ঢাকা ০৩:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

ঠাকুরগাঁওয়ে মৎস্য অভয়াশ্রমগুলোর বেহাল দশা

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের সংরক্ষণ,তদারকি আর খননের অভাবে সুফল মিলছেন না বেশিরভাগ মৎস্য অভয়াশ্রম থেকে। এর ফলে সরকারি এ প্রকল্পের অর্থ ভেস্তে যাওয়ার শংকা স্থানীয়দের। আর জেলা মৎস্য বিভাগ কর্তৃপক্ষ দূর্বলতার কথা স্বীকার করে ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলছেন।

তীব্র তাপদাহে শুকিয়ে যাচ্ছে নদী-নালা খাল বিল ও জলাশয়ের পানি। এ অবস্থায় দেশীয় প্রজাতি মাছের চাহিদা পুরণে উৎপাদনের লক্ষ্যে ঠাকুরগাঁও জেলা মৎস্য বিভাগ কর্তৃপক্ষ প্রকল্প হাতে নিয়ে নদী ও জলাশয়ে অভয়াশ্রম গড়ে তোলে। তবে গড়ে তোলা এসব বেশিরভাগ অভয়াশ্রম এখন শুধু নামেই।

সদর উপজেলার বুড়িবাঁধ, টাংগন ও ভুল্লী নদীসহ কয়েকটি অভয়াশ্রম ঘুরে দেখা গেছে, হাঁটু পানির উপর সামন্য বাঁশ খুটিতে জড়িয়ে আছে ময়লা আবর্জনা। আবার কোনটির চারপাশ পানি শুকিয়ে গেছে। এ সুযোগে যে যার মতো করে মাছ ধরেছে সেখানে।

অভয়াশ্রমের সন্নিকটে সাইবোর্ড টাংঙ্গিয়ে সর্তকতার কথা জানান দিলেও দায়সারা কার্যক্রম ও তদারকির অভাবকে দায়ী করার পাশাপাশি সরকারি এ প্রকল্পের অর্থ ভেস্তে যাওয়ার শংকা স্থানীয়দের। মাছের চাহিদা পুরণে কার্যত পদক্ষেপের দাবি এখন সবার।

তদারকির অভাবে মৎস্য অভয়াশ্রমগুলোর এখন বেহাল দশা। প্রকল্প শুধু নামেই, পানি কম থাকায় মাছ শুন্য অভয়াশ্রম লোক দেখানো। দ্রুত পুঃন খননের মাধ্যমে কার্যত পদক্ষেপ নেয়ার দাবি স্থানীয় ও মৎস্য সংশ্লিস্টদের।

এ বিষয়ে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ খালেদুজ্জামান, তদারকির ঘাটতির কথা স্বীকার করে প্রতি বছর সংরক্ষনের জন্য অর্থ বরাদ্দ পেলেও পর্যাপ্ত নয় জানিয়ে খনন করাসহ অভয়াশ্রম রক্ষায় উদ্যোগ নেয়া হবে বলে নিশ্চিত করেন।

জেলা মৎস্য বিভাগের তথ্য মতে, জেলার পাঁচটি উপজেলায় নদী-নালা ও জলাশয়ে নয়টি অভয়াশ্রম রয়েছে। যা প্রতিবছর সরকারি প্রকল্পের মাধ্যমে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করছে মৎস্য বিভাগ।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে মৎস্য অভয়াশ্রমগুলোর বেহাল দশা

আপডেট সময় ০৮:২৪:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জুন ২০২৩

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের সংরক্ষণ,তদারকি আর খননের অভাবে সুফল মিলছেন না বেশিরভাগ মৎস্য অভয়াশ্রম থেকে। এর ফলে সরকারি এ প্রকল্পের অর্থ ভেস্তে যাওয়ার শংকা স্থানীয়দের। আর জেলা মৎস্য বিভাগ কর্তৃপক্ষ দূর্বলতার কথা স্বীকার করে ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলছেন।

তীব্র তাপদাহে শুকিয়ে যাচ্ছে নদী-নালা খাল বিল ও জলাশয়ের পানি। এ অবস্থায় দেশীয় প্রজাতি মাছের চাহিদা পুরণে উৎপাদনের লক্ষ্যে ঠাকুরগাঁও জেলা মৎস্য বিভাগ কর্তৃপক্ষ প্রকল্প হাতে নিয়ে নদী ও জলাশয়ে অভয়াশ্রম গড়ে তোলে। তবে গড়ে তোলা এসব বেশিরভাগ অভয়াশ্রম এখন শুধু নামেই।

সদর উপজেলার বুড়িবাঁধ, টাংগন ও ভুল্লী নদীসহ কয়েকটি অভয়াশ্রম ঘুরে দেখা গেছে, হাঁটু পানির উপর সামন্য বাঁশ খুটিতে জড়িয়ে আছে ময়লা আবর্জনা। আবার কোনটির চারপাশ পানি শুকিয়ে গেছে। এ সুযোগে যে যার মতো করে মাছ ধরেছে সেখানে।

অভয়াশ্রমের সন্নিকটে সাইবোর্ড টাংঙ্গিয়ে সর্তকতার কথা জানান দিলেও দায়সারা কার্যক্রম ও তদারকির অভাবকে দায়ী করার পাশাপাশি সরকারি এ প্রকল্পের অর্থ ভেস্তে যাওয়ার শংকা স্থানীয়দের। মাছের চাহিদা পুরণে কার্যত পদক্ষেপের দাবি এখন সবার।

তদারকির অভাবে মৎস্য অভয়াশ্রমগুলোর এখন বেহাল দশা। প্রকল্প শুধু নামেই, পানি কম থাকায় মাছ শুন্য অভয়াশ্রম লোক দেখানো। দ্রুত পুঃন খননের মাধ্যমে কার্যত পদক্ষেপ নেয়ার দাবি স্থানীয় ও মৎস্য সংশ্লিস্টদের।

এ বিষয়ে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ খালেদুজ্জামান, তদারকির ঘাটতির কথা স্বীকার করে প্রতি বছর সংরক্ষনের জন্য অর্থ বরাদ্দ পেলেও পর্যাপ্ত নয় জানিয়ে খনন করাসহ অভয়াশ্রম রক্ষায় উদ্যোগ নেয়া হবে বলে নিশ্চিত করেন।

জেলা মৎস্য বিভাগের তথ্য মতে, জেলার পাঁচটি উপজেলায় নদী-নালা ও জলাশয়ে নয়টি অভয়াশ্রম রয়েছে। যা প্রতিবছর সরকারি প্রকল্পের মাধ্যমে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করছে মৎস্য বিভাগ।