• শুক্রবার, ৩০ জুলাই ২০২১, ০৬:৪৪ পূর্বাহ্ন
  • Arabic Arabic Bengali Bengali English English
শিরোনাম
হেলেনা জাহাঙ্গীরকে আটক করেছে র‌্যাব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চলমান ছুটি বাড়লো ৩১ আগষ্ট পর্যন্ত হেলেনা জাহাঙ্গীরের বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার নবীগঞ্জে বিধিনিষেধ অমান্য করায় জরিমানা পবায় প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় পরিবারের মাঝে ঢেউটিন বিতরণ সরাইলে নমুনা দেয়ার আগেই ঢলে পড়লেন মৃত্যুর কোলে শনিবার থেকে নিবন্ধনকারীদের করোনার টিকা দেওয়া হবে রাজশাহী টিচার্স ট্রেনিং কলেজে পবায় কোভিড-এ ক্ষতিগ্রস্ত পল্লী উদ্যোক্তাদের মাঝে প্রণোদনা ঋণ বিতরণ উল্লাপাড়ায় স্বেচ্ছায় রাস্তা সংস্কার কঠোর লকডাউনে বাড়েনি সবজির দাম, সাধারণ মানুষর স্বস্তি ফিরলেও দুঃশ্চিন্তায় চাষীরা
বিজ্ঞাপন
মুক্তিকামী জনতার দৈদিক 'মুক্তির লড়াই' পত্রিকার জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে একদন করে ব্যুরো চীফ, প্রতি জেলা ও উপজেলার একজন করে প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আবেদন করুন। যোগাযোগের ঠিকানাঃ কামরুজ্জামান জনি- সম্পাদক, মুক্তির লড়াই। ইমেইলঃ jobmuktirlorai@gmail.com । ধন্যবাদ

নিখোঁজ মৌসুমীকে ফিরে পেতে চায় তার মা

news / ৭৬ বার ভিউ করা হয়েছে
বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার, ২৪ জুন, ২০২১

শাহিনুর রহমান পিন্টু, ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: মৌসুমী খাতুন 25 বিধবা মায়ের একমাত্র কন্যা, বাড়ি ঝিনাইদহ কালীগঞ্জ উপজেলা বালিয়াডাঙ্গা গ্রামে, পিতার মৃত্যুর পর দীর্ঘ ১৭ বছর আগে জীবন জীবিকার তাগিদে বিধবা মা রেহেনা খাতুন এর সাথে রাজধানী ঢাকায় চলে যায়। এরপর মা ও মেয়ে দুজনেই ঢাকায় আশুলিয়া জামগড়া নামক স্থানে একটি পোশাক কারখানায় চাকরি নেয়। পিরাই দুই বছর আগে জামগড়ায় ‘ডেবনিয়ার’ নামক ওই পোশাক কারখানায় কর্মরত মোহাম্মদ অন্তর হোসেন নামের বগুড়া জেলার সোনাতলী থানার এক যুবকের সাথে প্রেম করে বিয়ে করে। কিছুদিন পর অন্তর হোসেন ও মৌসুমী খাতুন পোশাক কারখানায় চাকরি ছেড়ে পালিয়ে বগুড়ায় নিজ গ্রামে চলে যায়। তিন মাস পর আবারও অন্তর মৌসুমী ঢাকায় এসে বিরানিবাজার এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতো। সেখানে স্বামী অন্তর হোসেন বিরানী বাজারে একটি আবাসিক হোটেলে চাকরি নেয়। মৌসুমী খাতুন ও সাংসারিক প্রয়োজনে নিজেও গার্মেন্টস কারখানায় পুনরায় চাকরি করতে চাইলে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে সম্পর্ক চিরধরতে শুরু করে। মেয়ে মৌসুমি খাতুন মোবাইল ফোনে তার মাকে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ এবং স্বামীর কর্তিক শারীরিক নির্যাতনের কথা জানায়। এ ভাবেই চলছিল অন্তর হোসেন ও মৌসুমী খাতুন এর সংসার। মৌসুমী বিধবা মাতা রেহেনা খাতুন এর অভিযোগ, দীর্ঘ ২০ দিন তার মেয়ে ও জামাই এর সবগুলো মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে।
মা রেহেনা চোখের পানি ফেলে বলেন, হয়তোবা আমার জামাই মেয়েটাকে নারী পাচারকারীদের হাতে তুলে দিয়েছে। তিনি তার কন্যাকে উদ্ধারের জন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সকল বিভাগের সাহায্য কামনা করছেন। তার ধারণা জামাতা মো: অন্তর হোসেনকে আটক করলে তার কন্যা মৌসুমী খাতুনকে উদ্ধার করা সম্ভব হবে।


এই বিভাগের আরো সংবাদ