ঢাকা ০৯:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০২৪, ৪ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুমিল্লা- সিলেট মহাসড়ক অবরুদ্ধ করে রেখেছে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা Logo ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা’র সহধর্মীনি এডভোকেট সিগমা হুদার ইন্তেকাল Logo আমতলীতে ২য় শ্রেণির মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষণ, ধর্ষক আটক Logo বাঘাইছড়িতে ছাত্রলীগের প্রতিবাদ মিছিল Logo সরাইলে কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীদের সাথে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ Logo ভাঙ্গায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-৩ আহত ৪০ Logo রূপসায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন Logo শিক্ষার্থীদের উপর হামলার প্রতিবাদে মুরাদনগরে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ Logo সদরপুরে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সাথে পুলিশের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া Logo যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাসিম এর মুত‍্যু বার্ষিকী পালিত

বিদ্যুৎ বিভাগের অনিয়মের ফাঁদে ফুলবাড়ীবাসী

মোহাম্মদ আজগার আলী,
ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন এর জারিকৃত প্রজ্ঞাপনকে তোয়াক্কা না করে ফুলবাড়ী আবাসিক প্রকৌশলীর দপ্তর (নেসকো) কর্তৃক গ্রাহক পর্যায়ে মনগড়া বিদ্যুৎ বিল প্রদানের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন কর্তৃক গত ২০২০ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারী জারিকৃত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী জানা যায়, প্রজ্ঞাপনের ২য় পৃষ্ঠায় ৫ (ক) তে বলা আছে কোন গ্রাহকের অনুমোদিত লোড হতে তার মিটারে রেকর্ডকৃত সর্বোচ্চ চাহিদা বেশি হলে অনুমোদিত লোডের জন্য দ্বিগুন হারে ডিমান্ড চার্জ প্রযোজ্য হবে। এই ধারা অনুযায়ী গত আগষ্ট মাসের বিদ্যুৎ বিলে ডিমান্ড চার্জ বৃদ্ধি করেছে আবাসিক প্রকৌশলী দপ্তর (নেসকো)। একই প্রজ্ঞাপনের ৫ এর (খ) তে বলা আছে কোন গ্রাহকের সর্বোচ্চ চাহিদা ক্রমাগত ভাবে ৩ মাস অনুমোদিত লোডের ১১০ পার্সেন্ট অতিক্রম করলে অতিরিক্ত লোড অনুমোদিত করে নেওয়ার জন্য গ্রাহককে নোটিশ দিতে হবে। কিন্তু ফুলবাড়ী আবাসিক প্রকৌশলীর দপ্তর (নেসকো) বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন এর জারিকৃত প্রজ্ঞাপনকে তোয়াক্কা না করে তাদের মনগড়া নিয়ম তৈরী করে তাদের গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিলে অতিরিক্ত ডিমান্ড চার্জ বসিয়ে ভৌতিক বিল প্রদান করে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন কর্তৃক জারিকৃত প্রজ্ঞাপনে ৫ এর (ঘ) তে বলা আছে কোন গ্রাহকের বিদ্যমান অনুমোদিত/চুক্তিবদ্ধ লোড বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা/কোম্পানী কর্তৃক সয়ংক্রিয়ভাবে পরিবর্তন করা যাবে না। অথচ ফুলবাড়ী আবাসিক প্রকৌশলী দপ্তর (নেসকো) সরকারের সিন্ধান্তের বাহিরে গ্রাহককে কোন প্রকার নোটিশ না করে এক কিলোওয়াট থেকে সর্বোচ্চ ৮ কিলোওয়াট পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে।
এমন অসামঞ্জস্য বিদ্যুৎ বিল পেয়ে রীতিমত হতবাক হয়ে পড়ে ফুলবাড়ীর বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীরা। বিষয়টি নিয়ে ফুলবাড়ীর সব জায়গায় আলোচনা ও সমালচনা সৃষ্টি হলেও বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীরা ফুলবাড়ী আবাসিক প্রকৌশলী দপ্তর (নেসকো)’র বিরুদ্ধে কিছুই করতে পারছে না। নিরুপায় হয়ে অনেকেই যেমন বিল পেয়েছেন তেমন বিলেই পরিশোধ করছেন।

এমন অসামঞ্জস্য বিদ্যুৎ বিলে পেয়ে মোঃ হারুন উর রশীদ বলেন, আমাকে কোন প্রাকার নোটিশ করা হয় নাই। আর আমি ডিমান্ড চার্জ সম্মন্ধে বেশি কিছু জানি না। হঠাৎ বিদ্যুৎ বিলে দেখি ডিমান্ড চার্জ তিন গুন বৃদ্ধি করা আছে। বিদ্যুৎ অফিস কোন সিন্ধান্ত নিলে প্রথমে আমাকে জানাবে তারপর যা করার করবে কিন্তু আমাকে তো কিছুই জানাইনি। এমন কথা বলেন কাঁটাবাড়ীর কবির সরকার,বাসুদেবপুরের মোরসালিন, থানাপাড়ার মোস্তাফিজুর রহমানসহ অনেকেই।

এ বিষয়ে ফুলবাড়ীর আবাসিক প্রকৌশলী দপ্তরের প্রকৌশলী মোঃ উজ্জ্বল হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের তেমন কিছুই করার নাই, সব বিষয় উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ জানেন। এখানে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের নিয়ম মেনে গ্রাহক পর্যায়ে ডিমান্ড চার্জ বৃদ্ধি করা হয়েছে। শুধু ফুলবাড়ী নয় সারাদেশেই একই অবস্থা। ডিমান্ড চার্জ বৃদ্ধির পূর্বে নোটিশ করা উচিৎ ছিলো বলে তাকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, বিদ্যুতের ইউনিট বিল যখন বৃদ্ধি পায় সেই সময় সকল গ্রাহককে নোটিশ করে জানানো হয় না। ডিমান্ড চার্জের বিষয়ে একই অবস্থা। এ বিষয়েও কাউকে জানানোর প্রয়োজন নেই।

আপলোডকারীর তথ্য

কুমিল্লা- সিলেট মহাসড়ক অবরুদ্ধ করে রেখেছে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা

বিদ্যুৎ বিভাগের অনিয়মের ফাঁদে ফুলবাড়ীবাসী

আপডেট সময় ০৫:৪৫:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৩

মোহাম্মদ আজগার আলী,
ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন এর জারিকৃত প্রজ্ঞাপনকে তোয়াক্কা না করে ফুলবাড়ী আবাসিক প্রকৌশলীর দপ্তর (নেসকো) কর্তৃক গ্রাহক পর্যায়ে মনগড়া বিদ্যুৎ বিল প্রদানের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন কর্তৃক গত ২০২০ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারী জারিকৃত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী জানা যায়, প্রজ্ঞাপনের ২য় পৃষ্ঠায় ৫ (ক) তে বলা আছে কোন গ্রাহকের অনুমোদিত লোড হতে তার মিটারে রেকর্ডকৃত সর্বোচ্চ চাহিদা বেশি হলে অনুমোদিত লোডের জন্য দ্বিগুন হারে ডিমান্ড চার্জ প্রযোজ্য হবে। এই ধারা অনুযায়ী গত আগষ্ট মাসের বিদ্যুৎ বিলে ডিমান্ড চার্জ বৃদ্ধি করেছে আবাসিক প্রকৌশলী দপ্তর (নেসকো)। একই প্রজ্ঞাপনের ৫ এর (খ) তে বলা আছে কোন গ্রাহকের সর্বোচ্চ চাহিদা ক্রমাগত ভাবে ৩ মাস অনুমোদিত লোডের ১১০ পার্সেন্ট অতিক্রম করলে অতিরিক্ত লোড অনুমোদিত করে নেওয়ার জন্য গ্রাহককে নোটিশ দিতে হবে। কিন্তু ফুলবাড়ী আবাসিক প্রকৌশলীর দপ্তর (নেসকো) বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন এর জারিকৃত প্রজ্ঞাপনকে তোয়াক্কা না করে তাদের মনগড়া নিয়ম তৈরী করে তাদের গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিলে অতিরিক্ত ডিমান্ড চার্জ বসিয়ে ভৌতিক বিল প্রদান করে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন কর্তৃক জারিকৃত প্রজ্ঞাপনে ৫ এর (ঘ) তে বলা আছে কোন গ্রাহকের বিদ্যমান অনুমোদিত/চুক্তিবদ্ধ লোড বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা/কোম্পানী কর্তৃক সয়ংক্রিয়ভাবে পরিবর্তন করা যাবে না। অথচ ফুলবাড়ী আবাসিক প্রকৌশলী দপ্তর (নেসকো) সরকারের সিন্ধান্তের বাহিরে গ্রাহককে কোন প্রকার নোটিশ না করে এক কিলোওয়াট থেকে সর্বোচ্চ ৮ কিলোওয়াট পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে।
এমন অসামঞ্জস্য বিদ্যুৎ বিল পেয়ে রীতিমত হতবাক হয়ে পড়ে ফুলবাড়ীর বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীরা। বিষয়টি নিয়ে ফুলবাড়ীর সব জায়গায় আলোচনা ও সমালচনা সৃষ্টি হলেও বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীরা ফুলবাড়ী আবাসিক প্রকৌশলী দপ্তর (নেসকো)’র বিরুদ্ধে কিছুই করতে পারছে না। নিরুপায় হয়ে অনেকেই যেমন বিল পেয়েছেন তেমন বিলেই পরিশোধ করছেন।

এমন অসামঞ্জস্য বিদ্যুৎ বিলে পেয়ে মোঃ হারুন উর রশীদ বলেন, আমাকে কোন প্রাকার নোটিশ করা হয় নাই। আর আমি ডিমান্ড চার্জ সম্মন্ধে বেশি কিছু জানি না। হঠাৎ বিদ্যুৎ বিলে দেখি ডিমান্ড চার্জ তিন গুন বৃদ্ধি করা আছে। বিদ্যুৎ অফিস কোন সিন্ধান্ত নিলে প্রথমে আমাকে জানাবে তারপর যা করার করবে কিন্তু আমাকে তো কিছুই জানাইনি। এমন কথা বলেন কাঁটাবাড়ীর কবির সরকার,বাসুদেবপুরের মোরসালিন, থানাপাড়ার মোস্তাফিজুর রহমানসহ অনেকেই।

এ বিষয়ে ফুলবাড়ীর আবাসিক প্রকৌশলী দপ্তরের প্রকৌশলী মোঃ উজ্জ্বল হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের তেমন কিছুই করার নাই, সব বিষয় উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ জানেন। এখানে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের নিয়ম মেনে গ্রাহক পর্যায়ে ডিমান্ড চার্জ বৃদ্ধি করা হয়েছে। শুধু ফুলবাড়ী নয় সারাদেশেই একই অবস্থা। ডিমান্ড চার্জ বৃদ্ধির পূর্বে নোটিশ করা উচিৎ ছিলো বলে তাকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, বিদ্যুতের ইউনিট বিল যখন বৃদ্ধি পায় সেই সময় সকল গ্রাহককে নোটিশ করে জানানো হয় না। ডিমান্ড চার্জের বিষয়ে একই অবস্থা। এ বিষয়েও কাউকে জানানোর প্রয়োজন নেই।