্যার ঘটনাও নিত্যনৈমিত্তিক বলে জানিয়ে পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আক্তার কামাল বলেন, এটিও এমন একটি ঘটনা হতে পারে।

নাজিরারটেক মৎস্য ব্যবসায়ি বহমুখী সমবায় সমিতির সভাপতি আতিক উল্লাহ কোম্পানী বলেন, সাগরে ডাকাত দল বিভিন্ন ভাবে ট্রলার ডাকাতি করে। তাদের এমন একটা ঘটনা খুবই মর্মাহত।

উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলো কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।