শিরোনাম
ডেউয়াতলী গ্রামের মরহুম মোঃ কোব্বাদ খান ও মান্নান চৌধুরী পরিবারবর্গকে নিয়ে সফিউল্লা খন্দকারের মানহানিকর বক্তব্যের প্রতিবাদ পলাশ শিল্পাঞ্চল সরকারি কলেজ শিক্ষক ও কর্মচারিদের বিক্ষোভ বাস্তবময় জীবনের বাস্তবতা…অনামিকা চৌধুরী রু লাকসামে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আগুন : প্রায় ৭লাখ টাকার ক্ষতি মুরাদনগরে সাব-রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ের অভ্যন্তরীন প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত পদ্মা সেতু আমাদের জাতিকে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর সুযোগ করে দিয়েছে দীঘিনালায় জেলেদের মাঝে ছাগল বিতরণ গোমস্তাপুরে চাঞ্চল্যকর কুলুলেস ‍‍`মেহেরুল‍‍` হত্যা মামলার আসামি আটক তরুন উদ্যোক্তা নাসিমা জাহান বিনতী’র গ্লোবাল ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড অর্জন পলাশে চাচীর সাথে পরকিয়া করতে গিয়ে প্রেমিকের হাতের কব্জি কর্তন
বিজ্ঞাপন
মুক্তিকামী জনতার দৈনিক 'মুক্তির লড়াই' পত্রিকার জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে ব্যুরো চীফ, প্রতি জেলা ও উপজেলার একজন করে প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আবেদন করুন। যোগাযোগের ঠিকানাঃ কামরুজ্জামান জনি- সম্পাদক, মুক্তির লড়াই। ইমেইলঃ jobmuktirlorai@gmail.com । ধন্যবাদ ।

করোনাকালে ঘুরে দাঁড়াতে স্বল্প প্রণোদনা দাবি বীমা কর্তৃপক্ষের

Muktir Lorai / ১০১ বার ভিউ করা হয়েছে
বাংলাদেশ সময় শুক্রবার, ২০ নভেম্বর, ২০২০

ডেস্ক রিপোর্টঃ
করোনায় নিয়মিত প্রিমিয়াম জমা না হওয়ায় আয় কমেছে বীমা কোম্পানিগুলোর। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত কমিশনভিত্তিক কাজ করা সাত লাখেরও বেশি এজেন্ট। ঘুরে দাঁড়াতে সরকার ঘোষিত স্বল্প সুদের প্রণোদনার দাবি বীমা কর্তৃপক্ষের।

করোনায় ব্যাংক-ননব্যাংকসহ বিভিন্ন খাতের মতো সংকটে পড়েছে বীমা শিল্প। বিশেষ করে সাধারণ মানুষের আয়-রোজগার কমে যাওয়ায় কমেছে জীবন বীমায় নতুন গ্রাহক। আর স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হওয়ায় অনিয়মিত হয়ে পড়েছে নিয়মিত গ্রাহকদের ষাণ্মাসিক ও বাৎসরিক কিস্তি বা প্রিমিয়াম জমার পরিমাণও। বীমা কোম্পানিগুলো বলছে, সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখিন কমিশনভুক্ত প্রান্তিক এলাকার প্রায় ৭ লাখ এজেন্ট।
জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের সিইও ড. এস. এম. নুরুজ্জামান বলেন, এখনো আগের অবস্থানে ফিরে আসেনি। বিশেষ করে যারা কমিশন বেসড এজেন্ড আছে। এরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেকে চাকরি হারিয়েছেন, অনেকে ব্যবসা হারিয়েছেন।

এদিকে বাৎসরিক লক্ষ্যমাত্রা পূরণে পিছিয়ে পড়া ও প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়মিত ব্যয় সংকুলানে সহায়তা জন্য সরকারের কাছে ধরণা দিয়েও কোনো সাড়া মেলেনি বলে জানায় বীমা অ্যাসোসিয়েশন।
বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শেখ কবির হোসেন বলেন, ইন্স্যুরেন্স সেক্টর থেকে আমরা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আইবিআর এর কাছে এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যলয়ে আমরা আবেদন করেছি। সেখানেও কোনো প্রণোদনা বা সাহায্য আসেনি।

কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে অন্যান্য খাতের মতো বীমা খাতকেও স্বল্প সুদে প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় নিয়ে আসার পরামর্শ অর্থনীতিবিদদের।
অর্থনীতিবিদ ড. মাহফুজ কবীর বলেন, ‘জীবন বীমা কোম্পানিগুলো যদি সফট লোন নিয়ে তাদের ক্যাপিটালগুলো আবার হালনাগাদ করতে পারে তাহলে সেক্ষেত্রে তারা ঘুরে দাঁড়াতে পারবে এবং যারা অভাবে আছে তারাও একটা আশার আলো দেখতে পাবে।
বীমা নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইডিআরের তথ্য মতে, দেশে সরকারি-বেরসকারি বীমা কোম্পানির মধ্যে সাধারণ বীমা ৪৬ ও জীবন বীমা রয়েছে ৩১টি।


এই বিভাগের আরো সংবাদ
Translate »
Translate »