ঢাকা ০২:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ৪ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম আর নেই

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম চৌধুরী মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৬৩ বছর।
তিনি দীর্ঘদিন লিভার সিরোসিসে ভুগছিলেন। লিভার ট্রান্সপ্লান্টের জন্য সম্প্রতি দিল্লি যাওয়ার কথা ছিল তার। কামরুল ইসলাম চৌধুরী স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়েসহ আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। বুধবার সকালে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ির নিজ গ্রামে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
তার মৃত্যুতে দৈনিক মুক্তির লড়াই পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক কামরুজ্জামান জনি, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন ও সাধারণ সম্পাদক শ্যামল দত্ত গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এক বিবৃতিতে তারা মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকাহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

কামরুল ইসলাম চৌধুরী বাংলাদেশে পরিবেশ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ ছিলেন। তিনি পরিবেশ সাংবাদিক ফোরামের সভাপতিও ছিলেন। বিভিন্ন সময়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পরিবেশ সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন তিনি। সাংবাদিকতার মাধ্যমে পরিবেশ উন্নয়ন ও সুরক্ষায় ভূমিকা রাখার জন্য ‘লায়নস অ্যাওয়ার্ড ফর প্রফেশনালস অ্যাকসিলেন্স’ পুরস্কার লাভ করেন। এ ছাড়া তিনি ইকোনোমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) স্থায়ী সদস্য ছিলেন।

কামরুল ইসলাম চৌধুরী ১৯৬০ সালের ৩০ ডিসেম্বর নোয়াখালীর সোনাইমুড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। গত ডিসেম্বরে তিনি বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা থেকে বার্তা সম্পাদক হিসেবে অবসর নেন। এর আগে তিনি দীর্ঘদিন দৈনিক সংবাদে কাজ করেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম আর নেই

আপডেট সময় ০৬:৩৮:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ মে ২০২৩

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম চৌধুরী মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৬৩ বছর।
তিনি দীর্ঘদিন লিভার সিরোসিসে ভুগছিলেন। লিভার ট্রান্সপ্লান্টের জন্য সম্প্রতি দিল্লি যাওয়ার কথা ছিল তার। কামরুল ইসলাম চৌধুরী স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়েসহ আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। বুধবার সকালে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ির নিজ গ্রামে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
তার মৃত্যুতে দৈনিক মুক্তির লড়াই পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক কামরুজ্জামান জনি, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন ও সাধারণ সম্পাদক শ্যামল দত্ত গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এক বিবৃতিতে তারা মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকাহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

কামরুল ইসলাম চৌধুরী বাংলাদেশে পরিবেশ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ ছিলেন। তিনি পরিবেশ সাংবাদিক ফোরামের সভাপতিও ছিলেন। বিভিন্ন সময়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পরিবেশ সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন তিনি। সাংবাদিকতার মাধ্যমে পরিবেশ উন্নয়ন ও সুরক্ষায় ভূমিকা রাখার জন্য ‘লায়নস অ্যাওয়ার্ড ফর প্রফেশনালস অ্যাকসিলেন্স’ পুরস্কার লাভ করেন। এ ছাড়া তিনি ইকোনোমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) স্থায়ী সদস্য ছিলেন।

কামরুল ইসলাম চৌধুরী ১৯৬০ সালের ৩০ ডিসেম্বর নোয়াখালীর সোনাইমুড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। গত ডিসেম্বরে তিনি বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা থেকে বার্তা সম্পাদক হিসেবে অবসর নেন। এর আগে তিনি দীর্ঘদিন দৈনিক সংবাদে কাজ করেন।