বিজ্ঞাপন
মুক্তিকামী জনতার দৈনিক 'মুক্তির লড়াই' পত্রিকার জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে ব্যুরো চীফ, প্রতি জেলা ও উপজেলার একজন করে প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আবেদন করুন। যোগাযোগের ঠিকানাঃ কামরুজ্জামান জনি- সম্পাদক, মুক্তির লড়াই। ইমেইলঃ jobmuktirlorai@gmail.com । ধন্যবাদ ।

বঙ্গবন্ধু পরিষদ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও গুণীজন সংবর্ধনা

Muktir Lorai / ১১৩ বার ভিউ করা হয়েছে
বাংলাদেশ সময় রবিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২০

প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ
বঙ্গবন্ধু পরিষদ তেজগাঁও থানা শাখার উদ্যোগে মুজিবশতবর্ষ-২০২০ উপলক্ষে তেজকুনিপাড়া দলীয় কার্যালয়ে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আলাচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও গুণীজন সংবর্ধনা সংগঠনের সভাপতি হারুনুর রশীদ এর সভাপতিত্বে বিকেলে গত ১৯/১২/২০২০ অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ডা. আব্দুস সালাম এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন- মাহবুব উদ্দিন আহমেদ (বীর বিক্রম), সদস্য, বঙ্গবন্ধু পরিষদ পরিচালনা কমিটি, ডা. শেখ আব্দুল্লাহ আল-মামুন, ডেপুটি রেজিষ্টার বিএসএমএমইউ ও সদস্য, বঙ্গবন্ধু পরিষদ পরিচালনা কমিটি, জহিরুল হক জিল্লু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ, মোঃ জামাল হোসেন, প্রধান শিক্ষক, তেজগাঁও মডেল স্কুল, রতন কুমার পাল, সাংগঠনিক সম্পাদক, বঙ্গবন্ধু পরিষদ, তেজগাঁও থানা শাখা, হাজী আব্দুস সাত্তার, বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক, গোলাম রসুল, প্রচার সম্পাদক, তেজগাঁও থানা, আওয়ামী লীগ, এস.এম. ওয়াহিদুজ্জামান (মিন্টু), সভাপতি, কলাবাগান থানা, বঙ্গবন্ধু পরিষদ সহ বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাহবুব উদ্দিন বীর বিক্রম বলেন, বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ এক ও অভিন্ন। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ব এদেশ স্বাধীন হয়েছে। বঙ্গবন্ধু একটি শোষণ, বৈষম্যহীন, সমতাভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে চেয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর মর্মান্তিক মৃত্যুর কারণে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়নি। আশার বিষয় তাঁর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ ও বিচক্ষণ নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলেছে। বাংলাদেশের উন্নতি চায় না, সেই স্বাধীনতার পরাজিত শক্তি ও বিএনপি জামায়াত জোট ও কিছু উগ্র-সাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক দল ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ধর্মীয় বিশংঙ্খলা সৃষ্টির মাধ্যমে তাদের মৌলবাদী শাসন কায়েম করতে চায়। তাদের সেই আশা একজন মুক্তিযোদ্ধা বেঁচে থাকতেও সফল হবে না। বিশেষ অতিথির বক্তব্য ডা. শেখ আব্দুল্লাহ আল-মামুন বলেন, “যতদিন পৃথিবী থাকবে, বাংলাদেশ থাকবে, লাল-সবুজের পতাকা থাকবে ততদিন বঙ্গবন্ধুর নাম থাকবে। তাঁকে মুছেলেলা যাবেনা। কারণ তিনিইি বাঙালি জাতির পিতা। বঙ্গবন্ধু এদেশে ধর্ম নিরপেক্ষ রাজনীতি প্রবর্তন করেন। কিন্তু জেনারেল জিয়া, এরশাদ ও বেগম খালেদা জিয়া এদেশে ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতির পৃষ্ঠপোষকতা করেন। যার ফলে আজ মৌলবাদের উত্থান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য জহিরুল হক জিল্লু বলেন, ইসলাম শান্তির ধর্ম, এখানে জঙ্গী ও সন্ত্রাসের কোন স্থান নেই। বাংলাদে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। ধর্মের ভিত্তিতে রাষ্ট্র চলবে না। সবাই যারযার ধর্ম পালন করবে। ভাস্কর্য ও মূর্তিপূজা এক জিনিস নয়। যারা বঙ্গবন্ধুকে অশ্রদ্ধা করে তাদের বিষ দাঁত ভেঙ্গে দিতে হবে। তেজগাঁও মডেল স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ জামাল হোসেন বলেন, “বঙ্গবন্ধু বিশ্বের নিপীড়িত মানুষের মহান নেতা ছিলেন। তিনি সব সময় বাঙালির মুক্তির কথা বলেছেন। তিনি বেঁচে থাকলে এতদিন বাংলাদেশ প্রাচ্যের সুইজারল্যান্ড হতো। বঙ্গবন্ধু পরিষদ, তেজগাঁও থানার সাংগঠনিক সম্পাদক রতন কুমার পাল বলেন, বাংলাদেশ ৪টি মূলনীতির উপর প্রতিষ্ঠিত। বাঙালি জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্ম নিরপেক্ষতা। এই ৪টি নীতির কার্যকরী করতে পারলে দেশ উন্নত, সমৃদ্ধ হবে ও মানুষ প্রকৃত স্বাধীনতার সুফল পাবে। কলাবাগান বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি-এস.এম. ওয়াহিদুজ্জামান মিন্টু বলেন, যেসব ধর্ম ব্যবসায়ী পবিত্র ইসলামের অপব্যাখ্যা দিয়ে পবিত্র ধর্মকে কলুষিত করছে, তাদের প্রতিহত করার সময় এসেছে। সভাপতির বক্তব্য হারুনুর রশিদ বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত এদেশকে আর অন্ধকারে নিমজ্জিত হতে দেবো না। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। পরে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন নারায়নগঞ্জ জেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদের যুগ্ম-সম্পাদক জিএম বজলুর রহমান (তুহিন), বঙ্গবন্ধু পরিষদের কেন্দ্রীয় প্রেস উইং এর দায়িত্বরত-আনন্দ কুমার সেন, প্রধান কার্যালয়ে কর্মরত গিয়াস মোঃ আব্দুর রাজ্জাক, আবু আলম প্রমুখ। দেশ ও জাতির কল্যাণে মুনাজাত ও দোয়া করা হয়।


এই বিভাগের আরো সংবাদ
Translate »
Translate »