শিরোনাম
ঠাকুরগাঁওয়ে বিএনপির বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত সন্দ্বীপ ফ্রেন্ডস ইউনিটি ক্লাবের সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত মালদ্বীপে বৈধ পথে প্রবাসীদের রেমিটেন্স প্রেরণ সংক্রান্ত উদ্বুদ্ধকরণ সভা বরুড়ায় কিশোরের ছুরিকাঘাতে বাবার মৃত্যু মাপে কম দেওয়ায় ঝিনাইদহ ও কালীগঞ্জে দুই পাম্পে এক লক্ষ টাকা জরিমানা ছাত্রী’কে যৌন হয়রানি : নিমসার জুনাব আলী কলেজের অধ্যক্ষের পদত্যাগ দাবিতে প্রতিবন্দী রিকশা চালক জয়নাল মিয়ার মাথার ওপর ভেন্না পাতার ছানি ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি-সম্পাদকের বিরুদ্ধে পদ-বাণিজ্যের অভিযোগ দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে নরসিংদীতে জাতীয় পার্টির মানববন্ধন মানুষ না খেয়ে নাই, গায়ে জামাকাপড়ও আছে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী
বিজ্ঞাপন
মুক্তিকামী জনতার দৈনিক 'মুক্তির লড়াই' পত্রিকার জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে ব্যুরো চীফ, প্রতি জেলা ও উপজেলার একজন করে প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আবেদন করুন। যোগাযোগের ঠিকানাঃ কামরুজ্জামান জনি- সম্পাদক, মুক্তির লড়াই। ইমেইলঃ jobmuktirlorai@gmail.com । ধন্যবাদ ।

নারী ও শিশু নির্যাতন বন্ধে আইনের কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিতের আহ্বান

Muktir Lorai / ১৩০ বার ভিউ করা হয়েছে
বাংলাদেশ সময় বুধবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২০

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০৭:২৩ পিএম
চলমান করোনা সংকটের কারণে নারী ও কন্যা শিশু নির্যাতনের ঘটনা ভয়াবহ অবস্থায় পৌঁছেছে বলে অভিমত ব্যক্ত করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি, আর্থিক অস্বচ্ছলতা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাংশের দৃশ্যমান অদক্ষতা, অবহেলা ও পক্ষপাতিত্ব, বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রিতা, নিরাপত্তাহীনতা এবং সম্পদ ও ক্ষমতার যোগসাজশসহ নানা কারণে নারী নির্যাতন বেড়েছে বলে দাবি করেছে দুর্নীতি বিরোধী প্রতিষ্ঠানটি।

বুধবার (২৫ নভেম্বর) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা জানায় টিআইবি।

প্রতিষ্ঠানটির দাবি, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই যথাসময়ে অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির অভাবে ধর্ষণের মতো অপরাধ প্রতিরোধ করাও সম্ভব হচ্ছে না। এছাড়া, সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে টিআইবি নারী ও কন্যা শিশু নির্যাতনের ঘটনায় জড়িতদের কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছে।

বিবৃতিতে টিআইবি নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘করোনা মহামারি স্বাস্থ্য সংকটের পাশাপাশি নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতাকেও বহুগুণে বাড়িয়ে দিয়েছে। নির্যাতিত নারীদের আইনি সহায়তা প্রদান করে এমন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের হিসেবে গত বছরের তুলনায় এ বছর মার্চ-এপ্রিল মাস নাগাদ নারী নির্যাতনের ঘটনা ৭০ শতাংশ বেড়েছে। গত জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত ধর্ষণ বা ধর্ষণচেষ্টার শিকার হয়েছেন ১৯২ জন। চলতি বছরের প্রথম ৯ মাসে পারিবারিক নির্যাতনে খুন হয়েছেন ২৩৫ জন নারী। একইসঙ্গে, ধর্ষণের মতো পাশবিক অপরাধের ক্ষেত্রে ন্যায় বিচার নিশ্চিতের অভাবে ক্রমান্বয়ে তা মহামারির মতোই ছড়িয়ে পড়ছে।’

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন-২০০০ এবং পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন-২০১০ বলবৎ থাকার পরেও এসব আইনে দায়ের হওয়া মামলায় খুব কমই দোষীদের সাজা হয় উল্লেখ করে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘৯টি সরকারি ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার-এর একটির হিসেবে প্রায় ১১ হাজার নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনার মধ্যে মাত্র ১৬০টি ক্ষেত্রে চূড়ান্তভাবে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা সম্ভব হয়েছে। চূড়ান্ত বিচারে মাত্র ১ শতাংশ তাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত নির্যাতনের ন্যায় বিচার পেয়েছেন বলে জানা যায়। অর্থাৎ ৯৯ শতাংশ ঘটনার ক্ষেত্রে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা যায়নি। যা আইনের কার্যকর প্রয়োগ ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে খুবই উদ্বেগজনক একটি চিত্র।’

বর্তমানে প্রায় ১৫ শ মামলা উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশের কারণে বিচার কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে উল্লেখ করে টিআইবি নির্বাহী পরিচালক বলছেন, ‘বিচার প্রক্রিয়া দীর্ঘ করার মাধ্যমে বিচারহীনতার ঝুঁকি সৃষ্টি করা হচ্ছে। সাধারণ ভুক্তভোগী যেখানে স্থানীয় পর্যায়ে থানা-পুলিশ করতেই অনভ্যস্ত কিংবা হয়রানির শিকার হয়, সেখানে উচ্চ আদালত পর্যন্ত মামলা পরিচালনা করা তাদের কল্পনারও অতীত বিধায় অনেকেই আইনের এই মারপ্যাঁচ ও দীর্ঘসূত্রিতার কারণে ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়।’


এই বিভাগের আরো সংবাদ
Translate »
Translate »