বিজ্ঞাপন
মুক্তিকামী জনতার দৈনিক 'মুক্তির লড়াই' পত্রিকার জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে ব্যুরো চীফ, প্রতি জেলা ও উপজেলার একজন করে প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আবেদন করুন। যোগাযোগের ঠিকানাঃ কামরুজ্জামান জনি- সম্পাদক, মুক্তির লড়াই। ইমেইলঃ jobmuktirlorai@gmail.com । ধন্যবাদ ।

ত্রিপুরার পুর ও নগর ভোটে প্রত্যাশিত জয় নিশ্চিত করলো বিজেপি

Muktir Lorai / ৮৫ বার ভিউ করা হয়েছে
বাংলাদেশ সময় সোমবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২১

প্রসেনজিৎ দাস, আগরতলা : পুর ও নগর ভোটে প্রত্যাশিত জয় নিশ্চিত করলো শাসক দল। রবিবার সকাল থেকে রাজ্যে বিভিন্ন গণনা কেন্দ্রে শুরু হয় ভোট গণনার কাজ। এর আগে স্ট্রং রুম থেকে কড়া প্রহরায় নিয়ে আসা হয় ইভিএম বন্দি জনতার রায়। পরে সকাল ৮ টা থেকে শুরু হয় ভোট গণনার কাজ। গণনার শুরু থেকেই রাজ্যের প্রায় সবকটি কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থীরাই এগিয়ে থাকে। বেশ কিছু জায়গায় তৃণমূল কংগ্রেসের উত্থান খানিক্ষণের জন্য সবাইকে ভাবালেও তা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। বেলা বাড়ার সাথে সাথেই একে একে পুর ও নগর আসন দখল করতে থাকে শাসক দল। এবারে মোট ১৩ টি পুর ও নগর নিগমে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। যারমধ্যে ধর্মনগর মিউনিসিপাল কাউন্সিলে মোট ভোটার ছিল ২৯৭৯৩ জন। মতদান করেন ২৩১৭২ জন। এখানে বিজেপি পায় ১৫৭৫৩, সিপিআইএম পায় ৪৬৯৭, তৃণমূল পায় ৯২৬, কংগ্রেস পায় ৬২১, আইএনডি পায় ৩৬১, এআইএফবি পায় ৩২ টি ভোট। এখানে ভোট পরে গড়ে ৭৭.৭৮ শতাংশ। অনুরূপ ভাবে পানিসাগর নগর পঞ্চায়েতে মোট ১৩ টি আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এখানে মোট ভোটার ৫৭৯০ জন। ভোটদান করেন ৪৭৫৬ জন। বিজেপি পায় ৩১০৬, সিপিআইএম ১৪৩৩, কংগ্রেস পায় ১৩৮ টি ভোট। এখানে গড়ে ভোট পরে ৮২.১৪ শতাংশ। কৈলাশহরে মোট ভোটার ১৭০৮১ জন। এখানে বিজেপি পায় ৭৭২৬, তৃণমূল কংগ্রেস পায় ৯৯, সিপিআইএম পায় ৩৯৭৫ , কংগ্রেস পায় ১৬৯০ টি ভোট। গড় হার ৮০.৭৯ শতাংশ। কুমারঘাটে মোট ভোটার ১০২০৮ জন। বিজেপি পায় ৫২৭৩, তৃণমূল কংগ্রেস পায় ৯৭, সিপিআইএম পায় ২৬০৬, কংগ্রেস পায় ১৩৫ টি ভোট। এখানে গড় ভোটের হার ৮৩.৬২ শতাংশ। আমবাসায় মোট ভোটার ১১০০৭ জন। এখানে বিজেপি পায় ৪২৪০, তৃণমূল কংগ্রেস পায় ২৫৮৫, সিপিআইএম পায় ২১৪৫ টি ভোট। এখানে গড় ভোট হয় ৮৫.৫৬ শতাংশ। খোয়াই এ মোট ভোটার ছিল ৭৫৩৫ জন। এখানে বিজেপি পায় ৫২৭৩, সিপিআইএম পায় ১২৭৮ টি ভোট। এখানে গড়ে ভোট হয় ৮৯.৩২ শতাংশ। তেলিয়ামুড়ায় মোট ভোটার ১৫৯২৫ জন। এখানে বিজেপি পায় ৭৩১০, তৃণমূল কংগ্রেস পায় ৩৭০৫, সিপিআইএম পায় ২৩৭০, কংগ্রেস পায় ৫৭ টি ভোট। এখানে গড় ভোট হয় ৮৫.৬৯ শতাংশ। জিরানিয়াতে মোট ভোটার ৬১১ জন। এখানে বিজেপি পায় ৩১৮, আইএনডি পায় ১২৫ টি ভোট। গড় ভোট হয় ৭৪.৩০ শতাংশ। পুর নিগমের ১ থেকে ১৭ নং ওয়ার্ডে মোট ভোটার রয়েছে ১১৯,৯৯৩ জন। বিজেপি ভোট পায় ৫৫৫৭২, তৃণমূল কংগ্রেস পায় ১৯৩৭৯, সিপিআইএম পায় ১৬১৭৫, কংগ্রেস পায় ১৮৭০ টি ভোট। এখানে গড় ভোট হয় ৮০.৩৫ শতাংশ। পুর নিগমের ১৮ থেকে ৩৪ নং ওয়ার্ডে মোট ভোটার ১১০৪১০ জন। এখানে বিজেপি পায় ৪৪৬৬৬, তৃণমূল কংরে পায় ২২০৩৪, সিপিআইএম পায় ১৬৭৭৯, কংগ্রেস পায় ১৭২৭ টি ভোট। গড় হার ৮১.৮৭ শতাংশ। পুর নিগমের ৩৫ থেকে ৫১ নং ওয়ার্ডে মোট ভোটার ১১৪৮৩৬ জন। বিজেপির খাতায় যায় ৬১২০১, তৃণমূল কংগ্রেসের খাতায় ১৫২৪২, সিপিআইএম এর খাতায় ১২১৪৬, কংগ্রেসের খাতায় পরে ১৪২৭ টি ভোট। এখানে গড় হার ৮২.৩০ শতাংশ। মেলাঘর মিউনিসিপ্যালিটিতে মোট ভোটার ১১৭৩০ জন। এখানে বিজেপি পায় ৭৯৪১, সিপিআইএম পায় ১৪৫৮, কংগ্রেস পায় ৪৪০ টি ভোট। এখানে গড় ভোটের হার ৮৫.৪৩ শতাংশ। সোনামুড়া নগর পঞ্চায়েতে মোট ভোটার ছিল ৮৩৫৪ জন। এখানে বিজেপি পায় ৩৬৩২ , তৃণমূল কংগ্রেস পায় ১৪৩৩, সিপিআইএম পায় ১৯৫৫, কংগ্রেস পায় ১৫৩ টি ভোট। এখানে গড় হার ৮৮.৮৭ শতাংশ। আমারপুর নগর পঞ্চায়েতে মোট ভোটার ৮১৭২ জন। এখানে বিজেপি পায় ৪৯৭৫ , তৃণমূল কংগ্রেস পায় ৩৮৪,সিপিআইএম পায় ১৬২৫ টি ভোট। গড় হার ৮৮.০৯ শতাংশ। বিলোনিয়াতে মোট ভোটার ছিল ১৬১৩৫ জন। এখানে বিজেপিতে ভোট পরে ৮৯৬৬, তৃণমূল কংগ্রেসে ভোট পরে ৫০৪, সিপিআইএম ভোট পরে ৩১৮৬, কংগ্রেসে ভোট পরে ১০৬ টি। এখানে গড় হার ৮৪.৮০ শতাংশ। সাবরুম নগর পঞ্চায়েতে মোট ভোটার ৫৪৫৯ জন। এখানে বিজেপির খাতায় পরে ৩০১০ টি ভোট। তৃণমূল কংগ্রেসের খাতায় কোন ভোট পরে নি এখানে। সিপিআইএমের খাতায় পরে ১৫৭৪ টি ভোট। এখানে মোট ভোটের গড় হার ৮৭.৯৮ শতাংশ। এবারে মোট ১৪ টি মিউনিসিপাল কাউন্সিল ও নগর পঞ্চায়েতের ভোট গ্রহণ হয়। সব মিলিয়ে মোট ভোটার ৪৯৩০৪১ জন। এর মধ্যে মহিলা ভোটার ২৪৯৭৭৮ জন। পুরুষ ভোটার ২৪৩২৪৯ জন।


এই বিভাগের আরো সংবাদ
Translate »
Translate »