ঢাকা ০৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১১ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo রূপসায় ইটভাটার মাটিতে সড়ক বেহাল দশা : হালকা বৃষ্টিতে একের পর এক দূর্ঘটনা Logo জুয়েলারি খাতে আরোপিত শুল্ক হার কমানো ও আর্থিক প্রণোদনার প্রস্তাব বাজুসের Logo বাড়ির পাশে রাস্তার ঢালাই ঢালু হওয়ার অভিযোগে স্ত্রিকে কুপিয়ে জখম Logo দেবিদ্বারে ১৭ কোটি টাকা ব্যয়ে সড়ক উন্নয়নের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন Logo বড়পুকুরিয়া কয়লাখনিতে স্থানীয়দের ক্ষতিপূরণের দাবি Logo রূপগঞ্জে পূর্বশত্রুতার জেরে দুই জনকে পিটিয়ে আহত : থানায় পাল্টা পাল্টি অভিযোগ Logo শিশুর খতনায় অতিরিক্ত রক্তপাত, উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসারকে বদলি Logo বরুড়া উপজেলা যুব রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ১৫ সদস্যের কমিটি অনুমোদন Logo যশোরে ট্রাক ও মোটরসাইকেলে মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত -২, ঘাতক ট্রাক আটক Logo বনিকপাড়া’র বার্ষিক মহোৎসব শুরু

ফেনীতে ২ দিনে ২০টির অধিক গাড়ী ভাংচুর

মোঃ শরিফুল ইসলাম রাজু, ফেনী

ফেনীতে অবরোধকারীরা ২০টির অধিক গাড়ী ভাংচুর করেছে। রোববার ও সোমবার (৩ ও ৪ ডিসেম্বর) বিএনপির ডাকা নবম দফার অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে এ ভাংচুরের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,রবিবার (৩ ডিসেম্বর) জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক কাজী নজরুল ইসলাম ও সাংগঠনিক সম্পাদক জাকের হোসেনের নেতৃত্বে ঝটিকা মিছিল বের করা হয়।তারা অবরোধের সমর্থনে স্লোগান দেন।
এ সময় পিকেটাররা ফেনী শহরের সেন্ট্রালহাই স্কুলের পাশের স্ট্যান্ডে ৩টি সিএনজি চালিত অটোরিকশা,১টি পিকআপসহ ৬টি যানবাহন ভাংচুর করেন।এ কর্মসূচিতে জেলা ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম,ফেনী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক আবদুল হালিম,পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব ইব্রাহীম হোসেন ইবু পাটোয়ারী, ফেনী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জাহিদুল আবেদিন প্রমুখ অংশ নেন।

এ ছাড়াও শহরের ইসলামপুর সড়কে ট্রাক,পিকআপ ও বিভিন্ন যানবাহনে পণ্য উঠা-নামানোর সময় আরও ১৮/২০টি গাড়িতে ভাংচুর চালায় অবরোধ সমর্থকরা।এ সম্পর্কে জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ আলম বলেন,তাদের মিছিল করার সময় যানবাহন ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে।তবে এর সঙ্গে তাদের নেতা-কর্মীরা জড়িত নন।অন্য কেউ ভাংচুর করেছে।ইসলামপুর সড়ক ও ভেতরের বাজারের বিষয়টি তিনি জানেন না।

অন্যদিকে সোমবার (৪ ডিসেম্বর) অবরোধের সমর্থনে ফেনী জেলা ছাত্রদলের উদ্যোগে আরও একটি মিছিল বের করা হয়।জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সালাউদ্দিন মামুন ও সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ আলমের নেতৃত্বে মিছিলটি ফেনী শহরের তাকিয়া রোড় থেকে শুরু হয়ে ট্রাংক রোড়ের বড় মসজিদের গলির মুখে যায় সেখানে পুলিশের বাধায় কর্মসূচি শেষ হয়।

ফেনী মডেল থানার (ওসি তদন্ত) মাহফুজুর রহমান জানান, কয়েকজন যুবক আচমকা সড়কে উঠেই কয়েকটি গাড়ির গ্লাস ভেঙে চলে যাওয়ার কথা তিনি শুনেছেন। তবে এ ঘটনায় কেউ কোনো অভিযোগ করেননি।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপসায় ইটভাটার মাটিতে সড়ক বেহাল দশা : হালকা বৃষ্টিতে একের পর এক দূর্ঘটনা

ফেনীতে ২ দিনে ২০টির অধিক গাড়ী ভাংচুর

আপডেট সময় ০৮:০০:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৩

মোঃ শরিফুল ইসলাম রাজু, ফেনী

ফেনীতে অবরোধকারীরা ২০টির অধিক গাড়ী ভাংচুর করেছে। রোববার ও সোমবার (৩ ও ৪ ডিসেম্বর) বিএনপির ডাকা নবম দফার অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে এ ভাংচুরের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,রবিবার (৩ ডিসেম্বর) জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক কাজী নজরুল ইসলাম ও সাংগঠনিক সম্পাদক জাকের হোসেনের নেতৃত্বে ঝটিকা মিছিল বের করা হয়।তারা অবরোধের সমর্থনে স্লোগান দেন।
এ সময় পিকেটাররা ফেনী শহরের সেন্ট্রালহাই স্কুলের পাশের স্ট্যান্ডে ৩টি সিএনজি চালিত অটোরিকশা,১টি পিকআপসহ ৬টি যানবাহন ভাংচুর করেন।এ কর্মসূচিতে জেলা ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম,ফেনী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক আবদুল হালিম,পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব ইব্রাহীম হোসেন ইবু পাটোয়ারী, ফেনী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জাহিদুল আবেদিন প্রমুখ অংশ নেন।

এ ছাড়াও শহরের ইসলামপুর সড়কে ট্রাক,পিকআপ ও বিভিন্ন যানবাহনে পণ্য উঠা-নামানোর সময় আরও ১৮/২০টি গাড়িতে ভাংচুর চালায় অবরোধ সমর্থকরা।এ সম্পর্কে জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ আলম বলেন,তাদের মিছিল করার সময় যানবাহন ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে।তবে এর সঙ্গে তাদের নেতা-কর্মীরা জড়িত নন।অন্য কেউ ভাংচুর করেছে।ইসলামপুর সড়ক ও ভেতরের বাজারের বিষয়টি তিনি জানেন না।

অন্যদিকে সোমবার (৪ ডিসেম্বর) অবরোধের সমর্থনে ফেনী জেলা ছাত্রদলের উদ্যোগে আরও একটি মিছিল বের করা হয়।জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সালাউদ্দিন মামুন ও সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ আলমের নেতৃত্বে মিছিলটি ফেনী শহরের তাকিয়া রোড় থেকে শুরু হয়ে ট্রাংক রোড়ের বড় মসজিদের গলির মুখে যায় সেখানে পুলিশের বাধায় কর্মসূচি শেষ হয়।

ফেনী মডেল থানার (ওসি তদন্ত) মাহফুজুর রহমান জানান, কয়েকজন যুবক আচমকা সড়কে উঠেই কয়েকটি গাড়ির গ্লাস ভেঙে চলে যাওয়ার কথা তিনি শুনেছেন। তবে এ ঘটনায় কেউ কোনো অভিযোগ করেননি।