ঢাকা ০৩:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বঙ্গবাজার অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের দাবিতে মানববন্ধন

শনিবার সকাল ১১.৩০ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ভাড়াটিয়া পরিষদের উদ্যোগে বঙ্গবাজার অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রয়োজনীয় ক্ষতিপূরণের জন্য অনুদান ও পুনর্বাসনের দাবিতে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

ভাড়াটিয়া পরিষদের সভাপতি মো. বাহারানে সুলতান বাহার এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সহ সাধারণ সম্পাদক মো. মোস্তফা, কেন্দ্রীয় নেতা শামীম আহমেদ, মাকসুদুর রহমান, বাদশাহ উদ্দিন মিন্টু, ফৌজিয়া ইসলাম লিপি, তুহিন চৌধুরী প্রমুখ। সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান মোঃ মঞ্জুর হোসেন ঈসা, কল্যাণ পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান সাহেদুর রহমান তামান্না, বিশিষ্ট সংগঠক রোকন উদ্দিন পাঠান, রাজনীতিবিদ মোসতাক ভাসানী, নারীনেত্রী এলিজা রহমান, খায়রুল ইসলাম।

সভাপতির বক্তব্যে মো. বাহারানে সুলতান বাহার বলেন, বঙ্গবাজারে স্মরণকালের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এই অগ্নিকাণ্ডে ব্যবসায়ী, শ্রমিক-কর্মচারীদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়েছে। বিশেষ করে দোকান মালিকদের লক্ষ লক্ষ টাকার সম্পদ আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এমনকি অনেক দোকান মালিকের নগদ টাকাও আগুনে পুড়ে গেছে। এই ভয়াবহ ঘটনায় আমরা ভেবেছিলাম সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রয়োজনীয় অনুদানের ঘোষণা করা হবে। অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, সরকারের পক্ষ থেকে মাত্র ১৫ হাজার টাকা করে অনুদানের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এই টাকায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য কিছুই হবে না। আমরা দাবি করছি সকল ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য কমপক্ষে ৫ লক্ষ টাকা করে অনুদান দেয়া হোক এবং অবিলম্বে ব্যবসায়ীরা ব্যবসা করতে পারে এর জন্য ঐ স্থানে তাদেরকে ব্যবসা করতে দেয়ার জন্য অনুরোধ করছি।

সংহতি প্রকাশ করে জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান মোঃ মঞ্জুর হোসেন ঈসা বলেন, বঙ্গবাজারে ক্ষতিগ্রস্থ সকল ব্যবসায়ীকে সঠিক তালিকা করে ঈদের আগেই প্রত্যেককেই ব্যবসা করার জন্য বর্তমানে অস্থায়ী পুনর্বাসন করতে হবে। ভবিষ্যতে তাদের স্ব স্ব দোকান সঠিকভাবে বুঝিয়ে দিতে হবে এবং তাদেরকে নূন্যতম ৫ লক্ষ টাকা অনুদান ভাড়াটিয়া পরিষদ যে দাবি করেছে সেই দাবির প্রতি সম্পূর্ণ একাত্বাতা প্রকাশ করে তিনি আরো বলেন, যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে সেই সাথে বিচার বিভাগীয় ছায়াতদন্ত কমিটি গঠন করার জন্য দাবি জানান।

সংগঠনের সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোস্তফা বলেন, বঙ্গবাজারে স্মরণকালের ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ী এবং এর সাথে জড়িত শ্রমিক কর্মচারী যারা আছেন আজ তাদের ঈদ উৎসব অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। আমরা দাবি করেছি অতি দ্রুত ক্ষতিগ্রস্থদের জন্য কমপক্ষে ৫ লক্ষ টাকা অনুদান হিসেবে দেয়ার জন্য। তাতে করে ব্যবসায়ীরা তাদের কিছুটা হলেও ঈদ উৎসব করতে পারবে এবং শ্রমিক কর্মচারীদেরকেও কিছুটা হলেও টাকা দিতে পারবেন। আমরা আরও বলতে চাই, এই অগ্নিকান্ডের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থরা উত্তেজিত হয়ে ফয়ার সার্ভিসসহ উদ্ধারকারীদের সাথে তাদের যে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে এই ঘটনার জন্য যদি এর পেছনে কোন উস্কানী থেকে থাকে তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় হোক। তবে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীরা যেন এর জন্য হয়রানী না হয়।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বঙ্গবাজার অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের দাবিতে মানববন্ধন

আপডেট সময় ০৭:০২:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ এপ্রিল ২০২৩

শনিবার সকাল ১১.৩০ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ভাড়াটিয়া পরিষদের উদ্যোগে বঙ্গবাজার অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রয়োজনীয় ক্ষতিপূরণের জন্য অনুদান ও পুনর্বাসনের দাবিতে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

ভাড়াটিয়া পরিষদের সভাপতি মো. বাহারানে সুলতান বাহার এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সহ সাধারণ সম্পাদক মো. মোস্তফা, কেন্দ্রীয় নেতা শামীম আহমেদ, মাকসুদুর রহমান, বাদশাহ উদ্দিন মিন্টু, ফৌজিয়া ইসলাম লিপি, তুহিন চৌধুরী প্রমুখ। সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান মোঃ মঞ্জুর হোসেন ঈসা, কল্যাণ পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান সাহেদুর রহমান তামান্না, বিশিষ্ট সংগঠক রোকন উদ্দিন পাঠান, রাজনীতিবিদ মোসতাক ভাসানী, নারীনেত্রী এলিজা রহমান, খায়রুল ইসলাম।

সভাপতির বক্তব্যে মো. বাহারানে সুলতান বাহার বলেন, বঙ্গবাজারে স্মরণকালের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এই অগ্নিকাণ্ডে ব্যবসায়ী, শ্রমিক-কর্মচারীদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়েছে। বিশেষ করে দোকান মালিকদের লক্ষ লক্ষ টাকার সম্পদ আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এমনকি অনেক দোকান মালিকের নগদ টাকাও আগুনে পুড়ে গেছে। এই ভয়াবহ ঘটনায় আমরা ভেবেছিলাম সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রয়োজনীয় অনুদানের ঘোষণা করা হবে। অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, সরকারের পক্ষ থেকে মাত্র ১৫ হাজার টাকা করে অনুদানের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এই টাকায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য কিছুই হবে না। আমরা দাবি করছি সকল ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য কমপক্ষে ৫ লক্ষ টাকা করে অনুদান দেয়া হোক এবং অবিলম্বে ব্যবসায়ীরা ব্যবসা করতে পারে এর জন্য ঐ স্থানে তাদেরকে ব্যবসা করতে দেয়ার জন্য অনুরোধ করছি।

সংহতি প্রকাশ করে জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান মোঃ মঞ্জুর হোসেন ঈসা বলেন, বঙ্গবাজারে ক্ষতিগ্রস্থ সকল ব্যবসায়ীকে সঠিক তালিকা করে ঈদের আগেই প্রত্যেককেই ব্যবসা করার জন্য বর্তমানে অস্থায়ী পুনর্বাসন করতে হবে। ভবিষ্যতে তাদের স্ব স্ব দোকান সঠিকভাবে বুঝিয়ে দিতে হবে এবং তাদেরকে নূন্যতম ৫ লক্ষ টাকা অনুদান ভাড়াটিয়া পরিষদ যে দাবি করেছে সেই দাবির প্রতি সম্পূর্ণ একাত্বাতা প্রকাশ করে তিনি আরো বলেন, যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে সেই সাথে বিচার বিভাগীয় ছায়াতদন্ত কমিটি গঠন করার জন্য দাবি জানান।

সংগঠনের সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোস্তফা বলেন, বঙ্গবাজারে স্মরণকালের ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ী এবং এর সাথে জড়িত শ্রমিক কর্মচারী যারা আছেন আজ তাদের ঈদ উৎসব অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। আমরা দাবি করেছি অতি দ্রুত ক্ষতিগ্রস্থদের জন্য কমপক্ষে ৫ লক্ষ টাকা অনুদান হিসেবে দেয়ার জন্য। তাতে করে ব্যবসায়ীরা তাদের কিছুটা হলেও ঈদ উৎসব করতে পারবে এবং শ্রমিক কর্মচারীদেরকেও কিছুটা হলেও টাকা দিতে পারবেন। আমরা আরও বলতে চাই, এই অগ্নিকান্ডের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থরা উত্তেজিত হয়ে ফয়ার সার্ভিসসহ উদ্ধারকারীদের সাথে তাদের যে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে এই ঘটনার জন্য যদি এর পেছনে কোন উস্কানী থেকে থাকে তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় হোক। তবে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীরা যেন এর জন্য হয়রানী না হয়।