• শনিবার, ৩১ জুলাই ২০২১, ০৭:৫৬ পূর্বাহ্ন
  • Bengali Bengali English English
বিজ্ঞাপন
মুক্তিকামী জনতার দৈনিক 'মুক্তির লড়াই' পত্রিকার জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে ব্যুরো চীফ, প্রতি জেলা ও উপজেলার একজন করে প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আবেদন করুন। যোগাযোগের ঠিকানাঃ কামরুজ্জামান জনি- সম্পাদক, মুক্তির লড়াই। ইমেইলঃ jobmuktirlorai@gmail.com । ধন্যবাদ ।

রাণীশংকৈলে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে বাড়ির বাইরে মানুষের অবাধ চলাচল

news / ৪৫ বার ভিউ করা হয়েছে
বাংলাদেশ সময় বুধবার, ৭ জুলাই, ২০২১

মোঃ ইলিয়াস আলী, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে সারাদেশে চলছে কঠোর লকডাউন। রাস্তার মোড়ে মোড়ে সতর্ক অবস্থানে প্রশাসন। কিন্তু এরপরেও প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে অনেকেই বাড়ির বাইরে বের হচ্ছেন। হাটবাজার গুলোতে দেখা গেছে মানুষের অবাধ চলাচল।

বুধবার ৭ জুলাই ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল পৌর শহরের শিবদিঘী পৌর মার্কেট এলাকায় দেখা যায়, মানুষ অহেতুক ঘোরাঘুরি করছে। এতে সংক্রমণের ঝুঁকি আরও বাড়ছে।

এছাড়াও উপজেলার বন্দর শিবদিঘী বলিদ্বাড়া, নেকমরদ বাজার, মীরডাঙ্গী,মাহারাজা, কাউন্সিল, ভোমরাহাট চেকপোস্ট বাজার, গোগর বাজার ছাড়াও আরো অনেক জায়গায় দেখা যায়, দোকান পাট বন্ধ থাকার কথা থাকলেও সুযোগ বুঝে দোকানের সাটার খুলে ঠিকই বেচাকেনা চলছে।

উপজেলার আমজুয়ান, বাজেবকসা, নয়ানপুর, বনগাঁও, বারোঘরিয়া, কুমরগঞ্জ, রাতোর সহ ভরনিয়া এলাকার বেশ কিছু প্রত্যন্ত গ্রামে ঘুরে দেখা যায়, সন্ধ্যা নামলেই সেখানকার মানুষেরা আড্ডায় মেতে উঠছেন। দোকানগুলোতে চলছে চা-সিগারেট বিক্রির ধুম। তাঁদের মাঝে সচেতনতা নেই বললেই চলে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক কর্মকর্তা আব্দুস সালাম মুঠোফোনে বলেন, লকডাউনের এই ১৪ দিন যদি আমরা ঘর থেকে বের না হই। তাহলে সংক্রমণের ঝুঁকি কমে আসবে। তাই সাধারণ মানুষ অযথা জটলা বেঁধে আড্ডা না দিয়ে ঘরের ভেতরে থাকাটা এখন খুব জরুরি।

থানা পরিদর্শক (ওসি)এস এম জাহিদ ইকবাল বলেন, আমরা সাধ্য অনুযায়ী চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। তবে কিছু লোক অযথা ঘোরাঘুরি করছে। তবে সচেতন লোকেরা ঠিকই নাগরিক দায়িত্ব পালন করে আমাদের সহযোগিতা করছে। তারা নিজেরাও বাড়িতে থাকছে এবং অন্যকেও বাড়িতে থাকার পরামর্শ দিচ্ছে।

উল্লেখ্য, আজ বুধবার (৭জুলাই) পর্যন্ত রাণীশংকৈল উপজেলায় মোট করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৫২২ জন। মোট মৃত্যু হয়েছে ২০ জনের। আর মোট সুস্থ হয়েছেন ২৮৫ জন।

ঠাকুরগাঁও জেলায় এ যাবত মোট শনাক্ত ৪০৮৭ জন, মোট সুস্থ ২৬০৬ ও করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১০৪ জন।


এই বিভাগের আরো সংবাদ