বিজ্ঞাপন
মুক্তিকামী জনতার দৈনিক 'মুক্তির লড়াই' পত্রিকার জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে ব্যুরো চীফ, প্রতি জেলা ও উপজেলার একজন করে প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আবেদন করুন। যোগাযোগের ঠিকানাঃ কামরুজ্জামান জনি- সম্পাদক, মুক্তির লড়াই। ইমেইলঃ jobmuktirlorai@gmail.com । ধন্যবাদ ।

বরুড়ায় অটো কেনা বেচা নিয়ে প্রতিপক্ষের ওপর হামলার অভিযোগ

Muktir Lorai / ২৬২ বার ভিউ করা হয়েছে
বাংলাদেশ সময় বুধবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২০

স্টাফ রিপোর্টারঃ কুমিল্লার বরুড়ায় বেটারি চালিত অটো রিক্সা (মিশুক) কেনা বেচা নিয়ে প্রতিপক্ষের ওপর হামলার অভিযোগ কুমিল্লার ৭নম্বর আমলী আদালতে মামলা হয়েছে।

মামালাটি করেন উপজেলার আড্ডা ইউনিয়নের পোম্বাইশ গ্রামের নাছির হোসেনের ছেলে মোঃ ছালামত উল্লাহ। আর মামলার আসামীরা হলেন, চান্দিনা উপজেলার কাদুটি গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে মোঃ দুলাল মিয়া ও বরুড়া উপজেলার শিলমুড়ি গ্রামের মোঃ জাহাঙ্গীর।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ছালামত উল্লাহ দীর্ঘদিন যাবত পুরাতন অটো রিক্সা (মিশুক) গাড়ীর ক্রয় বিক্রয়ের ব্যবসা করে থাকেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৫ অক্টোবর ৫৭ হাজার টাকায় পার্শ্ববর্তী চান্দিনা উপজেলার কাদুটি গ্রামের সিরাজুল ইসলামের পুত্র মোঃ দুলাল মিয়ার নিকট থেকে একটি পুরাতন অটে রিক্সা ক্রয় করেন। পরে ১৮ অক্টোবর ওই অটো রিক্সাটি বরুড়া উপজেলার শিলমুড়ি গ্রামের মোঃ জাহাঙ্গীর এর নিকট ৬০ হাজার টাকায় বিক্রি করেন। মামলা সূত্রে আরও জানা যায়, জাহাঙ্গীর অটো রিক্সাটি ক্রয়ের পর ভাড়ায় চালাতেন। এর কিছু দিন পর জাহাঙ্গীর ছালামতকে ফোন করে বলেন তুমি আমার নিকট চোরাই গাড়ী বিক্রি করেছো। একথা শুনে ছালামত বলেন, আমিতো দুলাল থেকে গাড়ীটি ক্রয় করি। এবং দুলাল গাড়ী ক্রয়ে সময় যে সকল কাগজ নিয়েছি তাও আপনাকে দিয়েছি। পরে গাড়ী ক্রয়ের সমস্ত টাকা ফেরৎ দিতে জাহাঙ্গীর ছালামতকে বলে সে গাড়ী ফেরৎ দিয়ে টাকা নিয়ে যেতে বলেন। তবে টাকার জন্য জাহাঙ্গীর ছালামতকে চাপ দিলেও গাড়ী ফেরত দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

এদিকে জাহাঙ্গীরের কথা শুনে ছালামত দুলালকে বিষটি জানালে সে এই গাড়ীটি বিক্রি করার কাথা অস্বীকার করেন।
গত ২০ অক্টোবর মামলার আসামীগন ছালামতকে তার বাড়ীর সামনে একা পেয়ে এলোপাথাড়ি মারধর করে আহত করেন বলে অভিযোগ বলা হয়। এসময় ছালমতের চিৎকারে লোকজন এগিয়ে আসলে আসামীরা তাকে ছেড়ে দেয়। পরে তারা চলে যাওয়ার সময় ছালামতকে গাড়ী ক্রয়ের ৬০হাজার টাকা ফেরৎ দিতে বলেন। না হয় তাকে প্রাণে মারার ও হুম দেন।

ছালামত আরও অভিযোগ করে বলেন, জাহাঙ্গীর এবং দুলাল প্রতারণার মাধ্যমে গাড়ীটি অন্যত্র বিক্রি করিয়া আমার কাছ থেকে টাকা ফেরৎ চায়।
এ বিষয়ে দুলালের সাথে কথা বলতে চাইলে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে জাহাঙ্গীর বলেন, ছালমতের কাছ থেকে গাড়ীটি ক্রয় করার সময় দুলালের এভিডেভিট দেখেই কিনেছি। পরে গাড়ীর প্রকৃত মালিক সেটি আটক করেছে। তার কাছে ক্রয়ের রশিদ আছে। তবে ছালামতকে কেউ মারনি।


এই বিভাগের আরো সংবাদ
Translate »
Translate »