• শনিবার, ৩১ জুলাই ২০২১, ০৯:১৫ পূর্বাহ্ন
  • Bengali Bengali English English
বিজ্ঞাপন
মুক্তিকামী জনতার দৈনিক 'মুক্তির লড়াই' পত্রিকার জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে ব্যুরো চীফ, প্রতি জেলা ও উপজেলার একজন করে প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আবেদন করুন। যোগাযোগের ঠিকানাঃ কামরুজ্জামান জনি- সম্পাদক, মুক্তির লড়াই। ইমেইলঃ jobmuktirlorai@gmail.com । ধন্যবাদ ।

করোনার উচ্চ ঝুঁকিতে সীমান্তবর্তী বাঘা: ভয়ে ট্রেস্ট করাচ্ছেন না অনেকেই

news / ৪০ বার ভিউ করা হয়েছে
বাংলাদেশ সময় বুধবার, ৩০ জুন, ২০২১

রাজশাহী প্রতিনিধি: রাজশাহীর বাঘায় বাড়ছে জ্বরের প্রাদুর্ভাব। উপজেলার প্রায় প্রতিটি বাড়িতে জ্বর ও কাশিতে আক্রান্ত হচ্ছে পরিবারের সবাই। এর মধ্যে শিশু ও বৃদ্ধদের সংখ্যা বেশি। আশঙ্কাজনক হারে জ্বরের রোগী বেড়ে যাওয়ায় জনসাধারণের মাঝে করোনা ভীতি ছড়িয়ে পড়ছে। বৃদ্ধি পাচ্ছে করোনা রোগীর সংখ্যাও। করোনা আক্রান্তের ভয়ে অনেকে ডাক্তারের কাছে না গিয়ে বাড়িতে গোপনে নিজের মতো করে ঔষধ কিনে চিকিৎসা নিচ্ছেন। মহামারী করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ধাক্কায় শত-শত মানুষের প্রান গেলেও স্বাস্থ্য বিধি মানতে উদাসীন সাধারণ মানুষ। ভারতীয় সীমান্তবর্তী বাঘা উপজেলায় ঘরে-ঘরে সর্দি-কাসি ঢুকে গেলেও ভয়ে করোনা ট্রেস্ট করাতে আসছে না উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। এখন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে সকল প্রকার সুযোগ সুবিধা থাকলেও করোনার আতংকে সেবা নিতে আসছে না অনেকে। এতে করে উদ্বিগ্ন চিকিৎসকরা-সহ সমাজের সচেতন মহল। এক অনুসন্ধানে জানা গেছে, এই মুহুর্তে সারাদেশে করোনার যে পরিস্থিতি তার মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ রুপ নিয়েছে ভারতীয় সীমান্তবর্তী রাজশাহী অঞ্চল। এর মধ্যে চাপাইনবাবগঞ্জ, গোদাগাড়ি, নঁওগা, নাটোর এবং চারঘাট-বাঘায় এর ভয়াবহতা লক্ষ করা গেছে সবচেয়ে বেশি। রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতাল সূত্রে, রাজশাহীতে একদিনে গত (২৯ জুন) করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে সর্বচ্চ ২৫ জন। বাঘায় গত ৭ দিনে ৩৯৫ জনের করোনা পরীক্ষা করা হলে পজেটিভ ধরা পড়েছে ১০৫ জনের। আবার অনেকেই উপসর্গ বোঝার পরেও নমুনা পরীক্ষা করছে না বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। ফলে উৎকন্ঠা প্রকাশ করেছেন খোদ চিকিৎসকরা-সহ সমাজের সচেতন মহল। তাঁদের মতে করোনা পরীক্ষার জন্য জনসচেতনতা খুবই প্রয়োজন। একজন মানুষের শারিরীক অবস্থা বুঝে নিজ উদ্যোগে করোনা পরীক্ষা করা উচিত। কিন্তু বাস্তবে সেটি হচ্ছেনা। ফলে মহামারি করোনায় প্রতিদিন রাজশাহী অঞ্চল সহ দেশব্যাপী আক্রান্ত হচ্ছে হাজার-হাজার মানুষ। ডাক্তারদের মতে, এটি এখন বিশ্বের সবচেয়ে বড় আতঙ্কের নাম। যার কালো থাবায় আজ টালমাটাল সারা পৃথিবী। মহামারি এই করোনার কাছে ধনী-গরীব, ছোট-বড় সবাই যেন অপরাধী। সবাইকে আক্রমন করছে এই রোগ। যার ছোবল থেকে রক্ষা পাচ্ছে না দুগ্ধ শিশু থেকে শুরু করে আবাল-বৃদ্ধ বনিতা। জনগনকে সচেতন করতে মাস্ক এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার এবং প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না আসার জন্য প্রতিনিয়ত মাইকিং সহ নিয়মিত টহল দিচ্ছে উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশ। তবে ভারতীয় সীমান্তবর্তী বাঘা উপজেলা হওয়ায় অনেকের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। এর ফলে করোনার উপসর্গ জ্বর,সর্দি,কাশি এবং গলা ব্যাথা নিয়ে অনেকে বাড়িতে বসে চিকিৎসা নিলেও তারা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে করোনা পরিক্ষা করতে আগ্রহী হচ্ছেনা। বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা: রাশেদ আহমেদ বলেন, তুলনা মূলক ভাবে এখানে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দিন-দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি জনসাধারণকে এ বিষয়ে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। একই সাথে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকলকে মাস্ক পরিধান করা সহ প্রয়োজন ছাড়া কোন ভাবেই ঘরের বাইরে না আসার পরামর্শ দিচ্ছেন। তার মতে, করোনা রুগীদের চিকিৎসার জন্য বর্তমানে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য ককমপ্লেক্সে সব রকম ব্যবস্থা আছে।


এই বিভাগের আরো সংবাদ