গাইবান্ধার টিউবওয়েলের পানিতে ঔষধ দিয়ে সাড়ে ৪ লক্ষ টাকার সামগ্রী চুরি করে

মোঃ রাতুল মিয়া, গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি বেড়েই চলছে। গাইবান্ধা সদর উপজেলা সহ জেলার বিভিন্ন স্থানে দিন দিন বেড়েই চলছে সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র মাত্রা। এতে করে ভুক্তভোগী সহ জনমনে প্রশ্ন উঠেছে আইনশৃংখলা পরিস্থিতির অবনতির উপর।

গাইবান্ধা সদর উপজেলার খোলাহাটি ইউনিয়নের কুমারপাড়া গ্রামে টিউবওয়েলের মধ্যে চেতনানাশক ওষুধ দিয়ে বাড়ির সদস্যদের অচেতন করে দুর্ধর্ষ চুরি সংঘটিত হয়েছে।

এ ঘটনায় অসুস্থ্য বাড়ির মালিক এনায়েত করিম গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়ার পর বাদী হয়ে সোমবার গাইবান্ধা সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

ঘটনাটি ঘটেছে ১৮ জুলাই রবিবার দিবাগত রাতে। সংঘবদ্ধ চোরের দল স্বর্ণালংকার,গরু বিক্রির নগদ ৪ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা ও সিমকার্ড সহ মোবাইল ফোন নিয়ে গেছে।

জানা গেছে, মৃত এছাহাক মুন্সির ছেলে এনায়েত করিম তার নিজ খামারের ৬ টি গরু ঈদ উল আযহা উপলক্ষে হাটে বিক্রি করে নগদ ৪ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা আয় করেন। এতে করে দুষ্কৃতকারীরা বিষয়টি জানতে পেরে কৌশলে তার বাড়ির ভিতরের টিউবওয়েলের মধ্যে চেতনানাশক ঔষধ মিশিয়ে দেয়। রাতের খাবারের সঙ্গে এনায়েত করিম সহ তার বাড়ির সদস্যরা ওই টিউবওয়েলের পানি পান করে ঘুমিয়ে অচেতন হয়ে পড়েন। পরের দিন সকালে জাগনা পেয়ে বিষয়টি উপলব্ধি করে।

গভীর রাতে সংঘবদ্ধ চোরচক্র বাড়ির ভিতরে ঢুকে শোয়ার ঘরের দরজা ও ওয়ারড্রব এর তালা ভেংগে গরু বিক্রির ৪ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা, স্বর্ণালংকার, সিমকার্ড সহ মোবাইল ফোন নিয়ে গেছে। পরদিন অসুস্থ বাড়ির মালিক এনায়েত করিম গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহন করে।

সম্প্রতি একই কৌশলে এর আগেও শহরে বিভিন্ন স্থানে এই একই ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে গাইবান্ধা সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন এনায়েত করিম।

এ বিষয়ে গাইবান্ধা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মাহফুজার রহমান নিশ্চিত করে জানান, বিষয়টি অবগতি হয়েছি। সংঘবদ্ধ এ চক্রটিকে গ্রেফতারে সদর থানা পুলিশ প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *