ঢাকা ১১:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo দৈনিক মুক্তির লড়াই পত্রিকার চতুর্থ বর্ষে পদার্পন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo ক্ষুদ্রচাকশ্রী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত Logo বরগুনা প্রেসক্লাবে হামলার ঘটনায় মামলা, পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ Logo সরাইলে নদীর মাটি যাচ্ছে ইট ভাটায়, হুমকির মুখে ফসলি জমি Logo চীন বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক উন্নয়ন বাড়াতে চায়;চীনা বাণিজ্য মন্ত্রী Logo চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ২০২৪ সালকে ‘ভোগ বৃদ্ধির বছর’ হিসাবে মনোনীত করে Logo শাজাহান শিকদার সম্পাদনিত ‘সম্মিলিত কবিতার বই-৪’ এর মোড়ক উম্মোচন Logo নওগাঁয় ৭২ কেজি গাঁজাসহ মাদক এক ব্যবসায়ী আটক Logo ফুলবাড়ীতে কুকুরের কামড়ে ৮টি ছাগলের মৃত্যু Logo আমতলী পৌর নির্বাচন ঘিরে অভিযোগ পাল্টা অভিযোগ

গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) এ ৩ হত্যা মামলার প্রধান আসামী আবুল কালাম এর হাতে নৌকার

মোঃ রফিকুল ইসলাম রাফিক, গাইবান্ধা

৩২, গাইবান্ধা-৪, গোবিন্দগঞ্জ আসনে আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পেয়েছেন তিনটি হত্যা ও দূর্নীতি মামলার প্রধান আসামী জ্বীনের বাদশার নেতা মোঃ আবুল কালাম আজাদ।

এ ঘটনা কে কেন্দ্র করে জনসাধারণের মধ্যে ব্যাপক সমালোচনা ও মনোনয়ন পরিবর্তনের দাবি উঠেছে।
মামলা সুত্রে ও সরোজমিনে জানাগেছে- মোঃ আবুল কালাম আজাদ সাবেক জাসদ ও বাসদ ছাত্রলীগ থেকে রাজনীতি শুরু। ১৯৮৬ সালে ছাত্র ইউনিয়ন নেতা ময়নুল আক্তার রুবেল হত্যার মধ্য দিয়ে তার পরিচিতি ও সাজা হওয়ার পর মামলাটি হাইকোর্টে রয়েছে।
১৯৮৮ সালে গুমানিগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ব্যালট ছিনিয়ে নিয়ে চেয়ারম্যান হয়।উল্লেখ্য ১৯৯৬ সালে জাসদ মনোনীত এমপি প্রার্থী মশাল মার্কা নিয়ে ভোট করেন ও জামানত হারায়।
তিনি চরম আওয়ামী লীগ বিরোধী ব্যক্তিদের অন্যতম। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসীন হওয়ার পর ১৯৯৭ইং যোগদান করে নিজেকে আওয়ামী লীগ নেতা হিসেবে গ্রুপিং শুরু করেন।
১৯৯৮সালে সাবেক সভাপতি মরহুম জননেতা তোজাম্মেল হোসেন প্রধান এর সঙ্গে হাঙ্গামা সহ ভাড়া বাসায় হামলা করে খুন,জখম সহ তছনছ করে,যার থানায় মামলা হয়েছিল।
জামায়াতের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় ২০০৪ সালে গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার চেয়ারম্যান হন।
পরবর্তীতে দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ২০০৬ সালে উপনির্বাচনে বিএনপি’র বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র এমপি নির্বাচন করে ব্যাপক ভোটে হেরে যান।
২০০৮ সালের ২৯শে ডিসেম্বর নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের
মনোনয়নে নৌকা মার্কা নিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রকৌশলী মোঃ মনোয়ার হোসেন চৌধুরী বিএনপি -চার দলীয় জোটের প্রার্থীর চেয়ে দ্বিগুণ এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থীর চেয়ে তিনগুণ ভোটে এমপি নির্বাচিত হন। ৩৫ বছর পর আসনটি আওয়ামী লীগের দখলে আসে।
জনাব মোঃ মনোয়ার হোসেন চৌধুরী এমপি মহোদয়ের সমর্থনে ২০০৯ সালে আবুল কালাম আজাদ উপজেলা চেয়ারম্যান হন।
উপজেলা চেয়ারম্যান থাকাকালীন নাকাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাতীয় পার্টির সভাপতি মোঃ সাহারুল হুদাকে প্রকাশ্যে উপজেলা চত্বরে মারপিট করে আহত করেন।
আঃ কালাম আজাদ ২০১৪ ইং সালে নৌকার বিরুদ্ধে ভোট মেরে নিয়ে স্বতন্ত্র এম পি হন বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্বতন্ত্র এমপি হওয়ার পর থেকেই শুরু করেন এলাকায় সন্ত্রাসের রাজত্ব। সাংবাদিক ও আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীকে মিথ্যা মামলা-হয়রানি, হত্যার চেষ্টা সহ প্রশাসনকে জিম্মি করে লুটপাট, প্রকাশ্যে লগ্ননৃত‌্য, হাউজি, জুয়া, ক্যাসিনো এমনকি উপজেলা প্রশাসন ভবনের নিকট ৩ মাস যাবৎ পরিচালনা করেন হাউজি- জুয়া।
তিনি ক্যাডার পোষেন। তার বিরুদ্ধে কথা বললে নির্যাতন ও মিথ্যা মামলায় হয়রানির শিকার হতে হয়।
২০১৭ সালে ২২কোটি টাকার জি আর চাল আত্বসাতের জন্য দূর্নীতি দমন কমিশন রংপুর কর্তৃক দায়েরকৃত নং ০৯/২০২১ মামলার তদন্তে পাওয়া আসামী।
২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত এলাকার বিভিন্ন স্থানে জুয়া, হাউজি ,বউ বাজি, ফিস বাজি, ওয়ান টেন, নগ্ননৃত্য চালিয়ে শত কোটি টাকা হাতিয়েনেন। ২২ডিসেম্বর /২০১৪ তারিখে গোবিন্দগঞ্জ শহীদ মিনার পাদদেশে গোবিন্দগঞ্জ নাগরিক কমিটির আহবানে হাউজি, জুয়া ও মাদকের বিরুদ্ধে অনশনরত অবস্থায় গোবিন্দগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও গোবিন্দগঞ্জ নাগরিক কমিটির উপদেষ্টা সদস্য আ ফ ম মজিবর রহমান ফুল মিয়াকে তিনি ও তার ক্যাডার বাহিনী বেদম মারপিট করে আহত করেন ও ওয়ার্কার্স পার্টির গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা শাখা দখল করে তার অনুসারীকে দিয়ে দেন।
সাবেক স্বতন্ত্র এমপি আবুল কালাম আজাদ এর সময়ে এলাকায় নারী শিশুসহ প্রায় ১০০ ব্যক্তি নিহত হয়। উল্লেখ্য-উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র মোঃ আতাউর রহমান সরকারের একমাত্র শিশু পুত্র আশিকুর রহমান সাম্য খুন হন তার ক্যাডার বাহিনী কর্তৃক।
অপরদিকে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা নৃত্যরঞ্জন সরদার এর স্ত্রী খুন হয় তার ক্যাডার লুৎফর বাহিনী কর্তৃক।
২০১৪ নৌকার পক্ষে ভোট করায় ও হাউজি জুয়ার বিরুদ্ধে সংবাদ করায় সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও সাপ্তাহিক কাটাখালী পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও সাংবাদিক মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন আকন্দ-কে ৫ই আগষ্ট ২০১৫ ইং উপজেলা প্রশাসন চত্বরে তার আস্তানায় তুলে নিয়ে নিজে মারপিট করে হত্যার চেষ্টা করেন। মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করেন।
দৈনিক ভোরের কাগজ পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি শাহ আলম সরকার সাজু সাংবাদিক ও গোবিন্দগঞ্জ নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক আব্দুল মতিন মোল্লা কে পুলিশি নির্যাতন ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করেন। তিনি দৈনিক সমকালের সাংবাদিক এনামূল হককে মারপিট করে আহত করেন।
গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কমিটির সভাপতি হওয়ার সুবাদে
উপজেলা শিক্ষা অফিসারের অধীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ২৫০ জন প্রার্থীর দপ্তরি কাম নৈশ প্রহরী নিয়োগে প্রায় ১০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
গোবিন্দগঞ্জে নিয়োগ-বাণিজ্য, ডিও লেটার বাণিজ্য, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতি নির্বাচন বাণিজ্য।
এনার প্রধান শক্তি ছিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যের প্রভাব।
তিনি এলাকার অবৈধ বালু দস্যুদের অন্যতম প্রশ্রয়দাতা।
জিনের বাদশার(প্রতারক চক্র)
আশ্রয়- প্রশ্রয় দানকারী গড ফাদার। তিনি ২০২১ সালে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চতুর্থ ধাপে গোবিন্দগঞ্জের ১৪টি ইউনিয়নে নৌকার বিরুদ্ধে প্রার্থীর পক্ষ নেন।
স্থানীয় ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরাবরই তিনি নৌকার বিরুদ্ধে অবস্থান করে থাকেন সকলের অভিযোগ।
এমপি ও আওয়ামী লীগের সভাপতি থাকা অবস্থায় থানায় গ্রেফতারকৃত জামায়াত নেতার পক্ষনেন।
মুখে ও লোক দেখানো দলীয় কর্মকাণ্ড করলেও ব্যক্তি গ্রুপ রাজনীতি চর্চা করেন।
তিনি আওয়ামী লীগ রাজনীতির অন্তরালে মাদক এর গডফাদার, চোরাচালান বানিজ্য, জুয়া সহ ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দৈনিক মুক্তির লড়াই পত্রিকার চতুর্থ বর্ষে পদার্পন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) এ ৩ হত্যা মামলার প্রধান আসামী আবুল কালাম এর হাতে নৌকার

আপডেট সময় ০৫:২৩:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৩

মোঃ রফিকুল ইসলাম রাফিক, গাইবান্ধা

৩২, গাইবান্ধা-৪, গোবিন্দগঞ্জ আসনে আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পেয়েছেন তিনটি হত্যা ও দূর্নীতি মামলার প্রধান আসামী জ্বীনের বাদশার নেতা মোঃ আবুল কালাম আজাদ।

এ ঘটনা কে কেন্দ্র করে জনসাধারণের মধ্যে ব্যাপক সমালোচনা ও মনোনয়ন পরিবর্তনের দাবি উঠেছে।
মামলা সুত্রে ও সরোজমিনে জানাগেছে- মোঃ আবুল কালাম আজাদ সাবেক জাসদ ও বাসদ ছাত্রলীগ থেকে রাজনীতি শুরু। ১৯৮৬ সালে ছাত্র ইউনিয়ন নেতা ময়নুল আক্তার রুবেল হত্যার মধ্য দিয়ে তার পরিচিতি ও সাজা হওয়ার পর মামলাটি হাইকোর্টে রয়েছে।
১৯৮৮ সালে গুমানিগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ব্যালট ছিনিয়ে নিয়ে চেয়ারম্যান হয়।উল্লেখ্য ১৯৯৬ সালে জাসদ মনোনীত এমপি প্রার্থী মশাল মার্কা নিয়ে ভোট করেন ও জামানত হারায়।
তিনি চরম আওয়ামী লীগ বিরোধী ব্যক্তিদের অন্যতম। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসীন হওয়ার পর ১৯৯৭ইং যোগদান করে নিজেকে আওয়ামী লীগ নেতা হিসেবে গ্রুপিং শুরু করেন।
১৯৯৮সালে সাবেক সভাপতি মরহুম জননেতা তোজাম্মেল হোসেন প্রধান এর সঙ্গে হাঙ্গামা সহ ভাড়া বাসায় হামলা করে খুন,জখম সহ তছনছ করে,যার থানায় মামলা হয়েছিল।
জামায়াতের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় ২০০৪ সালে গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার চেয়ারম্যান হন।
পরবর্তীতে দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ২০০৬ সালে উপনির্বাচনে বিএনপি’র বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র এমপি নির্বাচন করে ব্যাপক ভোটে হেরে যান।
২০০৮ সালের ২৯শে ডিসেম্বর নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের
মনোনয়নে নৌকা মার্কা নিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রকৌশলী মোঃ মনোয়ার হোসেন চৌধুরী বিএনপি -চার দলীয় জোটের প্রার্থীর চেয়ে দ্বিগুণ এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থীর চেয়ে তিনগুণ ভোটে এমপি নির্বাচিত হন। ৩৫ বছর পর আসনটি আওয়ামী লীগের দখলে আসে।
জনাব মোঃ মনোয়ার হোসেন চৌধুরী এমপি মহোদয়ের সমর্থনে ২০০৯ সালে আবুল কালাম আজাদ উপজেলা চেয়ারম্যান হন।
উপজেলা চেয়ারম্যান থাকাকালীন নাকাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাতীয় পার্টির সভাপতি মোঃ সাহারুল হুদাকে প্রকাশ্যে উপজেলা চত্বরে মারপিট করে আহত করেন।
আঃ কালাম আজাদ ২০১৪ ইং সালে নৌকার বিরুদ্ধে ভোট মেরে নিয়ে স্বতন্ত্র এম পি হন বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্বতন্ত্র এমপি হওয়ার পর থেকেই শুরু করেন এলাকায় সন্ত্রাসের রাজত্ব। সাংবাদিক ও আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীকে মিথ্যা মামলা-হয়রানি, হত্যার চেষ্টা সহ প্রশাসনকে জিম্মি করে লুটপাট, প্রকাশ্যে লগ্ননৃত‌্য, হাউজি, জুয়া, ক্যাসিনো এমনকি উপজেলা প্রশাসন ভবনের নিকট ৩ মাস যাবৎ পরিচালনা করেন হাউজি- জুয়া।
তিনি ক্যাডার পোষেন। তার বিরুদ্ধে কথা বললে নির্যাতন ও মিথ্যা মামলায় হয়রানির শিকার হতে হয়।
২০১৭ সালে ২২কোটি টাকার জি আর চাল আত্বসাতের জন্য দূর্নীতি দমন কমিশন রংপুর কর্তৃক দায়েরকৃত নং ০৯/২০২১ মামলার তদন্তে পাওয়া আসামী।
২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত এলাকার বিভিন্ন স্থানে জুয়া, হাউজি ,বউ বাজি, ফিস বাজি, ওয়ান টেন, নগ্ননৃত্য চালিয়ে শত কোটি টাকা হাতিয়েনেন। ২২ডিসেম্বর /২০১৪ তারিখে গোবিন্দগঞ্জ শহীদ মিনার পাদদেশে গোবিন্দগঞ্জ নাগরিক কমিটির আহবানে হাউজি, জুয়া ও মাদকের বিরুদ্ধে অনশনরত অবস্থায় গোবিন্দগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও গোবিন্দগঞ্জ নাগরিক কমিটির উপদেষ্টা সদস্য আ ফ ম মজিবর রহমান ফুল মিয়াকে তিনি ও তার ক্যাডার বাহিনী বেদম মারপিট করে আহত করেন ও ওয়ার্কার্স পার্টির গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা শাখা দখল করে তার অনুসারীকে দিয়ে দেন।
সাবেক স্বতন্ত্র এমপি আবুল কালাম আজাদ এর সময়ে এলাকায় নারী শিশুসহ প্রায় ১০০ ব্যক্তি নিহত হয়। উল্লেখ্য-উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র মোঃ আতাউর রহমান সরকারের একমাত্র শিশু পুত্র আশিকুর রহমান সাম্য খুন হন তার ক্যাডার বাহিনী কর্তৃক।
অপরদিকে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা নৃত্যরঞ্জন সরদার এর স্ত্রী খুন হয় তার ক্যাডার লুৎফর বাহিনী কর্তৃক।
২০১৪ নৌকার পক্ষে ভোট করায় ও হাউজি জুয়ার বিরুদ্ধে সংবাদ করায় সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও সাপ্তাহিক কাটাখালী পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও সাংবাদিক মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন আকন্দ-কে ৫ই আগষ্ট ২০১৫ ইং উপজেলা প্রশাসন চত্বরে তার আস্তানায় তুলে নিয়ে নিজে মারপিট করে হত্যার চেষ্টা করেন। মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করেন।
দৈনিক ভোরের কাগজ পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি শাহ আলম সরকার সাজু সাংবাদিক ও গোবিন্দগঞ্জ নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক আব্দুল মতিন মোল্লা কে পুলিশি নির্যাতন ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করেন। তিনি দৈনিক সমকালের সাংবাদিক এনামূল হককে মারপিট করে আহত করেন।
গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কমিটির সভাপতি হওয়ার সুবাদে
উপজেলা শিক্ষা অফিসারের অধীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ২৫০ জন প্রার্থীর দপ্তরি কাম নৈশ প্রহরী নিয়োগে প্রায় ১০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
গোবিন্দগঞ্জে নিয়োগ-বাণিজ্য, ডিও লেটার বাণিজ্য, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতি নির্বাচন বাণিজ্য।
এনার প্রধান শক্তি ছিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যের প্রভাব।
তিনি এলাকার অবৈধ বালু দস্যুদের অন্যতম প্রশ্রয়দাতা।
জিনের বাদশার(প্রতারক চক্র)
আশ্রয়- প্রশ্রয় দানকারী গড ফাদার। তিনি ২০২১ সালে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চতুর্থ ধাপে গোবিন্দগঞ্জের ১৪টি ইউনিয়নে নৌকার বিরুদ্ধে প্রার্থীর পক্ষ নেন।
স্থানীয় ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরাবরই তিনি নৌকার বিরুদ্ধে অবস্থান করে থাকেন সকলের অভিযোগ।
এমপি ও আওয়ামী লীগের সভাপতি থাকা অবস্থায় থানায় গ্রেফতারকৃত জামায়াত নেতার পক্ষনেন।
মুখে ও লোক দেখানো দলীয় কর্মকাণ্ড করলেও ব্যক্তি গ্রুপ রাজনীতি চর্চা করেন।
তিনি আওয়ামী লীগ রাজনীতির অন্তরালে মাদক এর গডফাদার, চোরাচালান বানিজ্য, জুয়া সহ ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন।