ঢাকা ০৬:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ৪ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বরুড়ার অনিয়মের দায়ে তিন হসপিটাল বন্ধ

মোঃ আবদুল আউয়াল সরকার, কুমিল্লা

লাইসেন্স না থাকাসহ নানা অনিয়মের দায়ে কুমিল্লার বরুড়ার ৩টি বেসরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের সকল কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন।

শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ খ্রিঃ) নিয়মিত পরিদর্শনের অংশ হিসেবে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কামরুল হাসান সোহেল, মেডিকেল অফিসার ডা. সিফাত সালেহ এবং স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো. শফিকুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত পরিদর্শন টিম বিভিন্ন স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানে পরিদর্শন কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

অনিয়মের দায়ে বন্ধ করে দেয়া প্রতিষ্ঠান ৩টি হলো- বরুড়া ডায়াবেটিস এসোসিয়েশন, মেডিকেয়ার জেনারেল হাসপাতাল ও রয়েল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার।

পরিদর্শন টিমের প্রধান ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কামরুল হাসান সোহেল জানান, ৩ টি প্রতিষ্ঠানই লাইসেন্সবিহীন ছিল। কিন্তু পরিদর্শনকালে কার্যক্রম চলমান অবস্থায় পাওয়া যায়। এছাড়া অন্যান্য যে ত্রুটিসমূহ পরিলক্ষিত হয় তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- প্রদর্শিত মূল্য অপেক্ষা অধিক মূল্যে ল্যাবে পরীক্ষা করানো, রিসিটে অতিরিক্ত মূল্য লিখে ২০%-৩০% ছাড়ে টেস্ট করে দেয়ার নামে প্রতারণা, ল্যাবে যথাযথ ফ্রিজ না থাকা ও সঠিক তাপমাত্রায় রিএজেন্ট সংরক্ষণ না করা, অপরিচ্ছন্ন ল্যাব, এক্সরে টেকনিশিয়ান অনুপস্থিত স্বত্ত্বেও এক্সরে করানো, ল্যাব টেকনিশিয়ান অনুপস্থিত থাকা স্বত্তেও প্যাথলজি টেস্ট রিপোর্ট করা, “সি ক্যাটাগরির” জন্য আবেদন করে “বি ক্যাটাগরির” প্যাথলজিক্যাল টেস্ট করা ইত্যাদি।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বরুড়ার অনিয়মের দায়ে তিন হসপিটাল বন্ধ

আপডেট সময় ১১:১১:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

মোঃ আবদুল আউয়াল সরকার, কুমিল্লা

লাইসেন্স না থাকাসহ নানা অনিয়মের দায়ে কুমিল্লার বরুড়ার ৩টি বেসরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের সকল কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন।

শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ খ্রিঃ) নিয়মিত পরিদর্শনের অংশ হিসেবে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কামরুল হাসান সোহেল, মেডিকেল অফিসার ডা. সিফাত সালেহ এবং স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো. শফিকুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত পরিদর্শন টিম বিভিন্ন স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানে পরিদর্শন কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

অনিয়মের দায়ে বন্ধ করে দেয়া প্রতিষ্ঠান ৩টি হলো- বরুড়া ডায়াবেটিস এসোসিয়েশন, মেডিকেয়ার জেনারেল হাসপাতাল ও রয়েল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার।

পরিদর্শন টিমের প্রধান ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কামরুল হাসান সোহেল জানান, ৩ টি প্রতিষ্ঠানই লাইসেন্সবিহীন ছিল। কিন্তু পরিদর্শনকালে কার্যক্রম চলমান অবস্থায় পাওয়া যায়। এছাড়া অন্যান্য যে ত্রুটিসমূহ পরিলক্ষিত হয় তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- প্রদর্শিত মূল্য অপেক্ষা অধিক মূল্যে ল্যাবে পরীক্ষা করানো, রিসিটে অতিরিক্ত মূল্য লিখে ২০%-৩০% ছাড়ে টেস্ট করে দেয়ার নামে প্রতারণা, ল্যাবে যথাযথ ফ্রিজ না থাকা ও সঠিক তাপমাত্রায় রিএজেন্ট সংরক্ষণ না করা, অপরিচ্ছন্ন ল্যাব, এক্সরে টেকনিশিয়ান অনুপস্থিত স্বত্ত্বেও এক্সরে করানো, ল্যাব টেকনিশিয়ান অনুপস্থিত থাকা স্বত্তেও প্যাথলজি টেস্ট রিপোর্ট করা, “সি ক্যাটাগরির” জন্য আবেদন করে “বি ক্যাটাগরির” প্যাথলজিক্যাল টেস্ট করা ইত্যাদি।