ঢাকা ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মার্চ ২০২৪, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo বিগত দশ বছরে, চীনের নেটওয়ার্ক অবকাঠামোর অনেক উন্নতি হয়েছে Logo দৈনিক মুক্তির লড়াই পত্রিকার চতুর্থ বর্ষে পদার্পন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo ক্ষুদ্রচাকশ্রী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত Logo বরগুনা প্রেসক্লাবে হামলার ঘটনায় মামলা, পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ Logo সরাইলে নদীর মাটি যাচ্ছে ইট ভাটায়, হুমকির মুখে ফসলি জমি Logo চীন বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক উন্নয়ন বাড়াতে চায়;চীনা বাণিজ্য মন্ত্রী Logo চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ২০২৪ সালকে ‘ভোগ বৃদ্ধির বছর’ হিসাবে মনোনীত করে Logo শাজাহান শিকদার সম্পাদনিত ‘সম্মিলিত কবিতার বই-৪’ এর মোড়ক উম্মোচন Logo নওগাঁয় ৭২ কেজি গাঁজাসহ মাদক এক ব্যবসায়ী আটক Logo ফুলবাড়ীতে কুকুরের কামড়ে ৮টি ছাগলের মৃত্যু

বিএনপি নির্বাচনে জিতলে প্রধানমন্ত্রী কে হবেন জানালেন মির্জা ফখরুল

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে দেশের রাজনীতি। নির্বাচনকালীন সরকারের পক্ষে বিপক্ষে অনড় অবস্থানে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও মাঠের বিরোধী দল বিএনপি। এরমধ্যেই সমসাময়িক রাজনৈতিক ইস্যুতে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সেখানে নানা প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন বিএনপির অন্যতম শীর্ষ এই নেতা। বিএনপি নির্বাচনে গিয়ে যদি জিতে যায়, তা হলে প্রধানমন্ত্রী কে হবেন?— এমন প্রশ্নে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বাংলাদেশের পরিবেশে এটি কোনো সমস্যাই না। আমাদের দলের চেয়ারপারসন হচ্ছেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তার অবর্তমানে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

আগামী নির্বাচনে আমরা যদি জয়লাভ করি, তখন এটা নিয়ে কোনো সমস্যা থাকতে পারে না। এটি সবাই জানে। সুতরাং প্রধানমন্ত্রী হবেন খালেদা জিয়া। তার অবর্তমানে দায়িত্ব পালন করবেন তারেক জিয়া। এটিই আমাদের দলীয় সিদ্ধান্ত।

বিএনপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয় আওয়ামী লীগ সরকার টিকে আছে ভারতের অনুকূল্যে— এ বিষয়ে কী বলবেন? প্রশ্নোত্তরে মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা এ ধরনের কথা বলি না। বর্তমান সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন সাহেব নিজেই বলেছেন— ভারত সরকারকে অনুরোধ করেছি আ. লীগকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখার জন্য যেন ভারত সরকার কাজ করে।

তবে আমরা যেটা মনে করি, ভারত দুর্ভাগ্যজনকভাবে এ রাষ্ট্র পরিচালনায় সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। জনগণের যেগুলো অধিকার সেগুলোকে হরণ করে একদলীয় একটা শাসনব্যবস্থা করার জন্য দেশে একটা কর্তৃত্ববাদী সরকার প্রতিষ্ঠা করেছে। নিপীড়নের মধ্য দিয়ে ভিন্নমতদের দমনের চেষ্টা করেছে।

শুধু তাই নয়, সাধারণ মানুষদের চাওয়াকে ব্যর্থ করে দিচ্ছে। আমরা জনগণের শক্তির ওপর বিশ্বাস করি। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলনে নেমেছি। ১৯৭০ এবং ১৯৯১ সালে জনগণ যেভাবে তাদের অধিকার আদায় করেছিল, ঠিক সেভাবে এখনো আদায় করবে বলে বিশ্বাস করি।

মির্জা ফখরুল বলেন, ভোটের অধিকার ফিরে পেতে, মানবাধিকারগুলোকে রক্ষা করতে, স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য মুক্ত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় জনগণই কাজ করবে বলে মনে করেন বিএনপি মহাসচিব।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

বিগত দশ বছরে, চীনের নেটওয়ার্ক অবকাঠামোর অনেক উন্নতি হয়েছে

বিএনপি নির্বাচনে জিতলে প্রধানমন্ত্রী কে হবেন জানালেন মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় ০২:১৭:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জুন ২০২৩

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে দেশের রাজনীতি। নির্বাচনকালীন সরকারের পক্ষে বিপক্ষে অনড় অবস্থানে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও মাঠের বিরোধী দল বিএনপি। এরমধ্যেই সমসাময়িক রাজনৈতিক ইস্যুতে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সেখানে নানা প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন বিএনপির অন্যতম শীর্ষ এই নেতা। বিএনপি নির্বাচনে গিয়ে যদি জিতে যায়, তা হলে প্রধানমন্ত্রী কে হবেন?— এমন প্রশ্নে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বাংলাদেশের পরিবেশে এটি কোনো সমস্যাই না। আমাদের দলের চেয়ারপারসন হচ্ছেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তার অবর্তমানে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

আগামী নির্বাচনে আমরা যদি জয়লাভ করি, তখন এটা নিয়ে কোনো সমস্যা থাকতে পারে না। এটি সবাই জানে। সুতরাং প্রধানমন্ত্রী হবেন খালেদা জিয়া। তার অবর্তমানে দায়িত্ব পালন করবেন তারেক জিয়া। এটিই আমাদের দলীয় সিদ্ধান্ত।

বিএনপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয় আওয়ামী লীগ সরকার টিকে আছে ভারতের অনুকূল্যে— এ বিষয়ে কী বলবেন? প্রশ্নোত্তরে মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা এ ধরনের কথা বলি না। বর্তমান সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন সাহেব নিজেই বলেছেন— ভারত সরকারকে অনুরোধ করেছি আ. লীগকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখার জন্য যেন ভারত সরকার কাজ করে।

তবে আমরা যেটা মনে করি, ভারত দুর্ভাগ্যজনকভাবে এ রাষ্ট্র পরিচালনায় সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। জনগণের যেগুলো অধিকার সেগুলোকে হরণ করে একদলীয় একটা শাসনব্যবস্থা করার জন্য দেশে একটা কর্তৃত্ববাদী সরকার প্রতিষ্ঠা করেছে। নিপীড়নের মধ্য দিয়ে ভিন্নমতদের দমনের চেষ্টা করেছে।

শুধু তাই নয়, সাধারণ মানুষদের চাওয়াকে ব্যর্থ করে দিচ্ছে। আমরা জনগণের শক্তির ওপর বিশ্বাস করি। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলনে নেমেছি। ১৯৭০ এবং ১৯৯১ সালে জনগণ যেভাবে তাদের অধিকার আদায় করেছিল, ঠিক সেভাবে এখনো আদায় করবে বলে বিশ্বাস করি।

মির্জা ফখরুল বলেন, ভোটের অধিকার ফিরে পেতে, মানবাধিকারগুলোকে রক্ষা করতে, স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য মুক্ত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় জনগণই কাজ করবে বলে মনে করেন বিএনপি মহাসচিব।