ঢাকা ০৭:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

টেকনাফে মায়ের লাশ ঘরে রেখে এসএসসি পরীক্ষা দিলেন দুই বোন

কক্সবাজার টেকনাফে মা আনোয়ারা বেগমের লাশ ঘরে রেখে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন সাদিয়া আক্তার ও শারমিন আক্তার নামে দুই শিক্ষার্থী।

মঙ্গলবার (০২ মে) এসএসসি পরীক্ষার দ্বিতীয় দিনে টেকনাফ এজাহার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষা দেন তারা।

এ হৃদয় বিদারক ঘটনায় পরীক্ষা কেন্দ্রে, সহপাঠী ও শিক্ষকদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে।

পরীক্ষার্থী সাদিয়া ও শারমিন উপজেলার সাবরাং ইউপির ৪ নম্বর ওয়ার্ড পান ছড়ি পাড়া গ্রামের জহির আহমেদের মেয়ে। তারা সাবরাং উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মানবিক বিভাগ হতে এবার পরীক্ষা দিচ্ছেন।

তাদের বাবা জহির আহমেদ জানান, সাদিয়া ও শারমিনের মা দীর্ঘদিন ধরে ডায়বেটিস ও হার্টের সমস্যায় আক্রান্ত ছিলেন। মঙ্গলবার ভোররাত ৩টার দিকে নিজ বাড়িতে তিনি ইন্তেকাল করেন।

মঙ্গলবার সকাল ১১টায় তাদের পরীক্ষা শুরু হয়। তাই মায়ের লাশ বাড়িতে রেখে কাঁদতে কাঁদতে এসএসসি পরীক্ষা দিতে যান সাদিয়া আকতার ও শারমিন আকতার।

টেকনাফ উপজেলা ভারপ্রাপ্ত মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও একাডেমির সুপার নুরুল আবছার জানান, ঘটনাটি আসলেই দুঃখজনক। সহপাঠী ও পরীক্ষা কেন্দ্র সচিবদের সহযোগিতায় মেয়েরা পরীক্ষা দেন। এ ঘটনায় সবাই শোকাহত।

আপলোডকারীর তথ্য

টেকনাফে মায়ের লাশ ঘরে রেখে এসএসসি পরীক্ষা দিলেন দুই বোন

আপডেট সময় ০১:৫৪:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ মে ২০২৩

কক্সবাজার টেকনাফে মা আনোয়ারা বেগমের লাশ ঘরে রেখে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন সাদিয়া আক্তার ও শারমিন আক্তার নামে দুই শিক্ষার্থী।

মঙ্গলবার (০২ মে) এসএসসি পরীক্ষার দ্বিতীয় দিনে টেকনাফ এজাহার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষা দেন তারা।

এ হৃদয় বিদারক ঘটনায় পরীক্ষা কেন্দ্রে, সহপাঠী ও শিক্ষকদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে।

পরীক্ষার্থী সাদিয়া ও শারমিন উপজেলার সাবরাং ইউপির ৪ নম্বর ওয়ার্ড পান ছড়ি পাড়া গ্রামের জহির আহমেদের মেয়ে। তারা সাবরাং উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মানবিক বিভাগ হতে এবার পরীক্ষা দিচ্ছেন।

তাদের বাবা জহির আহমেদ জানান, সাদিয়া ও শারমিনের মা দীর্ঘদিন ধরে ডায়বেটিস ও হার্টের সমস্যায় আক্রান্ত ছিলেন। মঙ্গলবার ভোররাত ৩টার দিকে নিজ বাড়িতে তিনি ইন্তেকাল করেন।

মঙ্গলবার সকাল ১১টায় তাদের পরীক্ষা শুরু হয়। তাই মায়ের লাশ বাড়িতে রেখে কাঁদতে কাঁদতে এসএসসি পরীক্ষা দিতে যান সাদিয়া আকতার ও শারমিন আকতার।

টেকনাফ উপজেলা ভারপ্রাপ্ত মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও একাডেমির সুপার নুরুল আবছার জানান, ঘটনাটি আসলেই দুঃখজনক। সহপাঠী ও পরীক্ষা কেন্দ্র সচিবদের সহযোগিতায় মেয়েরা পরীক্ষা দেন। এ ঘটনায় সবাই শোকাহত।