শিরোনাম
বরগুনার ঘটনায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের তদন্ত কমিটি গঠন পঞ্চগড়ে সারের জন্য দীর্ঘ লাইন, ফিরে যাচ্ছেন অনেকেই বাগেরহাটে সজীব ওয়াজেদ জয় পরিষদ কর্তৃক জাতীয় শোক দিবস পালিত বোদায় ইউএনওর ফোন নম্বর ক্লোন করে প্রতারণার চেষ্টা ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইউনিভার্সিটিতে জাতীয় শোক দিবস পালিত রূপসায় শ্রমীক নেতা আবুল হোসেনের স্বরণসভা ও দোয়া অনুষ্টিত বরগুনায় ছাত্রলীগের উপর পুলিশের বেধড়ক মারধর এর প্রতিবাদে আমতলীতে বিক্ষোভ বরগুনায় ছাত্রলীগকে পেটানো পুলিশ কর্মকর্তাকে ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত টাঙ্গাইলে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে সিএনজির ধাক্কায় দুজন নিহত কুমিল্লায় পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযানে ৭ রাইস মিলকে জরিমানা
বিজ্ঞাপন
মুক্তিকামী জনতার দৈনিক 'মুক্তির লড়াই' পত্রিকার জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে ব্যুরো চীফ, প্রতি জেলা ও উপজেলার একজন করে প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আবেদন করুন। যোগাযোগের ঠিকানাঃ কামরুজ্জামান জনি- সম্পাদক, মুক্তির লড়াই। ইমেইলঃ jobmuktirlorai@gmail.com । ধন্যবাদ ।

দুই বিদ্যালয় থেকে মাসের পর মাস বেতন নিচ্ছেন শিক্ষক শাহিন!

Muktir Lorai / ১৮৭ বার ভিউ করা হয়েছে
বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২১

গাজীপুরের শ্রীপুরে একটিতে পাঠদান করে এমপিওভুক্ত দু’টি বিদ্যালয় থেকে মাসের পর মাস বেতন তুলছেন এক শিক্ষক। এক অনুসন্ধানে বিষয়টি উঠে আসলে দোষ স্বীকার করে অর্থ ফেরত দেয়ার কথা জানান অভিযুক্ত শিক্ষক শাহীন মিয়া। জেলার শিক্ষা কর্মকর্তা বলছেন, তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মো.শাহীন মিয়া, ব্যক্তি একজন। চাকরি করেন একই সঙ্গে দুটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। শৈলাট উচ্চ বিদ্যালয়ে কম্পিউটার শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন দুবছর ধরে। বেতন ভাতা উত্তোলনও করছেন ঠিকমতো। আর পার্শ্ববর্তী তেলিহাটির আলহাজ্ব মোসলেউদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়েও আইসিটি শিক্ষক হিসেবে সশরীরে উপস্থিত না থেকেও মাসের পর মাস বেতন নিচ্ছেন। আর এ জন্য হাজিরা খাতায় তৈরি করেছেন ভুয়া উপস্থিতিও।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, দুই স্কুলের শিক্ষক হিসেবেই বেতন তুলছেন দিব্যি। মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটেও এ জালিয়াতির প্রমাণ মেলে। যেখানে দুটি প্রতিষ্ঠানেই শাহীন মিয়ার নাম, জন্ম তারিখ, ব্যাংক হিসাব নাম্বার এমন কি পৃথক ইনডেক্স নম্বর নথিভুক্ত করা হয়েছে।

শৈলাট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামরুল হাসান জানান, ইদানিং তার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ উঠেছে, এটা আমি শুনেছি। তবে তিনি আমাদের বিদ্যালয়ে প্রতিদিনই ক্লাস নিতেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক শাহীন মিয়া নিজের ভুল স্বীকার করে বলছেন অনিয়ম করে উত্তোলন করা সব টাকা ফেরত দেবেন তিনি।
জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রেবেকা সুলতানা জানান, একজন শিক্ষক কখনই দুটি বিদ্যালয়ে এক সঙ্গে চাকরি করতে পারবেন না। এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে তদন্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলেই সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রতিমাসে শৈলাট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৮ হাজার ১৭৭ টাকা ও আলহাজ্ব মোসলেউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৬ হাজার ৬২০ টাকা তুলছেন শাহীন মিয়া।

সময় সংবাদের।


এই বিভাগের আরো সংবাদ
Translate »
Translate »