ঢাকা ০৩:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ৩ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা মারা গেছেন

তৃণমূল বিএনপির চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা মারা গেছেন। রোববার রাত ১১টার দিকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

নাজমুল হুদার স্ত্রী সিগমা হুদা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নির্বাচন কমিশন থেকে সবশেষ নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল ‘তৃণমূল বিএনপি’ প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন তিনি।

বিএনপি গঠিত হলে এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হন ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান তাকে দলের নীতিনির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটিতে নিয়েছিলেন। তিনি ছিলেন দলের সর্বকনিষ্ঠ স্থায়ী কমিটির সদস্য।

ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে পরপর ৩ বার ঢাকা-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯১ সালে বিএনপি সরকার গঠন করলে তিনি তথ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তিনি বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকারের যোগাযোগমন্ত্রী ছিলেন। ১/১১ পর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় তার বিরুদ্ধে তিনটি দুর্নীতির মামলা হয়েছিল।

২০১২ সালে ৬ জুন নাজমুল হুদা বিএনপি থেকে পদত্যাগ করেন। ওই বছর আবুল কালাম আজাদকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট (বিএনএফ) নামে নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করেন। ২০১৪ সালের ৭ মে তিনি বাংলাদেশ জাতীয় জোট নামে একটি জোট গঠন করেন। পরে ওই বছরের ২১ নভেম্বর তিনি বাংলাদেশ মানবাধিকার পার্টি নামে একটি দল গঠন করেন। ২০১৫ সালে তৃণমূল বিএনপি নামে নতুন একটি দল গঠন করেন। এই দলটিকে চলতি মাসে নির্বাচন কমিশন নিবন্ধন দিয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা মারা গেছেন

আপডেট সময় ০৬:১৩:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

তৃণমূল বিএনপির চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা মারা গেছেন। রোববার রাত ১১টার দিকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

নাজমুল হুদার স্ত্রী সিগমা হুদা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নির্বাচন কমিশন থেকে সবশেষ নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল ‘তৃণমূল বিএনপি’ প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন তিনি।

বিএনপি গঠিত হলে এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হন ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান তাকে দলের নীতিনির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটিতে নিয়েছিলেন। তিনি ছিলেন দলের সর্বকনিষ্ঠ স্থায়ী কমিটির সদস্য।

ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে পরপর ৩ বার ঢাকা-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯১ সালে বিএনপি সরকার গঠন করলে তিনি তথ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তিনি বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকারের যোগাযোগমন্ত্রী ছিলেন। ১/১১ পর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় তার বিরুদ্ধে তিনটি দুর্নীতির মামলা হয়েছিল।

২০১২ সালে ৬ জুন নাজমুল হুদা বিএনপি থেকে পদত্যাগ করেন। ওই বছর আবুল কালাম আজাদকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট (বিএনএফ) নামে নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করেন। ২০১৪ সালের ৭ মে তিনি বাংলাদেশ জাতীয় জোট নামে একটি জোট গঠন করেন। পরে ওই বছরের ২১ নভেম্বর তিনি বাংলাদেশ মানবাধিকার পার্টি নামে একটি দল গঠন করেন। ২০১৫ সালে তৃণমূল বিএনপি নামে নতুন একটি দল গঠন করেন। এই দলটিকে চলতি মাসে নির্বাচন কমিশন নিবন্ধন দিয়েছে।