বিজ্ঞাপন
মুক্তিকামী জনতার দৈনিক 'মুক্তির লড়াই' পত্রিকার জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে ব্যুরো চীফ, প্রতি জেলা ও উপজেলার একজন করে প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আবেদন করুন। যোগাযোগের ঠিকানাঃ কামরুজ্জামান জনি- সম্পাদক, মুক্তির লড়াই। ইমেইলঃ jobmuktirlorai@gmail.com । ধন্যবাদ ।

ফুলবাড়ীতে বৃদ্ধ দম্পতির অসহায় জীবন-যাপন

Muktir Lorai / ৭৬ বার ভিউ করা হয়েছে
বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার, ২০ মে, ২০২১

মোঃআরিফুল ইসলাম, ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:
ভবঘুরে রাস্তাবাসীদের কী হবে?যে সমস্ত পথবাসী মানুষ কয়েক পুরুষ বসবাস করেও নানা কারণে বাস্তুচ্যুত হয়েছে।সমাজে এমন কিছু মানুষ আছে যাদের অস্তিত্ব আছে কিন্তু জায়গা নেই।ওরা আর সব মানুষের মতো নয়, এ বয়সে ওদের কাটতো ছেলে, নাতি, নাতনিদের সাথে কিন্তু তার পরিবর্তে তারা এখন ঘুমায় রাস্তায়,সরকারি কোন প্রতিষ্ঠানের বারান্দায় কিংবা অন্যের বাড়ির গোয়াল ঘরে।

এরকমই একজন ব্যাক্তি হচ্ছেন মোঃআব্দুর রহমান(৭৫),যার সঙ্গে কথা বলে জানা যায় তাঁর কিছু কাল পূর্বেও অনেক কিছু ছিল। এক ছেলে ও তিন মেয়ে নিয়ে ভালই দিন যাচ্ছিল হটাৎ তিন মেয়ের মৃত্যুর পর এবং নিজের অসুস্থতার কারনে চিকিৎসা করতে গিয়ে সব হারিয়ে অসহায়ের মতো জীবন যাপন করতেছে।
মরার উপর খরার ঘায়ের মতো বিপদ এসে দেখা দেয় তার জীবনে। জীবন সাথি সহধর্মিণীও তাকে ছেড়ে না ফেরার দেশে চলে যায়।এমন পরিস্থিতিতে সৃষ্টি কর্তার অশেষ কৃপায়, অবলম্বন হিসেবে কাছে পান তার দ্বিতীয় স্ত্রী মোছাঃমরিয়ম বেগম(৫৫)।যিনি দেখাশোনা করেন বৃদ্ধ আব্দুর রহমান কে।এ ভাবে কি জীবন চলে,জীবন চালানোর জন্য তারা বেঁচে নেন ভিক্ষাবৃত্তিকে। ভিক্ষা করতে করতে তারা চলে আসেন ফুলবাড়ী উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নে।দিন করে ভিক্ষা করে আর রাত করে নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের বারান্দায় ঘুমায়।এভাবে তিন বছর ইউনিয়ন পরিষদের বারান্দায় ঘুমায় তারা।এর পর একদিন বুদা নামে এক লোক তার বাড়ীতে আশ্রয় দেয় ওখানে থাকে আার বালারহাট বাজারের বিভিন্ন হোটেলে খায়।এই বাড়িতে প্রায় দুই বছর থাকার পর আর জায়গা হয়নি সেখানে। এর পর চলে আসেন মোঃরব্বানী,পশ্চিম ফুলমতি ওনার বাড়িতে। কয়েক বছর এখানে থাকার পর নানা কারণে আর থাকা হয়ে উঠেনি। অসহায় এই মানুষ দুটি কি করবে ভাবতে ভাবতে মহৎ ব্যাক্তি মোঃনজু মিয়া তার বাড়ীতে মুরগির খামারে জায়গা দেন।সেখানেই বর্তমানে বসবাস করতেছেন।

এ অসহায় বৃদ্ধের সঙ্গে কথা বলে আরও জানা যায় উনারা ভিক্ষা করে দিনে প্রায় ১০০/১৩০ টাকা পায় যা দিয়ে কোন রকম দিন যাপন করতেছে।তিনি বলেন তাদের জাতীয় পরিচয় পত্র হারিয়ে যাবার কারণে সরকারি বিভিন্ন সুজোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত।ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মহোদয়ের কাছে যাবার পরেও কোন কাজে আসেনি।
বৃদ্ধের আক্ষেপ শেষ বয়সে যেখানে আমার একমাত্র ছেলে ও ছেলের বউ শশুর বাড়িতে থাকে একটু খোজ খবরও নেয়না সেখানে দেশ সমাজের কাছে আমি কি বা আসা করতে পারি।তিনি বলেন সরকার কিছু দিলে খুব ভাল হয় বাহে মেলা মানষের কাছৎ(কাছে) গেছি কাম হয়নাই, আসা ছেড়ে দিছি দেখেন তোমরা কিছু করবার পান নাকি।


এই বিভাগের আরো সংবাদ
Translate »
Translate »