• শনিবার, ৩১ জুলাই ২০২১, ০৭:৫৮ পূর্বাহ্ন
  • Bengali Bengali English English
বিজ্ঞাপন
মুক্তিকামী জনতার দৈনিক 'মুক্তির লড়াই' পত্রিকার জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে ব্যুরো চীফ, প্রতি জেলা ও উপজেলার একজন করে প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আবেদন করুন। যোগাযোগের ঠিকানাঃ কামরুজ্জামান জনি- সম্পাদক, মুক্তির লড়াই। ইমেইলঃ jobmuktirlorai@gmail.com । ধন্যবাদ ।

তেরখাদা ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধ অনিময় ও দুর্নিতির অভিযোগ

news / ৬১ বার ভিউ করা হয়েছে
বাংলাদেশ সময় রবিবার, ২০ জুন, ২০২১

নাহিদ জামান, খুলনা প্রতিনিধি: খুলনা জেলার তেরখাদা উপজেলায় বারাসাত ইউনিয়নে এলজিএসপি -৩ এবং ২য় কিস্তিতে অনিয়মের অভিযোগে ৪,৫,৬ নং সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্য রিনা বেগম ইউনিয়ন চেয়ারম্যান এবং সচিবের বিরুদ্ধে মেম্বদের সাক্ষরিত একটি অভিযোগ পত্র উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে জমা দেন।
অভিযোগে বলা বলা হয় গত ৩ মে ২০২১ ইউনিয়নে মাসিক সাধারন সভায় ইউনিয়ন চেয়ারম্যান কে, এম আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। আমরা উক্ত সভায় ইউনিয়নের সদস্যগন ২০/২১ অর্থ বছরে চতুর্থ কিস্তির টাকা বিভাজন সম্পর্কে জানতে পারি। এছাড়া আর কোন বরাদ্দ সম্পর্কে এই মিটিং এ আলোচনা হয়নি। পরবর্তিতে আমরা জানতে পারি ২০/২১ অর্থ বছরে ৬’২৭’০৯০ টাকা এলজিএসপির আলোচনার তৃতীয় এজেন্ডা হিসাবে এলজিএসপি একই সভায় চেয়ারম্যান বিভাযোন পাস করে নেয়। যাহা আমাদের ইউপি সদস্যদের অবগত না করে গোপনে চেয়ারম্যানের সচিব জিয়ারত হোসেন জিয়া কে চেয়ারম্যানের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের কে অনেক বরাদ্দ থেকে বাদ দিয়ে যোগসাজগে এই অনিয়ম বিভাজন করে বরাদ্দ পাস করে। এর মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদের বাৎসরিক থোক বরাদ্দ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের বরাদ্দ, টি আর কাবিখার ইউনিয়ন পরিষদের ১% বরাদ্দ আমাদের বিগত ৫ বছর অবগত না করে ইউনিয়ন পরিষদ গঠন থেকে অদ্যবধি কোন কমিটি পরিবর্তন না করে ইউনিয়ন পরিষদের একাউন্ট হোল্ডার হিসাবে একক ভাবে সাবেক ১ নং ওয়ার্ডের মহিলা সংরক্ষিত আসনের সদস্য বীনা রানী কে দিয়ে একক ভাবে সাবেক ১ নং ইউনিয়ন পরিষদের ও ওয়ার্ড সভা ছাড়া অফিসিয়াল কাগজপত্র প্রস্তুত করে টাকা উত্তলন করে নেয়। যাহা বারাসাত ইউনিয়নের এলজিএসপি ব্যাপক কোন উন্নয়ন হয়েছে বলে আমাদের জানা নেই। করোনা কালীন সময়ে ইউনিয়ন বাসীর জন্য যে বরাদ্দ পাওয়া গেছে তাহাও আমাদের কে জানানো হয়নি।
অভিযোগ পত্রে সাক্ষর করেন,
সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ৪, ৫, ৬ নং ওয়ার্ডের মিসেস রিনা বেগম, ৭, ৮, ৯ নং ওয়ার্ডের হাসিনা বেগম, ৮ নং ওয়ার্ড মেম্বর পলাশ শেখ ৯ নং ওয়ার্ড মেম্বর আরিফ মোল্লা, ৪ নং ওয়ার্ড মেম্বর চাঁনমিয়া মুন্সি, ৬ নং ওয়ার্ড মেম্বর তৌহিদুর রহমান, ৩ নং ওয়ার্ড মেম্বর সঞ্জয় সরকার, ৭ নং ওয়ার্ড মেম্বর কাজী হারুনার রশিদ প্রমুখ।


এই বিভাগের আরো সংবাদ