ঢাকা ০৩:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ৩ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বাঘাইছড়িতে সেতুর সংযোগ সড়কের  কাজ অসমাপ্ত রেখে  শ্রমিক ও ম্যানেজার পলাতক 

বাঘাইছড়ি রাঙ্গামাটি প্রতিনিধিঃ বাঘাইছড়ি উপজেলার কাচালং নদীতে নির্মিত সেতুর সংযোগ সড়ক ও আনুসাঙ্গিক কাজ অসমাপ্ত রেখে সংশ্লিষ্ট ম্যানাজার সহ শ্রমিকরা হঠাৎ পালিয়ে যাওয়ায় সেতুর শতভাগ কাজ এখনো  সম্পন্ন হলো না। ফলে বড় যান-বাহন চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে।পূরাতন সেতুটিও ঝুঁকি পূর্ণ হওয়ায় এবং বার বার ক্ষতিগ্ৰস্হ হতে থাকায়  ১০ মেঃটনের অধিক মালামাল পরিবহন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ফলশ্রুতিতে নির্মাণাধীন সিমান্ত সড়কের মালামাল পরিবহনেও সমস্যা হচ্ছে এবং পরিবহন খরচ বাড়ছে।
সর্বশেষ ৮ মে সকালে  সীমান্ত সড়কের পাথর বোঝাই একটি ট্রাক পূরাতন সেতুতে উঠার পরপরই দূর্ঘটনায় কবলিত হয়। এতে কেউ হতাহত হয়নি। তাৎক্ষনিকভাবে স্হানীয় স্বেচ্ছাসেবকরা ও খাগড়াছড়ি সড়ক বিভাগ ঘটনাস্হলে আসে এবং নতুন সেতুর সংযোগস্হল সড়কের কাচা রাস্তা ৪ ঘন্টা ব্যাপী আংশিক সংস্কার করে ছোট যান সমূহ চলাচলের উপযুক্ত করে। আটকে পড়া ট্রাক উদ্ধারে সিমান্ত সড়ক নির্মানকারী প্রতিষ্টানের সেনা সদস্যদের দীর্ঘক্ষনের প্রচেষ্টায় একই দিনে ট্র্যাকটি উদ্ধার করা গেলেও পূরাতন সেতু মেরামতে খাগড়াছড়ি সড়ক বিভাগের দিন-রাত  পরিশ্শ্রমে ১০ মে দূপুর হতে যান চলাচল শুরু হয়।
উল্লেখ্য যে, ২০১৬ সালের ১১ জানুয়ারী  নতুন সেতুর কাজ শুরু করে সড়ক জনপদ বিভাগ। ২০১৯ সালের জানুয়ারীতে কাজ সম্পন্ন হওয়ার কথা থাকলেও  দীর্ঘ ৭ বছরেও শেষ হয়নি সেতুর কাজ। তাই ঝুঁকিপূর্ণ জেনেও বাধ্য হয়ে যান চলাচল করতে হয় পুরাতন সেতুতে।
খাগড়াছড়ি সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মাকসুদুর রহমান বলেন, নতুন সেতুর কাজ শেষ হলেও সংযোগ সড়ক নির্মাণ ও আনুসাংঙ্গিক কিছু কাজ বাকী রয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যেই কাজগুলো সম্পন্ন করণে ব্যবস্হা নেওয়া হয়েছে।
খাগড়াছড়ি সড়ক বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ১১ কোটি ৩৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রানা বিল্ডার্স কতৃক সড়ক ও জনপদ বিভাগের তত্ত্বাবধানে ২০১৬ সালের ১১ জানুয়ারি এই সেতু তৈরির কাজ শুরু হয়। ২০১৯ সালের ১ জানুয়ারি কাজ শেষ করার কথা থাকলেও ৭ বছরেও কাজটি সম্পন্ন করা হয়নি। স্হানীয়রা জানান,  নির্মাণাধীন অবস্থায় নির্মিত একটি গার্ডার ও আরেকটি গার্ডারের জন্য সেটিং করা সেন্টারিং এর সম্পূর্ণ ভেঙে নদীতে পড়েছিল। সেতু নির্মাণে নিন্মমানের সামগ্রী ব্যবহার সহ ঢালাই কাজের কিউরিংএ খুবই কম পানি ব্যবহারেও স্হানীয়দের অভিযোগ রয়েছে।
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাঘাইছড়িতে সেতুর সংযোগ সড়কের  কাজ অসমাপ্ত রেখে  শ্রমিক ও ম্যানেজার পলাতক 

আপডেট সময় ০৯:০৪:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ মে ২০২৩
বাঘাইছড়ি রাঙ্গামাটি প্রতিনিধিঃ বাঘাইছড়ি উপজেলার কাচালং নদীতে নির্মিত সেতুর সংযোগ সড়ক ও আনুসাঙ্গিক কাজ অসমাপ্ত রেখে সংশ্লিষ্ট ম্যানাজার সহ শ্রমিকরা হঠাৎ পালিয়ে যাওয়ায় সেতুর শতভাগ কাজ এখনো  সম্পন্ন হলো না। ফলে বড় যান-বাহন চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে।পূরাতন সেতুটিও ঝুঁকি পূর্ণ হওয়ায় এবং বার বার ক্ষতিগ্ৰস্হ হতে থাকায়  ১০ মেঃটনের অধিক মালামাল পরিবহন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ফলশ্রুতিতে নির্মাণাধীন সিমান্ত সড়কের মালামাল পরিবহনেও সমস্যা হচ্ছে এবং পরিবহন খরচ বাড়ছে।
সর্বশেষ ৮ মে সকালে  সীমান্ত সড়কের পাথর বোঝাই একটি ট্রাক পূরাতন সেতুতে উঠার পরপরই দূর্ঘটনায় কবলিত হয়। এতে কেউ হতাহত হয়নি। তাৎক্ষনিকভাবে স্হানীয় স্বেচ্ছাসেবকরা ও খাগড়াছড়ি সড়ক বিভাগ ঘটনাস্হলে আসে এবং নতুন সেতুর সংযোগস্হল সড়কের কাচা রাস্তা ৪ ঘন্টা ব্যাপী আংশিক সংস্কার করে ছোট যান সমূহ চলাচলের উপযুক্ত করে। আটকে পড়া ট্রাক উদ্ধারে সিমান্ত সড়ক নির্মানকারী প্রতিষ্টানের সেনা সদস্যদের দীর্ঘক্ষনের প্রচেষ্টায় একই দিনে ট্র্যাকটি উদ্ধার করা গেলেও পূরাতন সেতু মেরামতে খাগড়াছড়ি সড়ক বিভাগের দিন-রাত  পরিশ্শ্রমে ১০ মে দূপুর হতে যান চলাচল শুরু হয়।
উল্লেখ্য যে, ২০১৬ সালের ১১ জানুয়ারী  নতুন সেতুর কাজ শুরু করে সড়ক জনপদ বিভাগ। ২০১৯ সালের জানুয়ারীতে কাজ সম্পন্ন হওয়ার কথা থাকলেও  দীর্ঘ ৭ বছরেও শেষ হয়নি সেতুর কাজ। তাই ঝুঁকিপূর্ণ জেনেও বাধ্য হয়ে যান চলাচল করতে হয় পুরাতন সেতুতে।
খাগড়াছড়ি সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মাকসুদুর রহমান বলেন, নতুন সেতুর কাজ শেষ হলেও সংযোগ সড়ক নির্মাণ ও আনুসাংঙ্গিক কিছু কাজ বাকী রয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যেই কাজগুলো সম্পন্ন করণে ব্যবস্হা নেওয়া হয়েছে।
খাগড়াছড়ি সড়ক বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ১১ কোটি ৩৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রানা বিল্ডার্স কতৃক সড়ক ও জনপদ বিভাগের তত্ত্বাবধানে ২০১৬ সালের ১১ জানুয়ারি এই সেতু তৈরির কাজ শুরু হয়। ২০১৯ সালের ১ জানুয়ারি কাজ শেষ করার কথা থাকলেও ৭ বছরেও কাজটি সম্পন্ন করা হয়নি। স্হানীয়রা জানান,  নির্মাণাধীন অবস্থায় নির্মিত একটি গার্ডার ও আরেকটি গার্ডারের জন্য সেটিং করা সেন্টারিং এর সম্পূর্ণ ভেঙে নদীতে পড়েছিল। সেতু নির্মাণে নিন্মমানের সামগ্রী ব্যবহার সহ ঢালাই কাজের কিউরিংএ খুবই কম পানি ব্যবহারেও স্হানীয়দের অভিযোগ রয়েছে।