• শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:১১ অপরাহ্ন
  • Bengali Bengali English English
শিরোনাম
সিএমপির পাঁচলাইশ মডেল থানার অভিযানে ০২টি স্টিলের টিপছোরা সহ ০১ জন গ্রেফতার ভান্ডারিয়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান উন্নয়নে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হাজী তৈয়েবুর রহমান সড়কের বেহালদশা শ্রীবরদীতে নদীর পাড় থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার মুরাদনগরে জালিয়াতির অভিযোগে দুদকের মামলায় শিক্ষক গ্রেফতার গাংনীর কুমারীডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি ইয়াবাসহ আটক গাংনীতে গলায় ফাঁস দিয়ে গৃহবধুর আত্মহত্যা করলা সাথে শত্রুতা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রলার ডুবিতে নিহত মামুনের পরিবার ফেরত পেল মেডিকেলে ভর্তির ১৮ লাখ টাকা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হচ্ছেন ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত
বিজ্ঞাপন
মুক্তিকামী জনতার দৈনিক 'মুক্তির লড়াই' পত্রিকার জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে ব্যুরো চীফ, প্রতি জেলা ও উপজেলার একজন করে প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আবেদন করুন। যোগাযোগের ঠিকানাঃ কামরুজ্জামান জনি- সম্পাদক, মুক্তির লড়াই। ইমেইলঃ jobmuktirlorai@gmail.com । ধন্যবাদ ।

নামের মিল থাকায় ব্যবসায়ীকে আটক, চব্বিশ ঘন্টা পর জামিনে মুক্ত

Muktir Lorai / ৭ বার ভিউ করা হয়েছে
বাংলাদেশ সময় বুধবার, ২৫ আগস্ট, ২০২১

মোঃ ইলিয়াস আলী, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ে দশ বছরেরও প্রকৃত আসামীকে খুজে না পেয়ে একই নামের নিরপরাধ এক ব্যবসায়ীকে জেল খাটালেন পুলিশ। অতঃপর ২৪ ঘন্টার মধ্যে জামিনে মুক্তি পেয়ে সংবাদ সম্মেলন করে সংশ্লিস্ট পুলিশ অফিসারের শাস্তি দাবি করেছেন। অন্যদিকে সমাজে তাকে চোর বানানো থানা হেফাজতে নির্যাতন এবং সন্মানহানি করায় ওসির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ করেছেন।মঙ্গলবার ২৪ আগস্ট সন্ধ্যার পর গ্রেফতারকৃত ব্যবসায়ী জেল থেকে মুক্ত হয়ে রাতেই সাংবাদিকদের কাছে এমন দাবি তুলে ধরেন।
সংবাদ সম্মেলনে জেল হাজত থেকে মুক্ত হওয়া ব্যবসায়ী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আমি একজন নিরপরাধ ব্যক্তি। বিনা অপরাধে বালিয়াডাঙ্গী থানার ওসি হাবিবুল হক প্রধাণ আমাকে জেলে পাঠিয়েছে। ওসি আমার কাছে মোটা অংঙ্কের অর্থ চেয়েছিল আমি দিতে অস্বিকার করায় রাতভর থানা হাজতে আমাকে নির্যাতন করে জেলে পাঠিয়েছে। এসব পুলিশ অফিসারের বিচার না হলে অনেক নিরপরাধ মানুষ জেল খাটার শংকা রয়েছে।
নিরপরাধ স্বামীকে বিনা অপরাধে জেলে পাঠানোয় আব্দুর রাজ্জাকে স্ত্রী রুপসানা আক্তার কান্না জরিত কন্ঠে বলেন, আমার স্বামীকে গ্রেফতার করার পর আমি ওসি কাছে যাই তিনি আমাকে চোরের বউ বলে খারাপ ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং থানা থেকে তারিয়ে দেন। আমি ওসির দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি করছি। সেই সাথে সমাজে হেয়প্রতিপন্ন হওয়ায় ক্ষতিপুরনের দাবি করছি।
উল্লেখ্য, গতকাল সোমবার দুপুরে জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা বাজারের মেইন রোডে নিজস্ব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বসে থাকার সময় পুলিশ পরিচয়ে সাদা পোশাকে কয়েকজন লোক তাঁকে ওই ব্যবসায়ীকে টেনে হেচরে তুলে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে পরিবারের স্বজনেরা বালিয়াডাঙ্গী থানায় গিয়ে খোঁজ নেওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয় তার নামে চুরির মামলা রয়েছে। মামলার কাগজপত্র দেখতে চাইলে সংশ্লিস্ট থানার ওসি খারাপ আচারণ করে আদালতে খোঁজ নিতে বলেন।
পরে পরিবারের লোকজন মামলার কাগজপত্র তুলে নিশ্চিত হয় ২০১১ সালে ১৬ জুন জেলার রাণীশংকৈল থানায় সাইকেল চুরির একটি মামলায় ব্যবসায়ী আব্দুর রাজ্জাককে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।
কিন্তু মামলার কাগজপত্র যাচাই দেখা যায় প্রকৃত মামলার আসামী বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার দুওসুও ইউনিয়নের জিয়াখোর গ্রামের তসলীম উদ্দীন ওরফে বুধু মোহাম্মদের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক। সে রাণীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ বাজারে সাইকেল চুরি করতে গিয়ে ধরা পরে। সে সময় বাজারের লোকজন সাইকেলসহ তাকে রাণীশংকৈল থানা পুলিশের হাতে তুলে দিলে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়। পরে আদালতে তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করে। পরবর্তিতে জামিনে মুক্ত হয়ে পালিয়ে যায় ওই আসামী।
হাজিরা না দেয়ায় দশ বছর পূর্বেই ওই মামলায় তাকে গ্রেফতারের নির্দেশ দিলেও পুলিশ তাকে আটক করতে না পেরে একই নামের ব্যক্তি বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার মহিষমারী গ্রামের আলিম উদ্দীন ওরফে বৈশাখুর ছেলে আব্দুর রাজ্জাক নামে রিপরাধ এক ব্যবসায়ী গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠায়।
এ বিষয়ে বালিয়াডাঙ্গী থানার ওসি হাবিবুল হক প্রধান সব অভিযোগ অস্বিকার করে তিনি দায় চাপান আদালতের উপর। যা করেছে আদালত করেছে। এর বাইরে তিনি কোন কথা বলতে রাজি হয়নি।


এই বিভাগের আরো সংবাদ