বিজ্ঞাপন
মুক্তিকামী জনতার দৈনিক 'মুক্তির লড়াই' পত্রিকার জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে ব্যুরো চীফ, প্রতি জেলা ও উপজেলার একজন করে প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আবেদন করুন। যোগাযোগের ঠিকানাঃ কামরুজ্জামান জনি- সম্পাদক, মুক্তির লড়াই। ইমেইলঃ jobmuktirlorai@gmail.com । ধন্যবাদ ।

চাকরিতে ৩০% কোটা বহাল সহ ৭ দফা দাবিতে শাহবাগে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের অবরোধ

Muktir Lorai / ২৫৫ বার ভিউ করা হয়েছে
বাংলাদেশ সময় সোমবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২০

স্টাফ রিপোর্টারঃ সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে সব পদে মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুনর্বহাল করাসহ সাত দফা দাবিতে শাহবাগ মোড় অবরোধ করেছেন চাকরিপ্রার্থীরা। সোমবার দুপুরে প্রায় এক ঘণ্টা শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের নেতাকর্মীরা এ অবরোধ করেন।

সোমবার সকাল ১০টায় জাতীয় জাদুঘরের সামনে মানববন্ধন করলেও দুপুর ১২টার দিকে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের চেয়ারম্যান মোঃ সোলায়মান মিয়ার নেতৃত্বে প্রায় ৩ হাজার নেতাকর্মী শাহবাগ অবরোধ করেন। পুলিশের বাধার মুখে এক ঘণ্টাব্যাপী চলা তাদের এই অবরোধের কারণে শাহবাগ ও এর আশপাশের তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এ সময় তারা ২৩ জানুয়ারি থেকে টানা অবরোধের ঘোষণাও দেন।

তাদের সাত দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- চাকরির ক্ষেত্রে সব পদে মুক্তিযোদ্ধা ৩০% কোটা পুনর্বহাল, মুক্তিযোদ্ধাদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবার সুরক্ষায় আইন পাস, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নির্বাচনে শহীদ বা মৃত মুক্তিযোদ্ধা ও অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের একজন প্রতিনিধিকে ভোটার করা, ১৯৭২ সালের সংজ্ঞা অনুযায়ী স্বচ্ছ তালিকা প্রণয়ন, সিনেমা, সিরিয়াল, নাটকের চরিত্রের মুজিব কোট পরা নিষিদ্ধ করাসহ মন্দ লোকদের মুজিব কোট পরার বিরুদ্ধে আইন প্রণয়ন, মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের পরিত্যক্ত সম্পত্তি দখলমুক্ত করে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর, টাঙ্গাইলে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল লতিফ খান, বীর সন্তান মেজর সিনহা ও এএসপি আনিসুর করিমের পরিকল্পিত হত্যার বিচারসহ সারা দেশে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের ওপর হামলা-নির্যাতন ও জমিদখলের বিরুদ্ধে কঠোর আইনিব্যবস্থা এবং হাসপাতাল, সরকারি অফিস, বিমানবন্দরসহ সব ক্ষেত্রে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ভিআইপি মর্যাদা দেয়া।

এ সময় বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের চেয়ারম্যান মোঃ সোলায়মান মিয়া বলেন, কোটা সংস্কারের দাবি উঠল, কিন্তু বাতিল কেন হলো? কোটা সংস্কার হোক তাতে আমাদের আপত্তি নেই, কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের চেতনা রক্ষার্থে সব পদে মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুনর্বহাল করতে হবে। সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সুরক্ষা আইন পাস করে তাদের মর্যাদা নির্ধারণ করতে হবে। মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নির্বাচনে মৃত ও অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের একজন প্রতিনিধিকে ভোটার করতে হবে। ১৯৭২-এর সংজ্ঞা অনুযায়ী মুক্তিযোদ্ধার তালিকা থেকে ভুয়াদের বাদ দিতে হবে।’

পুলিশের বাধার মুখে তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের সঙ্গে অন্যায় আমরা মেনে নেব না। আজ আমরা অবরোধ শেষ করছি, তবে ২৩ ফেব্রুয়ারী সবাই চলে আসবেন। ২৩ ফেব্রুয়ারী থেকে আমরা টানা শাহবাগ অবরোধ করব। সবাই অন্তত সাত দিনের প্রস্তুতি নিয়ে আসবেন। দরকার হলে আমরা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে তাঁবু টাঙিয়ে আমরা থাকব, তবু আমরা আমাদের দাবি থেকে পিছুপা হবেনা।


এই বিভাগের আরো সংবাদ
Translate »
Translate »