• সোমবার, ০২ অগাস্ট ২০২১, ১০:৪৫ পূর্বাহ্ন
  • Bengali Bengali English English
শিরোনাম
পাচার বাণিজ্যে মতানৈক্যের জেরে সীমান্তে অপহৃত নাবালক ৬ চিকিৎসক নিয়ে ধুঁকে ধুঁকে চলছে বরগুনা সরকারি হাসপাতাল সামাজিক দূরত্ব ভুলে রাসিক মেয়র লিটনের খাদ্য সামগ্রী বিতরন সলঙ্গায় ১০কেজি গাঁজাসহ মাদক ব‍্যবসায়ী আটক বরুড়ায় ১৫০ অক্সিজেন সিলিন্ডার দিলেন এসকিউ গ্রুপের শফিউদ্দিন শামীম বাবার মৃত্যুর একদিন পর মাকেও হারালেন সহকারী এটর্নি জেনারেল এড. ফারুক সাতক্ষীরা শহরের বাগানবাড়িতে ভূমিহীনদের পুর্নবাসনের দাবিতে উঠান বৈঠক আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মুরাদনগরে দিনব্যাপী ডিউটি অফিসারের ভূমিকায় এএসপি রূপগঞ্জে ওয়ারেন্টভুক্ত চার পলাতক আসামি গ্রেফতার
বিজ্ঞাপন
মুক্তিকামী জনতার দৈনিক 'মুক্তির লড়াই' পত্রিকার জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে ব্যুরো চীফ, প্রতি জেলা ও উপজেলার একজন করে প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আবেদন করুন। যোগাযোগের ঠিকানাঃ কামরুজ্জামান জনি- সম্পাদক, মুক্তির লড়াই। ইমেইলঃ jobmuktirlorai@gmail.com । ধন্যবাদ ।

চট্টগ্রাম মেডিকেলে রোগীদের ফাঁদে ফেলে অতিরিক্ত টাকা নিচ্ছে দালালরা

news / ৫১ বার ভিউ করা হয়েছে
বাংলাদেশ সময় বুধবার, ৩০ জুন, ২০২১

ডেস্ক রিপোর্ট: ৩০০ টাকার এক্স-রে ২ হাজার ৩০০ টাকা। আর ১০০ টাকার করোনার নমুনা পরীক্ষা ৬০০ টাকা। চট্টগ্রাম মেডিকেলের খোদ করোনা ওয়ার্ডের রেড জোনের ভেতরেই অসহায় ও গরিব রোগীদের ফাঁদে ফেলে ৫ থেকে ৬ গুণের বেশি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে দালাল চক্র।

আর এটি তাদের পছন্দের দোকান ও ল্যাব থেকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছে। দালালদের পেছনে আছে রাজনৈতিক ছত্রছায়া।
করোনা আক্রান্ত বাবাকে চট্টগ্রাম মেডিকেলের রেড জোনে ভর্তি করেছেন সাগর নামের এক ব্যক্তি। এক ওয়ার্ড বয়ের যোগসাজশে দালালের খপ্পরে পড়ে করোনা ওয়ার্ডের ভেতরেই নকল মেশিনে করান বুকের এক্স-রে। ৩০০ টাকার এক্স-রে করতে নেন দুই হাজার ৩০০ টাকা। রিপোর্ট দেখার পর চিকিৎসক জানান পুরোটাই ভুয়া।
ভুক্তভোগী সাগর জানান, এমনতেই ভোগান্তির শেষ নেই তারপর দালালদের অত্যাচার চরমে উঠেছে এ হাসপাতালে।
সরকারি নিয়মানুযায়ী ১০০ টাকা দিতে হয় নমুনার পরীক্ষা করার জন্য। কিন্তু সজল বড়ুয়ার কাছ থেকে দালাল চক্র হাতিয়ে নিয়েছে ৬১০ টাকা।

ভুক্তভোগী সজল বড়ুয়া জানান, এ হাসপাতালে রশিদে লেখা আছে ১০০টা আর আমার কাছে থেকে তারা নিয়েছে ৬১০ টাকা। এটা সেবা দেওয়া বলে না।
এ হাসপাতালে আসা কয়েক ব্যক্তি জানান, তাদের প্রতিটি পদে পদে দুর্নীতি। তিনতলা থেকে নিচে রোগীকে স্ট্রেচারে করে নামিয়ে দিলে ১০০ টাকা দিতে হয়, আবার উঠেয়ে দিলেও ১০০ টাকা দিতে হচ্ছে।
বেপরোয়া এসব দালালচক্র গরিব ও অসহায় রোগীদের টার্গেট করে। পরে তাদের পছন্দের দোকান থেকে ওষুধ এবং ল্যাব থেকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে বাধ্য করে ফাঁদে ফেলে হাতিয়ে নেয় ৪ থেকে ৫ গুণ বেশি টাকা।
আর এ অনিয়মের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকেই দায়ী করছেন চট্টগ্রামের সনাক সভাপতি আখতার কবির চৌধুরী।
চট্টগ্রাম মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালের পরিচালক এস এম হুমায়ুন কবির জানান, দালাল প্রতিরোধে কমিটি করেও তাদের দমানো যাচ্ছে না। বলেন, তাদের ধরে পুলিশে দিয়েছি। পরের দিন তারা আবার ছাড়া পেয়ে যাচ্ছে। এভাবে আসলে আমরা পুলিশে দিয়েও এ সমস্যার সমাধান করতে পারছি না।
রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় চট্টগ্রাম মেডিকেলে ১০টির বেশি দালাল চক্র আছে। তবে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী রবিউল ইসলামের নেতৃত্বে সোহাগ, সুজন, সাজ্জাদ ও সবুজের চক্রটি সবচে বেশি সক্রিয়।


এই বিভাগের আরো সংবাদ