বিজ্ঞাপন
মুক্তিকামী জনতার দৈনিক 'মুক্তির লড়াই' পত্রিকার জন্য জরুরী ভিত্তিতে দেশের চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে ব্যুরো চীফ, প্রতি জেলা ও উপজেলার একজন করে প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আবেদন করুন। যোগাযোগের ঠিকানাঃ কামরুজ্জামান জনি- সম্পাদক, মুক্তির লড়াই। ইমেইলঃ jobmuktirlorai@gmail.com । ধন্যবাদ ।

রূপগঞ্জের সেজান জুস কারখানায় নিহত শ্রমিকদের প্রতি পরিবারকে ২০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণের দাবি

Muktir Lorai / ৮২ বার ভিউ করা হয়েছে
বাংলাদেশ সময় রবিবার, ১১ জুলাই, ২০২১
ছবি: শমিম আশ্রাফ।

মোঃ রাকিব হোসেন. বিশেষ সংবাদদাতা: রবিবার ১১ জুলাই সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে রূপগঞ্জে সেজান জুস কারখানায় অগ্নিকান্ডে নিহত শ্রমিকদের স্মরণে গার্মেন্ট শ্রমিক শিল্পরক্ষা জাতীয় মঞ্চের উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন গার্মেন্ট শ্রমিক শিল্প রক্ষা জাতীয় মঞ্চের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা আবুল হোসাইন। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন মঞ্চের সদস্য সচিব শফিকুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় নেতা তপন সাহা, রফিকুল ইসলাম সুজন, লাভলী ইয়াসমিন, শামীমা আক্তার, গোলাম ফারুক, হুমায়ুন মুজিব, আজিজা সুলতানা প্রমুখ।
সমাবেশে নেতৃবৃন্দ রূপগঞ্জের অগ্নিকান্ডে নিহত ও আহত শ্রমিকদের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেন। নেতৃবৃন্দ বলেন, এটা নিছক অগ্নিদুর্ঘটনা নয়, এটা সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অবহেলায় জড়িত হত্যাকান্ড। এই দুর্ঘটনার দায় যেমন মালিকের রয়েছে তেনমিতভাবে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরও এই দায় এড়াতে পারেন না। সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দায়িত্ব হচ্ছে কারখানায় শ্রম আইনের বিধি-বিধান মানা হচ্ছে কিনা তা পরিবিক্ষণ করা। কিন্তু আমরা জানি সংশ্লিষ্ট দপ্তর এ ক্ষেত্রে অসাধু পন্থা অবলম্বন করে যার খেসারত হিসেবে এই অগ্নি দুর্ঘটনা।
শ্রমিক নেতৃবৃন্দ দাবি করেন, নিহত প্রতি শ্রমিক পরিবারকে ২০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ ও আহতদের সুচিকিৎসা ও বেঁচে থাকার ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে হবে। সরকার গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্ট জনসম্মুখে প্রকাশ করতে হবে। ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ শাস্তি প্রদান করতে হবে। প্রতিটি শিল্প কারখানায় বিল্ডিং কোর্ট এবং কারখানা আইন মেনে চলছে কিনা তা পরিবিক্ষণ করতে হবে।


এই বিভাগের আরো সংবাদ
Translate »
Translate »