• শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:৫১ অপরাহ্ন
  • Bengali Bengali English English
বিজ্ঞাপন
মুক্তিকামী জনতার দৈনিক 'মুক্তির লড়াই' পত্রিকার জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে ব্যুরো চীফ, প্রতি জেলা ও উপজেলার একজন করে প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আবেদন করুন। যোগাযোগের ঠিকানাঃ কামরুজ্জামান জনি- সম্পাদক, মুক্তির লড়াই। ইমেইলঃ jobmuktirlorai@gmail.com । ধন্যবাদ ।

মেহেরপুরের ছাগল চুরির তথ্য সংগ্রহে সাংবাদিকদের পুলিশি বাঁধা

Muktir Lorai / ১০১ বার ভিউ করা হয়েছে
বাংলাদেশ সময় বুধবার, ১১ আগস্ট, ২০২১

মেহেরপুর প্রতিনিধিঃ মেহেরপুর সদরের বারাদী বাজারে চোরাই ছাগল বিক্রি করতে এসে জনতার হাতে ৩ ছাগল চোর আটক হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা আনুমানিক সাড়ে ১২ টার দিকে বারাদী বাজারের মন্ডল ট্রেডার্সের সামনে থেকে স্থানীয়রা তাদের আটক করে। চোরদের মধ্যে ছাগলসহ দুজন ইজিবাইকে আর অন্য জন মোটর সাইকেল নিয়ে এসেছিল।
ছাগল ক্রেতা সোহাগ জানায়, আমার সাথে তাদের দরদাম হয়। দরদামের এক পর্যায়ে পনের হাজার টাকা দামের ছাগল তারা নয় হাজার টাকায় বিক্রিতে রাজি হলে তখন সন্দেহ হয়। তখন স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদে তারা চুরির কথা স্বীকার করে। পরে স্থানীয়রা তাদের মন্ডল ট্রেডার্স এর দোকানের ভেতরে আটকে রেখে বারাদী পুলিশ ক্যাম্পে খবর দেয়। খবর পেয়ে ক্যাম্প ইনচার্জ এসআই দেবাশীষ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। এদিকে চোর আটকের তথ্য ও ছবি সংগ্রহের জন্য দৈনিক চুয়াডাঙ্গা’র বারাদী প্রতিনিধি আরিফ হোসেন, মেহেরপুর প্রতিদিন এর প্রতিনিধি নাহিদ হাসান স্বপন ঘটনাস্থলে গেলে পুলিশ তাদের ছবি তুলতে ও তথ্য নিতে বাঁধা প্রদান করে। সাংবাদিক পরিচয় দেয়ার পরও তাদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করে। পরে দৈনিক সময়ের সমীকরণ ও মেহেরপুর নিউজ এর বারাদী প্রতিনিধি এসআই বাবু সেখানে পৌছালে তাঁকেও ছবি তুলতে নিষেধ করা হয়। একজন কনস্টেবল তাঁকে ক্যাম্পে গিয়ে তথ্য ও ছবি নিতে বলেন। আরিফ বলেন, ঘটনাস্থল থেকে আমি ছবি ও তথ্য নিতে গেলে এসআই দেবাশীষ আমাকে ছবি তুলতে নিষেধ করেন। সাংবাদিক পরিচয় দিলে তিনি আমার আইডি কার্ড দেখতে চান। কার্ড দেখানোর পরও তিনি আমাকে ছবি তুলতে দেননি । ইসরাফিল নামের স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন, আমি চোর দেখতে গেলে আমার সাথে তিনি দুর্ব্যবহার করেন। এছাড়াও কয়েকজনের সাথে এসআই দেবাশীষ রূঢ় আচরণ করেন। সাংবাদিকদের সাথে এহেন আচরণে ক্ষোভ প্রকাশ করেন সাংবাদিক ও স্থানীয়রা। তারা বলেন, চুরির সংবাদ সংগ্রহে দারোগার আপত্তি কিসের? কেন তিনি ছবি তুলতে বাঁধা দিলেন? পরে তিন ছাগল চোরকে ছাগল, মোটরসাইকেল ও ইজিবাইকসহ ক্যাম্প হেফাজতে নেয়া হয়। তিন চোরের মধ্যে দুজনের বাড়ী আমঝুপি ইউনিয়নের কোলা গ্রামে ও একজনের বাড়ী মহাজনপুর ইউনিয়নের যতারপুর গ্রামে বলে জানা যায়। পরে সন্ধ্যার দিকে মামলা দিয়ে তিনজনকে মেহেরপুর সদর থানায় প্রেরণ করেন।


এই বিভাগের আরো সংবাদ